মূল লেখায় যান

অবরোধ

খাদিজাতুল কুবরাএকান্ত অনুভূতি১০টি মন্তব্য

দিনগুলি সময় অপসারণ
রাতগুলি তরতাজা মৃত্যুবরণ।
অভিমান উপদ্রুত, অভিযোগ বারণ।
রইল কী কিছু বাকী?
সমূলে উৎপাটিত কবিতার চরণ।
শব্দরা শুধু শব্দ নয়,আমার একান্ত আশ্রয়।
পাখির কলতান, সোনালুর হলুদ থোকা,
ফুল, পাখি ও নদী আঁকা-
আমার হৃদয়ের প্রবেশ দ্বার।
উন্মোচিত কবিতার অমিল দেখেছ,
দেখোনি, শব্দগুলোর সঞ্চয়।
রজনীকান্ত আমার!
বোঝনি বালখিল্যতার আড়ালে লুকোনো
হাজারো নিস্তব্ধতা!
জোছনা তারার মেলা বসিয়ে আমি
আঁধারে করি যাত্রা।
কবিতা কর ফাঁকি দেয়নি,
আরোপিত শুল্ক ছিল চড়া
ফলস্বরুপ অকালে পঙ্গুত্ব এল স্বত্তার।

মোট পড়েছেনঃ ৮৪৮জনআজ পড়েছেনঃ ০জন

১০টি মন্তব্য

  1. আপনার কবিতার চরণগুলো খুবই গভীর ও অন্তর্দৃষ্টি সম্পন্ন। এখানে জীবন ও মৃত্যুর দ্বন্দ্ব, আবেগের জটিলতা, এবং সৃষ্টিশীলতার সংগ্রাম সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। বিশেষ করে—

    “দিনগুলি সময় অপসারণ, রাতগুলি তরতাজা মৃত্যুবরণ” — সময়ের ক্ষয় ও মৃত্যুর মধ্যে এক ধরনের পার্থক্য ও সংমিশ্রণ বোঝানো হয়েছে, যা জীবনের নৈরাশ্য ও পুনর্জীবনের চিত্রায়ন।

    অভিমান, অভিযোগ ও বাক্যহীনতা একে অপরের সঙ্গে জড়িয়ে আছে, কিন্তু “শব্দরা শুধু শব্দ নয়, আমার একান্ত আশ্রয়” অংশটি দেখায় কবির জন্য ভাষা কতখানি গুরুত্বপূর্ণ ও পবিত্র।

    প্রকৃতির চিত্র যেমন পাখির কলতান, সোনালুর হলুদ থোকা, ফুল ও নদী হৃদয়ের আবেগময় দিকগুলোকে আবৃত করেছে এবং কবিতাকে একটি জীবন্ত, স্পন্দিত আঙ্গিকে নিয়ে গেছে।

    “রজনীকান্ত আমার! বুঝনি বালখিল্যতার আড়ালে লুকোনো হাজারো নিস্তব্ধতা” — এখানে শিল্পী ও জীবনের মাঝে গভীর সংযোগ ও একই সঙ্গে বিচ্ছেদের ব্যথা মিশে আছে, যা পাঠকের মনে ভাবনার খোরাক যোগায়।

    শেষ অংশের “কবিতা কর ফাঁকি দেয়নি, আরোপিত শুল্ক ছিল চড়াফল” বলে দেয় যে, কবিতার সৃষ্টি সহজ নয়; তার সাথে জীবনের যন্ত্রণা, বাধা ও আত্মত্যাগ জড়িয়ে আছে।

    সার্বিকভাবে, এই কবিতা এক ধরনের আত্মপরীক্ষণ, যাত্রার দুঃখ-সুখ, এবং ভাষা ও সৃষ্টির শক্তির প্রতি গভীর শ্রদ্ধাবোধের প্রকাশ। এতে মননের খোলামেলাতা ও আন্তরিকতা স্পষ্ট। সত্যিই মর্মস্পর্শী ও চিন্তা উদ্রেককারী রচনা।

        1. আমার নিজের ভাষায় এতটুকু হতে পারে—”সার্বিকভাবে, এই কবিতা এক ধরনের আত্মপরীক্ষণ, যাত্রার দুঃখ-সুখ, এবং ভাষা ও সৃষ্টির শক্তির প্রতি গভীর শ্রদ্ধাবোধের প্রকাশ।”

          এর বেশি নয়! তো এখানে কি কোনও সমস্যা হয়েছে? যদি সমস্যা হয়ে থাকে তাহলে ব্লগের মডারেটর মহোদয়কে অনুরোধ করবো মন্তব্য মুছে ফেলতে। তাতে আমার কোনও আপত্তি থাকবে না। কী বলেন!

      1. একজন কবির কবিতার চরণগুলো যদি বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, জানা যায়, জানানো যায় তাতে তো দোষের কিছুই নেই দাদা। তা যেই ভাবে করা হোক আর যেই মেশিন দিয়েই করা হোক। এটা AI দিয়েই বিশ্লেষণ করা, দাদা।

মন্তব্য করতে লগিন করুন অথবা নিবন্ধন করুন।