মূল লেখায় যান

অস্পৃশ্যতার শর্তে

খাদিজাতুল কুবরাকবিতা১৫টি মন্তব্য

 

দেয়াল ঘেঁষে অনর্থক গজানো শ্যাওলাগুলোর একটি চিঠি পড়বে?

হ্যাঁ চিঠি! সেকেলে কিন্তু খাঁ খাঁ বুকটা সবটুকু সেখানেই মেলে ধরে!

পেরেক আঁটা দেয়ালিকায় বন্ধনী চিহ্ন আঁকা; এটা সত্যি,

ওপারে নন্দনকানন সাজানো পরিপাটি তা-ও সত্যি!

আকাশ ছাওয়া নির্বাণ ও সত্যি,

ক্ষুদ্র এই মানবীর পায়ের তলার মাটি আর শুকতারার মাঝে মহাশূন্য বিদ্যমান,

বলো এ-ও তো সত্যি, এরপর ও বলবে দিচ্ছি ফাঁকি?

কবি!

মনের তল খুঁজে পায়নি তো মনি ঋষি ও।

প্রণোদনা প্যাকেজ নির্মাতাদের উদ্যোগে হারিয়ে যায় কলমিলতা, গুল্মলতা যত,

বুকের চাতালে ফোটা ফুল মৃত ঝিলের জলে ছলকে উঠে হয় বিরহিত!

আরও একটি ছোট্ট ভুল হয়েছে কবি,

দেয়ালটি কংক্রিটের নয়, ভঙ্গুর কাচের ; যাতে আধুনিক প্রযুক্তির উৎকর্ষতা আছে।

কিন্তু ভেদ করে আলিঙ্গনাবদ্ধ হওয়ার আগেই ঝুরঝুর করে ভেঙে পড়বে মাথার উপর।

সে খেয়াল আছে?

বেখেয়ালি কবি!

চলো চোখে চোখ রাখি, হাতে হাত, আঙ্গুলে আঙুল, শুধু অস্পৃশ্যতার শর্তে!

দেবতারা খুশি থাকবে স্বর্গ- মর্ত্যে!

মোট পড়েছেনঃ ৯৮৫জনআজ পড়েছেনঃ ০জন
ঘরে বসেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন

১৫টি মন্তব্য

  1. আনমনে গেয়ে যায় পাখি!
    নিজের সুর তুলে রেখে যায় তার রেশ।
    তারপর?
    তারপর থাকে অলক্ষ্যে -অগোচরে ঝরে পরা কিছু পালক। পালকের গায়ে লেগে থাকা প্রতি ইঞ্চিতে গেঁথে থাকে ভুলে ফেলে যাওয়া সুরের সরগম।
    কাঁচ ভাঙা টুকড়োয় ছায়ায়াটুকু আর সরেনা আমৃত্যু……

  2. পায়ের তলার মাটি আর শুকতারার মাঝখানে থাকা সেই মহাশূন্যে ভেসে ভেসে আকাশ ছুঁয়ে দেখতে ইচ্ছে করে। আমি মানবী পাখির মতো উড়ে আকাশ পারিনা ছুঁয়ে দেখতে। ধুলোয় বোনা মাটিতে বিছিয়ে দেই পা। তবুও আকাশে মন থাকে কেন পরে। খুব সুন্দর লিখেছো। মন্তব্য করতে আবার পড়তে হবে। মনে যা আসে তাই রেখে গেলাম।

    1. না ছুঁয়ে ও ভীষন ভাবে ছুঁয়ে থাকা যায় অনায়াসে কাচের দেয়ালের দুপাশ ঘেঁষে,

      বাকীটা ইতিহাস
      চাইলেই সব দেয়াল অতিক্রম করা যায় না। তাই বলে চাওয়াটা তো মিথ্যে নয়।

মন্তব্য করতে লগিন করুন অথবা নিবন্ধন করুন।

অনলাইনে ডাক্তার দেখাতে চান?