পাখির ছবি তোলা অনেকটা নেশায় পরিণত হয়েছে। সুযোগ পেলেই ছুটে যাই নতুন নতুন প্রজাতির পাখির সন্ধানে। এ উদ্দেশ্যে ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ সপ্তাহে মহাখালী থেকে বাস ধরে সকালে রওনা দিলাম হবিগঞ্জের সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের উদ্দেশ্যে। দুপুরের আগেই সাতছড়ি পৌঁছে যাই। স্থানীয় ত্রিপুরা বস্তির বাসিন্দা সুনীল ত্রিপুরাকে সঙ্গে নিয়ে সরাসরি চলে যাই বনের ট্রেইলের পথে।… [বিস্তারিত]
বিভাগ: পরিবেশ
কটকা জামতলার খালে নৌকায় ঘুরছি। চোখের নজর দুইধারের গাছ-গাছালিতে। কখন কোন পাখি টুপ করে বসে সেই লোভটাই কাজ করছে। সবুজাভ প্রকৃতির সঙ্গে মিশে আছে সু্ন্দরী,কেওড়া, গড়ান ও গোলাপাতা গাছ। চোখ ফেরানো অসম্ভব। ভোরের সূর্যের আলো সেই সুবাজাভের রূপ আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। গাছের ফাঁকে ফাঁকে হরেক প্রজাতির পাখির কিচিরমিচির শব্দ যেন তানপুরার সূরকেও হার মানায়। সব… [বিস্তারিত]
ছুটি বা অবসর সময় পেলেই ছুটে যাই বনে। রাজধানী ঢাকার খুব দূরে নয়। ফলে হবিগঞ্জ জেলার সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান আমার খুব প্রিয় একটি জায়গা। হবিগঞ্জের রাতের বাস ধরে খুব ভোরে পৌঁছানো যায় সেখানে। ২০১৬ সালের এপ্রিল মাসের শেষের দিকে রওনা হলাম সাতছড়ির উদ্দেশ্যে। খুব ভোরে নেমে পড়লাম জগদীশপুর মোড়ে। ভোরের আলো ফোটার পর একটি সিএনজি… [বিস্তারিত]
রাজধানী ঢাকা শহরের পাশেই পূর্বাচল, জায়গাটি ৩০০ফিট হিসেবেও পরিচিত। ছবি তোলার জন্য খুব ভোরে রওনা হলাম পূর্বাচল। কুড়িল ফ্লাইওভার অতিক্রম করে বসুন্ধরার পাশ দিয়ে পূর্বাচল বালুর ব্রিজ পার হলেই বাঁ দিকে রাজউকের পূর্বাচল প্লট। কোনো জনবসতি নেই। সারি সারি বৈদ্যুতিক খুঁটি মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে। তার নিচে স্থানীয় এলাকাবাসী নানা ধরনের সবজির বাগান করেছেন।… [বিস্তারিত]
সুন্দরবনকে প্রকৃতির রানী বললে ভুল হবে না। কেওড়া আর গোলপাতায় ঘেরা সুন্দরবন। ‘আমাদের সুন্দরবন’ বইয়ের লেখক ফরিদী নুমান সুন্দরবনের বর্ণনা এভাবে দিয়েছেন যে, বিশাল, বৃহৎ, বিস্তীর্ণ, নীরব, নিথর, নিস্তব্ধ, শ্বাপদ-সংকুল ভয়াল, রোমঞ্চকর, চির রহস্যাবৃত এক বন। পৃথিবীর বৃহত্তম শ্বাসমূলীয় বন সুন্দরবন। সাধারণের কাছে বাদাবনখ্যাত এই বন সত্যিই অনুদঘাটিত এক রহস্যের নাম, অপার বিস্ময়! অসম্ভব-অস্বাভাবিক রূপের… [বিস্তারিত]
কর্ম জীবনে রাজশাহীতে বেশ কয়েকবার গিয়েছি। কিন্তু পাখির ছবি তোলার জন্য প্রথম রাজশাহী যাই ২০১৬ সালের ডিসেম্বর মাসে। পরিপাটি সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন একটি শহর। বাস বা রেল স্টেশন থেকে নেমে শহরে প্রবেশ করলে মনে হবে প্রকৃতিতে ঘেরা ও ছিমছাম নান্দনিক একটি শহর। কোথাও ময়লার স্তুপ নেই। সবচেয়ে স্বস্তির বিষয় হচ্ছে যানজট মুক্ত একটি শহর। সেই… [বিস্তারিত]
দুষ্ট প্রকৃতির শিশু-কিশোরদের কাজই হচ্ছে খেলার ছলে নিজেদের মাঝে আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয়া। কিন্তু তারা নিজেরাই বুঝে না তাদের খেলার আনন্দ কারো জীবনাবসানের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। জুন মাসের ৮ তারিখে গিয়েছিলাম নীললেজ সুঁইচোরা পাখির ছবি তোলার জন্য ময়মনসিংহের বরুরা গ্রামে। সেখানে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শেষ মোড় থেকে কিছুটা পথ নৌকায় যেতে হয়। নৌকায় বসেই দেখতে… [বিস্তারিত]
