বৃষ্টিমুখর দিনে, তুমি আমি মুখোমুখি বাতায়নে, একই স্বর বৃত্তে মৌন আলাপনে! দূরত্ব কেবল পথের সমষ্টি, ভিজছি আমরা ক্রমাগত প্রেমের বানে! বহু খোঁড়াখুঁড়ির পর মিলেছে অমৃতের সন্ধান তাকে ছুঁয়ে দিতে মরিয়া নই, তবে নিশ্চিত জানি সে আমার হৃদয়ের একান্ত ভুঁই! আকাশে যতই উড়ুক উড়ুক্কু গাঙচিল, ডানা মেলুক ডাহুকের দল, গোধূলির আলো চিনে সে আমায় খুঁজে নিবে… [বিস্তারিত]

খাদিজাতুল কুবরা
- নিবন্ধন করেছেনঃ ৬ বছর ৪ মাস ১০ দিন আগে
- পোস্ট লিখেছেনঃ ১৪৫টি
- মন্তব্য করেছেনঃ ১৮৫৪টি
- মন্তব্য পেয়েছেনঃ ১২০৪টি
আমি জেবা। আমার আর একটি নাম আছে কাছের মানুষদের দেওয়া,' বই পোকা '। না আমি এতো পড়ে ও খুব বিদ্বান হতে পারিনি বা নিজের জন্য কোন পদবি ও অর্জন করতে পারিনি। একটা সময়ে সমরেশ মজুমদারের লেখা পড়তাম গোগ্রাসে। 'কালবেলা' পড়ে কি ভীষন মন খারাপ হয়েছিল, আহারে লতার সাথে অনিমেষের বিয়েটা হয়নি বলে লেখকের উপর এতো… [বিস্তারিত]
বহুদিন ধরে পাওয়া হয়নি যা চাই, অক্ষরে অক্ষরে ললিতকলা সাধন করেনি কবি। কেন কবি? এ তোমার ভারি অন্যায়! প্রকৃতি মাতার কোলে শুয়ে আমায় কি পড়েনা মনে? যদিবা পড়ে কবিতা ঘুমায় কেন নিঝুম বনে? যা-ই হোক কবি শুনবোনা অযুহাত, এবার চাই-ই চাই একখানা কাব্যিক চিরকুট! বলোনা যেন " তুমিই কবিতা রাজকন্যা "! জানোত, তোমার শব্দ অলংকার… [বিস্তারিত]
জলরাশি এসে ফিরে গেছে; শুকনো এখন বালুচর, বালুচরে রোদ পোহাতে পারো দিনভর। কিন্তু কতক্ষণ? সী সিকনেস হতে পারে, হতে পারে ডিহাইড্রেশন। মানুষকে যে ভিজতে হয় পরিমিত পরিমাণ ! ধূসর গোধূলি শপথ ভেঙে আঁধারে নামে, আড়মোড়া দিয়ে সূর্যটা সাগরের গভীরে গিয়ে থামে! প্রকৃতির অলিখিত নিয়মনীতি! আমি শুধু শুনি ভাঙনের গীতি, অসহনীয় ঝনঝন শব্দ দূষণ! টের পাই… [বিস্তারিত]
অযাচিত ঘাসফুল ভেবে ; আমায় মাড়িয়ে গেছে অনেকে, কেউবা ক্ষনিক রেখেছে চোখে চোখ! হাসিতে ফাঁসি হয়নি কারুর, স্বযত্নে লুকিয়েছি ফোঁটাগুলো অশ্রুর! আমার চোখের বেদনার রক্ত করবী তুমি ছাড়া কেউ দেখেনি। প্রিয়তম জানোইত মনের ঘরখানায় অযত্নে শ্যাওলা পড়েছে, বসতি গড়েছে অসুখী ছত্রাক। মৃত সমুদ্র পোষে বুক! তাতে ভেসে থাকে সূক্ষাতিসূক্ষ অনুভূতিটি ও , সত্যি বলছি লক্ষীটি… [বিস্তারিত]
