মূল লেখায় যান

সাদা-কোমরের পাখি (পর্ব-৫)

শামীম চৌধুরীপরিবেশ১৭টি মন্তব্য

আগের পর্বের লিঙ্কঃ চাঁদির মতন ঠোঁট (পর্ব-৪) পর্ব- ৫ বার্ড ফটোগ্রাফীর শুরু থেকেই দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে পাখির ছবির জন্য যেতে হয়েছে। যেখানেই নতুন পাখির তথ্য পেয়েছি সেখানেই একা বা কাউকে সঙ্গী করে ছুটে গিয়েছি। শুধুমাত্র নির্দিষ্ট একটি পাখির ছবি তোলার জন্য। সত্যিকার অর্থে ওয়াইল্ডলাইফ ফটোগ্রাফী খুবই ব্যায়বহুল একটি শিল্প। দামী ক্যামেরা ও লেন্স না হলে… [বিস্তারিত]

চাঁদির মতন ঠোঁট (পর্ব-৪)

শামীম চৌধুরীপরিবেশ২৩টি মন্তব্য

আগের পর্বের লিংকঃ বিপদমুক্ত হলেও দূর্লভ পাখি (পর্ব-৩) পর্ব-৪ ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের আড়ারকুল গ্রামে গিয়েছিলাম মূলতঃ দেশী বাবুই পাখির ছবি তোলার জন্য। সেই সময় বাবুই পাখির প্রজননকাল ছিলো। তাই এত বড় শিল্পীকরের বাসা সহ ছবি তোলার আগ্রহ জেগেছিলো । সময়টা ছিলো সম্ভবতঃ ২০০৯ সালের অক্টোবর মাস। আমরা আড়াকুল গ্রামে এক গৃহস্থ্যের বাড়িতে যাবো। সেখানেই তালগাছে… [বিস্তারিত]

আগের পর্বের লিঙ্কঃ পোষা পাখি তিলা মুনিয়া (২য়-পর্ব) পর্ব-৩ উত্তরায় দিয়াবাড়িতে লালমুনিয়ার খোঁজে বের হলাম। সময়টা ছিলো ২০১৪ সালের অক্টোবর মাস। তখন লালমুনিয়ার দেখা না পেলেও যে পাখিটির দেখা পেয়েছিলাম সেটাও আমার প্রথম দেখা ও ছবি তোলা। এই পাখিটির ছবি তুলতে পারায় লালমুনিয়া না পাওয়ার কষ্টটা ভুলে যাই। কারন যে কোন বার্ড ফটোগ্রাফারের জন্য নতুন… [বিস্তারিত]

প্রথম পর্বের লিংক দিয়াবাড়ির পাখি লাল মুনিয়া- (১ম পর্ব) তিলা মুনিয়াঃ ফটোগ্রাফীর শুরু দিকে যে পাখির ছবিগুলি প্রথমে তুলেছিলাম তারমধ্যে মুনিয়া প্রজাতির তিলামুনিয়া প্রথম পাখি ছিল। তিলা মুনিয়া ছাড়া সে পর্যন্ত আর কোন মুনিয়া পাখির ছবি তোলা হয়নি। সময়টা ছিলো ২০০৯ সাল। প্রথম তিলামুনিয়া তোলা হয় ঢাকার শেরে-বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেই সময় বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গন জুড়ে… [বিস্তারিত]

দিয়াবাড়ির পাখি লাল মুনিয়া- (১ম পর্ব)

শামীম চৌধুরীপরিবেশ২২টি মন্তব্য

আমি বিরতিহীন ভাবে ২০১৪ সাল থেকে নিয়মিত আমাদের দেশীয় ৬ প্রজাতি মুনিয়া পাখির ছবি ঢাকায় তুলে আসছি। পাখিটি ছোট হলেও এদের স্বভাব ও দলগত বিচরন আমাকে খুবই টানে। তার মূল কারন এক ঝাঁকেই ৫ প্রজাতি মুনিয়া এক সঙ্গে পাওয়া বা দেখা যায়।এরা খুবই শান্ত স্বভাবের হয়ে থাকে। যে কাউকে এই পাখি মন মাতিয়ে রাখার সক্ষমতা… [বিস্তারিত]

