মূল লেখায় যান

আবছায়া অবসন্নতার মাঝে ত্রস্ততা অনুভব করি, একটু ঝুঁকে পড়ে খুঁজে, নিজেকে অনুপস্থিত দেখতে পাই; ভাবি, এ হয়ত আমার দৃষ্টিহীনতা দৃষ্টিভ্রম ও হতে পারে; একটা চক্রাকার অনুপস্থিতি আমাকে ঘিরে রাখে দৃষ্টিকটু ভাবে অন্ধত্ব নিয়ে, সাময়িক বা চিরকালীন স্পর্শ-মূর্তি হয়ে চারদিক হাতড়ে বেড়াই, শূন্যতার উপস্থিতিতে অনুভব করি কোথাও কেউ নেই, সত্যি সত্যি-ই আমি অনুপস্থিত; তবুও দূর সবুজের… [বিস্তারিত]

এই-যে এই বিনিদ্রের অটল ভূবনে, প্রতিনিয়ত সঙ্গ দেয় লিখিত-অলিখিত লেখাগুলো, স্বপ্নাচল ছুঁয়ে ছুঁয়ে; সুঘ্রাণ স্যানিটাইজারের শীতলতা দিয়ে হাত ধুইয়ে দেয়; রোদ-বৃষ্টির আবাহন নিয়ে গুঞ্জনের সুর তোলে রৌদ্রোজ্জ্বল দিনে, বা নাক ডাকা ঘুম ঘুম প্রহরে; বন্যা উপদ্রুতার স্রোত ছাড়াই দ্বিধাহীন ভাবনা-ভেলায় বয়ে নিয়ে যায়; নিষিদ্ধ আড্ডা ভুলিয়ে স্বর্গোদ্যানে নিরাল নিরিবিলিতে হাঁটতে দেয়; হস্তিনাপুরের চাবিটি কিছুতেই হাতছাড়া… [বিস্তারিত]

লোভাতুর মন নিয়ে ঘরময় পায়চারি করে কাটিয়ে দেই অলস সময়, আকাশ-পাতাল ভেবে, কল্পনার হাঁটু-জলে অসম্ভব জেনেও ঝাঁপাতে চাই, ডুব সাঁতারের কষ্ট-কল্পনা ও করি; কুয়াশা নেই জেনেও কুয়াশার রঙিন চাদর মুড়িয়ে গুটিসুটি খেলি; এই সরাইখানায় কত কাল আছি থাকবো বা কতকাল কে জানে! অতি প্রিয় কাফকা ও প্রুস্তুর কথা ভাবি নিজের মত করে, নিজ মনে, এ-ও-বা… [বিস্তারিত]

শহুরে জনহীন রাস্তায় একটি লিকলিকে ভয় পিছু নিচ্ছে, প্রতি মাঝ-রাত্তিরে, ভাগ্যকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে রাহুগ্রস্তের মত দোষে নিচ্ছি-না কাউকে; নালিশ-ও না; এ-এক আচ্ছন্ন বিহ্বলতা করোনাকালে। নৈরাশ্যের নিরীহ নিঃস্পৃহ স্পন্দনে কেটে যায় রাত্রির পর রাত্রি, আজন্ম অহেতুক অভ্যাসের মত, সরীসৃপের মত জড়িয়ে থাকা একরাশ কবিতা জোরালোর কণ্ঠস্বরে সারাক্ষণ চালু রাখে প্রাণের শেষ স্পন্দন; নিজেকে প্রবোধ দেই,… [বিস্তারিত]

ভাবছি, পাঠিয়ে দেবো আকাশের পানে দৈনন্দিনের ভাবনা-লিপি, অজস্র জোনাক-ঝোপের ঠিকানা, চুপিসারে বসে থাকা স্তব্ধ-পুকুরের ঠিকানা, ধু ধু মাঠে প্রেতাত্মার ঘূর্ণাবর্তের সাবধানতা, অস্থির-চিত্ত হরিণীর দু’চোখের মাপ, অহংকারী হাওয়ার উদ্দীপনা হিংসুটে হাওয়ার ও; অবশ্য-স্পর্শের বিদ্যুৎ-চমকের না। সাথে থাকার আশ্বাসে ভ্যা করে কেঁদে দিলে মাথা নেড়ে হু হু হুম হুম করা অট্টহাসি থামিয়ে দেয়ার। অবশ্য ঠিকানা খুঁজে খুঁজে… [বিস্তারিত]

