প্রিয় অনিমেষ! তুমি কি জানো? এই মাত্র পেলাম আমার মৃত্যুর খবর। অবাক হচ্ছ না পাগল ভাবছ? আজ তুমি যা খুশি ভাবতে পারো। আমার সাবেক মৃতদেহ যখন প্রিজার্ভড হওয়ার আগে জেগে উঠেছিল ফরেনসিক রুমে। তুমি তা নিজ চোখে দেখেছ। দেখেছ মৃত্যুর ওপার থেকে জেগে উঠার আনন্দ কত তীব্র! আমি স্বপ্ন দেখেছি কেউ একজন কপালে একটা চুমু… [বিস্তারিত]

খাদিজাতুল কুবরা
- নিবন্ধন করেছেনঃ ৬ বছর ৪ মাস ১০ দিন আগে
- পোস্ট লিখেছেনঃ ১৪৫টি
- মন্তব্য করেছেনঃ ১৮৫৪টি
- মন্তব্য পেয়েছেনঃ ১২০৪টি
প্রিয় অনিমেষ! কেমন আছ? সব সময় তোমাকে ভালোবাসি তার সবিস্তর বর্ণনা করাই থাকে চিঠির মুল বক্তব্য। কিন্তু আজ আমি আমাকে ভালোবাসার সামান্য চেষ্টার কথা তোমাকে লিখব। তুমি আবার আকাশ পাতাল ভাবতে বসোনা। অবশ্য তেমন সম্ভাবনা ও সম্ভবত নেই। যাই হোক, তুমি জেনে খুশি হবে যে, নিজেকে আমি মুক্ত করে দেবোই দেব কোনো একদিন। তোমাকে নয়… [বিস্তারিত]
প্রিয় অনিমেষ তুমি যেদিন চলে যাবে, আমি নির্নিমিখ চেয়ে থাকব, তোমার পদতলে পিষ্ট ধূলিকণার দিকে,হাত নেড়ে যখন বলবে ভালো থেক আসি তবে,আমি টাটকা হাসি মেখে রাখব চোখে মুখে!বলব নিজের যত্ন নিও, না খেয়ে থেকোনা যেন।তারপর কি হবে? আমি কি খুব করে কাঁদব?মনে হয় না। এখানেই অন্যদের সাথে আমার তফাৎ,ভেঙে গেলেও মচকাবোনা, ভুলতে না পারলে ও… [বিস্তারিত]
ট্রেন জার্নি কারো কাছে রোমাঞ্চকর, কারো কাছে বেদনাদায়ক। আমার কাছে ট্রেন জার্নিটা এক দ্বৈত অনুভূতির আহ্বায়ক। আমি যতই স্বাভাবিক ভাবে সফর শেষ করার চেষ্টা করিনা কেন কখনো তা পারিনা। যে বিষয়গুলোকে সচেতনতার সাথে এড়িয়ে যাই, সরিয়ে রাখি নিজেকে, সেগুলোই দলবেঁধে ভিড় করে মনের মধ্যে। কখনো আমি চিঠি লিখি মনে মনে মনের গোপনকে, কখনো আবার হারিয়ে… [বিস্তারিত]
অনিমেষ! আজ আমার নেমন্তন্ন ছিল মনের নন্দনকাননে! দিনটা ছিল অপয়া, আমার তোমার পালাবার সুযোগ ছিল ভাতঘুমের অবসরে! কিচ্ছুটি হলোনা। সারাদিন ভেবে ভেবে সারা হলাম,কেমন করে হৃদয়ের সেতার টুংটাং বাজল অবেলায়! অভিমান জমা আস্তরণে ঢাকা অভিধান তুলে রাখলাম সেল্ফে।,আজ আমি ফুটন্ত গোলাপের স্বাগতিক। ভুল হোক সহস্র শতাব্দীর সংবিধান, একপেশে স্বজন, আষ্টেপিষ্ঠে জড়ানো বিভাজন!স্বরলিপি অদৃশ্য হয় তুমি… [বিস্তারিত]
অপেক্ষা ও আজকাল ক্লান্ত! হ্যাঁ একদম তাই। আমি শুধু অভ্যস্ত হওয়ার চেষ্টায় নিরন্তর হেঁটে চলছি। কখনো সখনো হয়ত অনিমেষের নম্বর বেজে উঠে ফোন স্ক্রিনে, বুকের ভেতর দ্রিম দ্রিম শব্দ স্থির হওয়ার আগেই কথোপকথন শেষ! এটাকে ঠিক কথোপকথন বলা যায়না। হ্যালো বলতে বলতেই সে ব্যস্ত ত্রস্ত হয়ে জানতে চায়, __এই কি অবস্থা তোমার? কেমন আছ? আমি… [বিস্তারিত]
এক সময় অপলকে জোছনা দেখতাম, ছাতিম গাছে ভূত আছে ভেবে ভয়ে ঠকঠক করতাম!একবার পূর্ণিমার আড্ডায় পান খেয়েছিলাম, সে এক বিচ্ছিরি কাণ্ড! মাথা ঘুরল, কানে মুখে ধোঁয়া বেরোয় অবস্থা, এক সময় হড়হড় বমি।তারপর ও সেই রাতটা আজ ও ভীষণ উপভোগ্য স্মৃতি! মনেমনে তওবা পাঠের অমর্যাদা করিনি বলে আর পান মুখে দিইনি। আজকাল অবশ্য চাঁদ, তারা, পূর্ণিমা,… [বিস্তারিত]