সে নেই আজ এক বছর সতেরো দিন।সে না থাকলেও দুর্বিষহ স্মৃতিরা আমার সাথে আঠার মত লেপ্টে আছে। ওদের জন্য জেগে থাকলে সুখী হতে পারিনা, ছোট বড় কোন প্রাপ্তিকে অনুভব করতে পারিনা। আর ঘুমুতে গেলে আমার চেয়ে অসহায় কেউ নেই। আমার বন্ধ চোখের পাতায় ট্রাজিক সিনেমার মত ঘটনাগুলো হেঁটে বেড়ায়। আমার বর্তমানকে কুয়াশাচ্ছন্ন করে রাখে। আমি… [বিস্তারিত]
কেমন করে জেনেছ প্রিয় আমি যে অ-নামিকা? তাই বুঝি মধুর স্বরে ডাক! জেনে রেখো; আমি এক বন্দিনী, চারিপাশে ঘেরাটোপ কুহেলিকা। জেনে বুঝে কঠিনেরে ভালোবাসিলাম; সহজে তা যায় না ছোঁয়া! চোখ ফেরানো ও দায়, এ যে সর্বনেশে মায়া! তোমার সনে মনে মনে করব বৃষ্টিস্নান! না হয় খরতাপে পুড়ে ছাই হোক এ জনম। মেঘের পাহাড় বাড়ে বুকের… [বিস্তারিত]
আমি ও স্বার্থপর। রোজ ঘুমুতে যাওয়ার আগে ভাবি, কাউকে কষ্ট দিবোনা, কেউ কষ্ট দিলে নিবোনা। সকাল হলেই দিতে যদি ও কার্পণ্য করি, নিতে দু'হাত পেতে রাখি। রোজ ভাবি ক্ষমা নিব এবং দিব, তা-ও হয়না, আত্মঅহম এসে বাধ সাধে। রোজ ভাবি, ভালোবাসার ভালোবাসাকে ভালোবাসব,কিন্তু ঈর্ষা দলা পাকায়, কষ্টের মেঘ জমে বুকের বাঁ পাশে। আমি আর স্বচ্ছ… [বিস্তারিত]
নামটা অদ্ভুত লাগছে? কিছুটা অদ্ভুততো বটেই! আমি রু। মানে আমার কবি মশাই আমাকে রু বলে ডাকে। 'র' আমার নামের আদ্যোক্ষর। আমি মনে মনে তাকে রাজা সাহেব বলে ডাকি। সামনা সামনি বলা হয়না। তাকে দেখলে আড়ষ্ট হয়ে পড়ি। কিছুটা লজ্জা, কিছুটা অচেনা শিহরণে এতটা পুলকিত থাকি যে আমাকে কথা বলতে হয়না!আমার চোখ মুখ চিবুক তাদের নিজস্ব… [বিস্তারিত]
একদা হেঁটে যাচ্ছিলাম মরণপাখা হাতে, একটি বৃক্ষ এগিয়ে এলো ছায়া হাতে, বললো খানিক জিরোতে, কেমন ঘুমঘুম চোখে দেখলুম তাকে আদর করতে চাইছে ঝুঁকে! তন্দ্রাঘোরেই ঝটিকায় সরিয়ে দিলাম, বললাম অনুমোদন আছে? সে কিছু বলেনি, আহত হয়েছে হয়তো। ব্যস আমাদের হবে হবে করে প্রণয় হলোনা যা হলো তা ও সুখকর নয়। অতঃপর লাইসেন্সধারী আগন্তুকের অপেক্ষা প্রতীক্ষায়... আদরের… [বিস্তারিত]