ঘরে বসেই ডাক্তার দেখান

গাঢ় অন্ধকার বা রৌদ্র-উজ্জ্বলতায় কিছু কিছু অনুভূতি সত্য-স্বপ্নের মত সঙ্গে সঙ্গে যায়, রয়ে রয়ে ও যায়; টু শব্দ না করে হেঁটে যাওয়া, ইচ্ছে করে, অনিচ্ছুক ভাব নিয়ে আলগোছে ছুঁয়ে দেওয়া, ছুঁয়ে যাওয়া, এই খর রৌদ্রে, এই হঠাৎ হঠাৎ বজ্র সমেত বৃষ্টি পেরেকের অবিদ্ধ কিছু অনুভূতি পিছু নেয়, পিছু ডাকে; নীলাকাশ জুড়ে ঝুলে থাকা নিরুত্তরের গিজগিজে… [বিস্তারিত]

নীলের আবাহনে

ছাইরাছ হেলালএকান্ত অনুভূতি১৮টি মন্তব্য

কারুকাজ সমেত সু-প্রাচীন ধ্যানিমত একটি বিশাল বৃক্ষ দেখে, দাঁড়িয়ে গেলাম, রৌদ্র-লগ্নতা এড়াতে; কিছুটা বিশ্রাম নেয়া যেতেই পারে, অরণ্য-ভাবনার ছিটেফোঁটা মিলে যাবে সে আমি নিশ্চিত; এখানে এখন-ও হাওয়ারা দোল খাচ্ছে/দিচ্ছে, পাতারা শাখা-প্রশাখায় ভর করে কৌমার্য সমেত হা করে আছে,আকাশ পানে! উড়াল বাতাসের উজানে দাঁড়িয়ে এই গভীর সবুজের বৃক্ষটি, ফুল-ফল বীজের সমারোহে নিসর্গের এই নীল আবাহনে। সংলগ্ন… [বিস্তারিত]

বাক্যহীন নিঃশব্দ-কথনে, ভাবছি এবার অনুবাদ করে ফেলবো নিজেকে, পুরোটা! এই ম্লান-বিকেলের খুব কাছ ঘেঁসে দু’হাত বাড়ায়ে সুখী-সুখী ভাববো, দুঃখিত-দুঃখিত ভাব নিয়ে লাল-নীল স্বপ্নালু চিত্তের রোদন-রমণে, এখন-ই শুরুতে হাত রাখবো মোক্ষম অনুবাদে; ক্ষোভের বিষয়গুলো থাকবে, থাকবে মিহি মিহি প্রতিবাদ, ভালবাসার মত অলীক বিষয়-আশয় মোটেই থাকবে না, তবে তাড়া নেবো না; হামাগুড়ি দিয়ে দু’একটি ভূত/ডাইনির উঁকিঝুঁকি আসতেই… [বিস্তারিত]

উদাত্ত আহ্বানের নিশি-লগ্ন হিরণ্ময় সুখ, এমন বিস্মরণে, ঝরা পালকের উদ্বাস্তুতা নিয়ে শুধুই উড়তে থাকা, বিশুদ্ধ-প্রাণ জীবনের এ-এক অলিখিত পরিপাটি চেহারা। হাসপাতাল বেডে শুয়ে শুয়ে শুধুই কড়িকাঠ গোনা; তবুও ঝুঁকে-পড়া হু-হু করা জীবনের সফেদ বর্ণাঢ্য পায়চারি, আদি-অনন্তের ঝকঝকে নির্নিমেষ রোদে; ছবি নেট থেকে। [বিস্তারিত]

সময়-স্রোতে জ্বলে ওঠা করোনা-চোখ সোমত্ত প্রেতের মত চালাচ্ছে সন্ত্রাস; বিরহী-পৃথিবী সকল জ্ঞান-গম্মি জড়ো করে লড়ে যাচ্ছে প্রাণপণে, একটুখানি বাঁচবে বলে ছলকে ওঠা বুকের রক্ত ঢেলে; নিয়ত নূতনের সাজে করোনা শান দিচ্ছে, নবতম মারণাস্ত্র, খুলছে একের পর এক ফ্রন্ট; অকস্মাৎ এক ‘কোবি’ এক হাতে নিভু নিভু প্রদীপ অন্য হাতে কুমারী ফুল নিয়ে সামনে এসে দাঁড়ায়; রুখে… [বিস্তারিত]