গলা তার চুনিকণ্ঠীঃ

শামীম চৌধুরীপরিবেশ১৮টি মন্তব্য

জানুয়ারী মাসের প্রথম সপ্তাহে অধিকাংশ ফটোগ্রাফার ঢাকার দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জের আড়ারকুল গ্রামে দলে দলে পাখির ছবি তুলতে যায়। সময়টা ছিলো ২০১৮ সাল। ঢাকায় বসবাসকারী এমনকি বাহিরের জেলা থেকেও ফটোগ্রাফাররা এসে পাখিটির ছবি তুলে নিয়ে যায়। তখন কাজের ব্যাবস্তার দরুন আমি সময় দিতে পারিনি। যখন সময় হলো তখন পাখিটির ছবি সবার তোলা হয়ে গেছে। কাউকে বলতেও পারি… [বিস্তারিত]

মদনা টিয়ার লিংক এখানে- লাল-বুকের মদনা টিয়া * কুষ্টিয়ায় গিয়েছিলাম মূলত দুধরাজ পাখির ছবি তোলার জন্য। ঘটনাটি ছিল ২০১৫ সালের এপ্রিল মাস। রাতের বাসে কুষ্টিয়া রওনা হলাম। ভোরে কুষ্টিয়া শহরের বাসিন্দা ছোট ভাই শাফায়াত বাস স্ট্যান্ডে এসে আমাদের রিসিভ করলো। পরে সেখান থেকে তাঁর বাসায় নিয়ে গেল। সাফায়াত মূলত ঢাকার উত্তরায় থাকে। কুষ্টিয়া যেতে হয়… [বিস্তারিত]

লাল-বুকের মদনা টিয়া

শামীম চৌধুরীপরিবেশ১৬টি মন্তব্য

কাপ্তাই ফরেষ্টের গেষ্ট হাউজের সড়কের উল্টো দিকে আনসার ক্যাম্প। সেই ক্যাম্পের ডান দিকে ধরে পাহাড়ের টিলা পার হয়ে আমরা ৪ জন বড়ছড়ার দিকে অগ্রসর হলাম। প্রায় ২কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে বড়ছড়ায় নামলাম। পায়ের গোড়ালী সমেত ঝর্ণার স্বচ্ছ পানি। পানির নীচে পাহাড় থেকে আসা পাথর। এই অল্প পানিতেও ছড়ায় স্রোত অনেক। স্রোতের কারনে হয়তো বা পানি… [বিস্তারিত]

ভাগ্য সুপ্রসন্ন ছিলো।

শামীম চৌধুরীপরিবেশ১৬টি মন্তব্য

ঢাকা শহরের মধ্যে খুব নিরিবিলি একটি স্পট ও পাখির বিচরন ক্ষেত্র ছিলো শেরে-বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। খুবই স্বল্প পরিসরে গবেষনা ও ছাত্রদের ব্যাবহারিক মাঠ কাজের জন্য শেরে-বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের আঙ্গিনায় ছোট্ট একটি মাঠে নানান জাতের ধান,সরিষা,পাট,ভূ্ট্টার চাষ হতো। আর আমাদের দেশীয় পাখিরা সেখানে মনের সুখে তাদের খাবারের সুযোগ পেতো। সময়টা ছিলো ২০১২ সালের নভেম্বর মাস। আমি… [বিস্তারিত]

অনেকটা হীরামনের মতন

শামীম চৌধুরীপরিবেশ১৯টি মন্তব্য

এমনিতে জানুয়ারী মাস। তার উপর শীতের রাত। সে বছর প্রচন্ড শীত পড়েছিল। তাই রাতে ভ্রমন না করে ভোরের বাসে সাতছড়ি রওনা হলাম। দুপুর দেড়টায় হবিগঞ্জের সাতছড়ি পৌছালাম। বনের ভিতর বন বিভাগের ডোরমেটরীতে উঠে রুমে ব্যাগ রেখে হাত মুখ ধুঁয়ে বনের ভিতর রওনা হলাম। বনের প্রবেশদ্বারে হাতের বাঁদিকে যে ছড়া নেমে গেছে তার সঙ্গে লাগোয়া বড়… [বিস্তারিত]