ঘনিয়ে আসো, নিবিড় হও! চুরুট নয় কমলার কোয়া ঠোঁটে পুরে নাও! এস্ট্রেতে রেখে দাও শোক তাপ বলিরেখার দাগ। অসহনীয় আবেগ মুঠোবন্দি করুক দুরালাপন, ইস্ট্রোজেন, টেস্টস্টোটেরন হোক নিঃসরণ! প্রশ্নবাণের প্রয়োজন নেই,নৈঃশব্দ্যে কান পেতে শোন, ভালোবাসা মরেনি, কমেনি একবিন্দু এখনো! বিগত ঝড়ের ক্ষয়ক্ষতি পুষিয়ে নিতে স্বচেষ্ট সে-ও। পারতো মায়ার আবরণে জড়িয়ে নাও। নিঃশব্দে বলেছি প্রকৃতিকে "গতরাত ছিলো… [বিস্তারিত]
তোমাকে ছুঁয়ে দিতে নিশ্বাসে পাড়ি দেই শত ক্রোশ! কথা দিচ্ছি আসবো, যদি খুলতে পারি শেকলের আগল, প্রোথিত বিশ্বাস। এনোনা; অপেক্ষায় ক্লান্তি, শুধু চোখে নয় একাত্মতায় ও হয় শুভদৃষ্টি! সিগনেচারে বিকোতে পারিনি হীরক শরীর! আমার কাছে জাত হারামি কিংবা ধূর্ত শেয়াল মনে হয় ওদের। যাদের হাতগুলো ঈগলের নখ আর হায়েনার মতো চোখ। দ্বিখণ্ডিত স্বত্বা চূর্ণ হয়… [বিস্তারিত]
দ্ব্যর্থহীন ভাবে বলা হয়না কি চাই আর কি চাই না, চুপ কথার স্তুপ রোজ নিয়ম মেনে দেয় সন্তাপ! কি আর করতে পারি, আমার হয়েছে 'শাঁখের করাত'। ঐ নিশ্চুপ দাঁড়িয়ে দেখি, মহাকর্ষ বলের প্রভাব। মনোযোগ আকর্ষণের উপরি স্তরটিও সংস্কারহীন, কৃষ্ণ - গৌর দৌড় প্রাঙ্গণে এগিয়ে যায় প্রকৃতই দরশন। লোকে বকুল মালা বইয়ের ভাজে শুকোতেই ভালোবাসে, ফুলদানির… [বিস্তারিত]
দেয়াল ঘেঁষে অনর্থক গজানো শ্যাওলাগুলোর একটি চিঠি পড়বে? হ্যাঁ চিঠি! সেকেলে কিন্তু খাঁ খাঁ বুকটা সবটুকু সেখানেই মেলে ধরে! পেরেক আঁটা দেয়ালিকায় বন্ধনী চিহ্ন আঁকা; এটা সত্যি, ওপারে নন্দনকানন সাজানো পরিপাটি তা-ও সত্যি! আকাশ ছাওয়া নির্বাণ ও সত্যি, ক্ষুদ্র এই মানবীর পায়ের তলার মাটি আর শুকতারার মাঝে মহাশূন্য বিদ্যমান, বলো এ-ও তো সত্যি, এরপর ও… [বিস্তারিত]
প্রেমিকের চোখে প্রেম থাকে, কৈশোরের হারানো নিখাঁদ প্রেম! প্রেমিকের চোখে নেশা থাকে, প্রতিশোধের নেশা, বিরহের সুবর্ণজয়ন্তী ছোঁয়ার নেশা! জানি সত্যি নয় হ্যালুসিনেশন! প্রেমিকের চোখে আমি শুধু খুনি দেখতে পাই , শুধু খুনি নয়, ঠান্ডা মাথার খুনি! উপেক্ষার জেহের সাজিয়ে দেয় সে ক্যান্ডেলাইট ডিনারে। গোলাপকে এগিয়ে ধরে কাঁটা না ছাড়িয়ে। আকাশ থেকে এসিড বৃষ্টি ঝরলে সে… [বিস্তারিত]