পাখির ছবি তোলার শুরুর পর থেকে নানান প্রজাতির পাখি দেখেছি। একেক পাখির একেক রকম বৈশিষ্ট্য আমাকে মুগ্ধ করেছে। আমার ফটোগ্রাফি লাইফে এটি বড় একটি অর্জন। আমার কাছে পাখির ছবি তোলার চেয়ে, খালি চোখে পাখি দেখার আনন্দ বেশি মনে হয়। নানান বর্ণিল রঙে পাখির পালক সুসজ্জিত থাকে। কারো সঙ্গে কারো রঙের মিল খুঁজে পাওয়া যায় না।… [বিস্তারিত]
‘ডোরামাথা রাজহাঁস’ বা ‘বাদিহাঁস’ বা ‘রাজহাঁস’ Anatidae পরিবারের অন্তর্ভুক্ত একটি জলচর পাখি। যার দৈর্ঘ্য আকারভেদে ৭২-৭৫ সে.মি. এবং ওজন দেড় কেজি থেকে প্রায় সোয়া তিন কেজি। এরা একটাই প্রজাতি এবং এদের কোনো উপপ্রজাতি নেই। এদের শরীর দেখতে অনেকটা ধূসর বর্ণের। সাদা মাথা থেকে সাদা একটি লাইন গলার নিচ পর্যন্ত নেমে গেছে। মাথায় দুটি কালো দাগ… [বিস্তারিত]
সিংহরাজ পাখিটির সঙ্গে ২০১৫ সালে প্রথম পরিচয় হয় কাপ্তাই ফরেস্টের বড়ছড়ায়। আমরা বেশ কয়েকজন ফটোগ্রাফার পাখির ছবি তোলার জন্য ঢাকা থেকে কাপ্তাইয়ের উদ্দেশ্যে রওনা হই। বড়ছড়ায় প্রবেশ মুখে আনসার ক্যাম্প। ক্যাম্পের প্রবেশ মুখে আনসারদের সতর্কবাণী ছিলো বন্যহাতীর উপদ্রব সম্পর্কে। আমরা যাওয়ার কয়েকদিন আগে বন্যহাতীর তাড়ায় স্থানীয় একজন মারা যান। খবরটা শুনেই গা শিরশির করে ওঠে।… [বিস্তারিত]
কোকিলের নাম শোনেননি বা চিনেন না এমন লোক দেশে খুঁজে পাওয়া যাবে না। কোকিলের সুমিষ্ট সুর মন ভরিয়ে দেয়। বসন্ত কালে কোকিল আমাদের দেশে বেশি নজরে পড়ে। তাই আমরা বহুদিনের অদেখা কাউকে দেখলেই উপমা দেই ‘তুমি দেখছি বসন্তের কোকিল হয়ে যাচ্ছো’। কোকিলকে নিয়ে অনেক কবি বা ছড়াকার লিখেছেন। কোকিল আমাদের আবাসিক পাখি। বাংলাদেশের সর্বত্র কোকিল… [বিস্তারিত]
ইংরেজি নামঃ Coppersmith Barbet. বাংলা নামঃ ‘ছোট বসন্ত বাউরি’। বৈজ্ঞানিক নামঃ Megalaima haemacephala আকার ও বৈশিষ্টঃ প্রজাতির গড় দৈর্ঘ্য ১৬-১৭ সেন্টিমিটার। কপাল, বুক পরিষ্কার লাল। চোখের দু’পাশ থুতনি ও গলা হলুদ। মুখাবয়ব কালো। পিঠ ঘাসরঙা সবুজ। নিচের দিকে খাড়া খাড়া মোটা রেখা। ওড়ার পালক কালচে। বুক উজ্জ্বল লালের সঙ্গে সোনালি হলুদের পট্টি। লেজ খাটো। লেজের… [বিস্তারিত]
ইংরেজী নামঃ Spoon billed-Sandpiper. বাংলা নামঃ চামুচঠোঁটি চা-পাখি/কোদাইল্লা চা-পাখি বৈজ্ঞানিক নামঃ Eurynorhynchus pygmeus. আকারঃ এ পাখির দৈর্ঘ্য ১৭ সেন্টিমিটার, ডানা ১০ সেন্টিমিটার, ঠোঁট ২.২ সেন্টিমিটার, ঠোঁটের চামচের মতো অংশ ১.১ সেন্টিমিটার, পা ২.১ সেন্টিমিটার ও লেজ ৩.৮ সেন্টিমিটার। এর উপরের অংশের রঙ অনেকটা ফিকে ধূসর ও নিচের অংশটা সাদা। আকারে চড়ুই পাখির থেকেও ছোট। খাদ্যঃ… [বিস্তারিত]
ইংরেজী নামঃ Large-tailed Nightjar. বৈজ্ঞানিক নামঃCaprimulgus macrurus বাংলা নামঃ রাতচরা/দিনকানা। আকার ও আকৃতিঃ আকারে কাকের মত; ৩৩সেঃ; সারা দেহে কালচে বাদামী নকশা। বসে থাকলে ডানায় তিন সারি বাদামী লাইন দেখা যায়। লম্বা ও প্রশস্ত লেজ। গলায় চওড়া সাদা ফিতা। ঘাড়ে লালচে রং। পুরুষের লেজের প্রান্তে সাদাটে এবং ডানায় স্পষ্ট সাদা পট্টি। প্রজাতিঃ এটা ছাড়াও আরো… [বিস্তারিত]
বাদামী মেছো পেঁচা হল পেঁচা প্রজাতির Ketupa zeylonensis (কেটুপা জেলোনেন্সিস) গোত্রের একটি প্রজাতি। যা সাধারণত Strigidae নামে পরিচিত পরিবারের অংশ যা বেশীর ভাগ লোকালয়ে থাকে। মাঝে মাঝে এরা উপকুলেও বিচরন করে থাকে। বড় বড় উঁচু গাছে, জলাশয়ের ধারে বা পুকুর পাড়ে ঘাপটি মেরে বসে থাকে মাছ শিকারের জন্য। এরা মহাদেশীয় এশিয়া এবং কিছু উপকূলে দ্বীপগুলির… [বিস্তারিত]