অভাবে উড়ন্ত পোঁকাও খায়।

শামীম চৌধুরীপরিবেশ১৬টি মন্তব্য

আমার কাজিন এম ইঞ্জা ভাইয়ের আবদার ছিলো আমি যেন এই পাখিটি নিয়ে ব্লগে লিখি। তিনি আমার বার্ড ফটোগ্রাফীর একজন ভক্ত। তার উৎসাহ ও অনুপ্রেরনামূলক মন্তব্য ও উপদেশ আমাকে পাখি নিয়ে আরো বেশী কাজ করার আগ্রহ বাড়িয়ে তোলে। তাই আজকের লেখাটা এম ইঞ্জা ভাইকে উৎস্বর্গ করিলাম। অক্টোবর মাসের শেষ সপ্তাহ। স্বভাবতঃ এই সময়ে আমাদের দেশে শীতের… [বিস্তারিত]

শিখালে তোতাও কথা বলে।

শামীম চৌধুরীপরিবেশ১৯টি মন্তব্য

আমাদের দেশে সবচেয়ে পরিচিত ও সবুজ রঙের পাখিদের মধ্যে সবুজ টিয়া সকলের পছন্দনীয় একটি Ps ittaculidaeপরিবারের অন্তর্গত সুদর্শন পাখি। বাংলাদেশের সকল অঞ্চলের শহরে ও গ্রামে এদের অবাধ বিচরন চোখে পড়ার মতন। শিশুদের কাছে সবুজ টিয়া অত্যন্ত লোভনীয় একটি পাখি। যারা খাঁচায় পাখি পালন করে তাদের কাছে এই টিয়ার বিকল্প নেই। যদিও আমরা যারা পাখি বিশারদ… [বিস্তারিত]

লেজকাটা টিয়াঃ

শামীম চৌধুরীপরিবেশ১৮টি মন্তব্য

আমাদের দেশে ৭ প্রজাতির টিয়া পাখি দেখা যায়। সবই আমাদের দেশীয় পাখি। এরা আমাদের আবাসিক পাখি হিসেবে গণ্য ও আমাদের দেশেই প্রজননের মাধ্যমে বংশ বৃদ্ধি করে। আমি ধারাবাহিক ভাবে সবগুলি টিয়া পাখির পরিচয় ও বিস্তারিত তুলে ধরছি। গত লেখায় ছিল চন্দনা টিয়া। পাঠক বন্ধুদের নিকট অনুরোধ রইলো তারা যেন সবগুলি টিয়া সম্পর্কে সম্যক ধরানা নেয়।… [বিস্তারিত]

কথা বলা চন্দনা টিয়া

শামীম চৌধুরীপরিবেশ২৫টি মন্তব্য

চন্দনা টিয়া আকারে কাকের চেয়েও বড়। টিয়া প্রজাতির মধ্যে আমাদের দেশে চন্দনা সবচেয়ে বড় টিয়া। এর দৈর্ঘ্য ৫৩ সে.মি.। দেহ সবুজ। পুরুষের গলায় লাল মালা ও থুতনির নিচে কালো। বিশাল লাল ঠোঁটের শেষ প্রান্ত কমলা। চোখ লেবুর ভিতরের অংশের মতো মাঝে কালো। সবুজ দেহের ডানার দুই পাশে লাল রঙের দাগ আছে। মোট কথা দেখতে খুবই… [বিস্তারিত]

গত মার্চ মাসের ৮ তারিখ পাখির ছবির জন্য ঘর থেকে বের হয়ে সর্বশেষ সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওড়ে গিয়েছিলাম। করোনাকালে দীর্ঘ সাত মাস পাখির ছবির জন্য কোথাও যাওয়া হয় নাই। এই ৭ মাসে আমাদের দেশে সামার ভিজিটর বেশ কিছু পাখি প্রকৃতিতে উড়ে বেড়িয়েছে। কপাল মন্দ থাকায় ওদের সঙ্গে সাক্ষাত হয়নি। করোনার প্রভাব কিছুটা দূর্বল হওয়ায় গত ২৮… [বিস্তারিত]