ঘরে বসেই ডাক্তার দেখান

সূর্যোদয় দেখবো বলে বসে আছি অফুরন্ত সময়ের কোলে, নিরুত্তাপ নিরুত্তরে, অপেক্ষা-প্রহর শেষে; দেখাবে বলে কথা দিয়েছিল ভাঁজ খুলে খুলে, নীলাকাশ সাক্ষী রেখে, ফিরবে, ফিরে আসবে সোনাঝুরি-বনে পাখিদের কলকাকলিতে; বদলানোর কথা বলে এতটা বদলে যাবে! তিন তিনটে সত্যি ভেঙ্গে ফিরিয়ে দেবে!ভাবিনি, ঐ দেখো অপেক্ষার নদী-তীর এখন ও দাঁড়িয়ে সূর্যি ওঠা দেখবে বলে। অকস্মাৎ ছুটে এলো কালো… [বিস্তারিত]

সুরঞ্জনা যখন সীমিত

ছাইরাছ হেলালরম্য৩৪টি মন্তব্য

সুরঞ্জনা, ওইখানে যেয়ো নাকো তুমি, বোলোনাকো কথা ঐ সিক্স-প্যাক যুবকের সাথে; সুরঞ্জনা, ধানসিড়ির চিপায় চাপায় ঘুর-ঘুর কোরোনাকো যখন-তখন এড়িয়ে লোকচক্ষু, চুলচুলে-চুপচুপে-তুলতুলে আলো আধারিতে; রূপালি জ্যোৎস্নায় আধার লুকিয়ে, বেড়াল-চাতুরীর গভীরতা নিয়ে, ঐ যুবকের সাথে শুয়ে-শুয়ে চক্রাকারে(এক্রোবেটিক স্টাইলে) জ্যামিতির কেন্দ্র-জ্যা এর হিসেব কোরোনা। সুরঞ্জনা, সীমিত পরিসরে সব সব কোরো, তবে সেফটি ফার্স্ট-মাস্ট; আমার প্রেম এখন ঘাস, আড়াল… [বিস্তারিত]

এ এক অদ্ভুত বিহ্বলতা, (আমাকে)ঘিরে ধরে, ঘিরে রাখে, ঝুপ করে নামা, বিকেল-বৃষ্টি; হুট করে ঢেকে দেয়া সকাল-কুয়াশা,অসময়ে; মন্দ লাগে-না, সকাল-সন্ধ্যায় এই উত্যক্ততার খুনসুটি। কৃষ্ণচূড়ার পথ ধরে হারিয়ে যাওয়ার ভান করে লুকিয়ে যায়, হঠাৎ ছুঁয়ে যাওয়া কুয়াশা-বৃষ্টি, বিহ্বলতায় থমকে যেতে মন্দ লাগে না, বিরক্ত হতেও; হঠাৎ ফিরে আসে আলোক-বন্যা, চোখ ধাঁধিয়ে চোখ ছুঁড়ে বলে, এই তো,… [বিস্তারিত]

জুঁইঘ্রাণ হারিয়ে যাবে! বসন্ত নেই বলে তা হতেই পারেনা, কাঁদতে বসে কুঁই কুঁই করে ভর্ৎসনা! সে হবে না, বসন্ত আমার চাইই,এক্ষুণি এই করোনা কালেও; তোমার ঘ্রাণ তীব্রতা, রৌদ্র উল্লাস, আমার ঘুম কেড়ে নেয়। কাঁপা হৃদয়ে অহোরাত্রি তোমার-ই অপেক্ষায়, এই আমি। ফিরে এসো বলছি, এক্ষুণি, অপেক্ষা হৃদয়ে। লুকিয়ে যাওয়া, লুকিয়ে থাকা অদম্য স্বাস্থ্যের তুমুল বসন্ত আমার… [বিস্তারিত]

কুহক-বিদ্যার ঔৎসুক্য থেকে দূর কিংবা কাছ থেকে আস্ফালন দেখেছি/শুনেছি স্থিরত্বের বিপরীতে, আটকে গেছি/থেকেছি অনাদিকাল। সবুজ ঘাসের ডগায় জ্বলজ্বলে শিশির বিন্দু তারাদের একান্ত রাতাকাশে ঝিকিমিকি একান্তে দাঁড়িয়ে থির চোখে দেখেছি, পড়শি এই মহাশূন্যের হিরকদ্যুতি নিঃসঙ্গের শূন্যতায় দূর থেকেই দেখেছি; উত্তাপ অনুভবের হৃদয়ে ছুঁতে পারিনি; পরিপূর্ণ স্বপ্ন-মৌচাক শুকিয়ে গেছে, ঘুম ভাঙ্গা টান টান চোখে শুধুই ছায়াদের বসবাস,… [বিস্তারিত]