পরের দিনের সূর্যোদয় ছিল একেবারে নতুন। আলোকচ্ছটা হারানো এক গ্রহণ লাগা সূর্য যেন ঋতুকে তিরস্কার করতে আকাশ ফুঁড়ে বেরিয়ে এসেছে। মা, ভাই -বোন সবাইকে আজ বড় অচেনা লাগছে। বাড়ি ঘর, পুকুর পাড়, গাছপালা সব যেন আজ বড্ড পর। সবাই কেমন ব্যঙ্গ দৃষ্টিতে যেন চেয়ে দেখছে ঋতুকে। সে যে অপরাধী। নিজের জন্য একফোঁটা বন্ধুত্বের খোঁজ করেছে… [বিস্তারিত]
ঋতু ঘুরেফিরে দেখছে সেলফটা। খুব সুন্দর লাগছে!হরেক রঙের মলাটে সজ্জিত বইগুলো আপন ঠিকানায় সংসার পেতেছে! ঋতুর চোখে মুগ্ধতা! নতুন বৌ লালপেড়ে বাসন্তী শাড়ির সাথে সোনার গয়না পরলে যেমন সুন্দর লাগে তেমন। বুকসেলফটা অনলাইনে অর্ডার করেছে অব্দি এ মুহুর্তটার জন্য তর সইছিলোনা। কত অপেক্ষার পর এই প্রাপ্তি! সেই স্টুডেন্ট লাইফের স্বপ্ন ছিল, কোনো একদিন একান্ত নিজের… [বিস্তারিত]
আমি সেই টুকরো বেপরোয়া মেঘ, যে রোদের স্থলাভিষিক্ত হই কেবল। আমার নিজস্ব দেশ নেই, নেই আকাশ! আমারই জন্য অতিবৃষ্টি-অনাবৃষ্টির দ্বান্দ্বিকতার সূত্রপাত। আমিই অভাগার অভিশাপ, ভাগ্যশীলার পরিতাপ! সত্যি বলছি আমি মেঘ হতে চাইনি, চেয়েছিলাম হতে শীতের সকালে রুপোলী রোদ! যার মিষ্টতা গায়ে মেখে প্রফুল্ল হবে আবাল বৃদ্ধ বনিতা! নিদারুণ সত্যি হল, আমি শুধু এক টুকরো মেঘ!… [বিস্তারিত]
আমি কারাগার পাহারা দিই, অথচ আমার ভেতরে ও আছে এক ভয়ঙ্কর প্রিজন, রাতের অবধারিত স্বল্প মেয়াদি মৃত্যুর পর, জেগে উঠি সূর্যের সাথে শান্তিচুক্তি মোতাবেক। প্রতিটি অনাহুত ভোরের সাথে দেখা হয় কথা হয়, সে এগিয়ে দেয় একটি সমন, তাতে লেখা থাকে আমার ডেথ সেন্টেনস! ডেথ সেন্টেনস ঘাড়ে নিয়েই আরো কিছু জীবন পাহারা দিই, অদ্ভুত এই মেলানকোলিয়ার… [বিস্তারিত]
একদা আকাশ থেকে ছিটকে আসা নক্ষত্রের আগমনে বিঘ্নিত হয়েছিল বর্ষীয়ান নাতিশীতোষ্ণ, একদিকে বিলীন হয়েছিল ভ্রমের বাড়ি-ঘর; অন্যদিকে জেগেছিল আগ্নেয়গিরির চর, সেকি তান্ডব, ভাঙা গড়ার! এখনো ভাবলে গা শিউরে ওঠে! ফের ঘর বাহির হয়ে গেল সমুদ্দুর, তারই তীরে বাঁধলাম ঘর , অক্ষরের খুঁটি, শব্দের প্রতিশ্রুতি! ঘরখানা যা হয়েছিল না! একেবারে কবিতার মত সুন্দর! অমৃতসুধার বর্ষনে জন্মেছিল… [বিস্তারিত]
কবিতার লাইন কেটে গেছে সেই থেকে, যখন জেনেছি অবশেষে আমার ভেতর এক নিষ্ঠুর প্রস্তরখন্ড বসতি গেঁড়েছে। গদ্য,পদ্য ও ছন্দ নিয়মিত বদলায় দৃশ্যপট, বাহুমূলে কতোবার ফিরে আসে যায় সেই একই রঙধনু, আমি ফিরে দেখি আবিরের স্মৃতিঘেরা প্রণয়! খুব একটা সুখকর নয় তা, জলের ঝিকঝিক প্রতারণা বালিয়াড়িময়। সকালগুলো আসে অমোচনীয় কালোদাগ হাতে, মৃত্যুর মত দেখতে সূর্যটাকে; ইচ্ছে… [বিস্তারিত]
আমার সাথে তোমার আর দেখা হবেনা, তোমার সাথে আমার হবে কালেভদ্রে কবিতার খসড়ায়, চৌরাস্তার মোড়ে ট্রাপিক সিগন্যালে,চোখে চোখ পড়তেই চোখ ফিরিয়ে নেবে। ট্রাফিক ও তড়িঘড়ি করে সিগন্যাল ছেড়ে দিবে। কেননা সে-ও একদিন এ পথের পথিক ছিল বলে! সেও খুব ভালোবেসেছিল কলমিফুলকে? চলকে উঠে ভেসে গেছে যে কালের স্রোতে! ট্রাফিক সাহেব পোড়ে রাস্তার মোড়ে, আমি পুড়ি… [বিস্তারিত]
সে অনেক দিন আগের কথা, তিন পঙক্তিতে প্যারা সাজিয়ে নয় লাইনের একটি কবিতা লিখেছিলাম। জীবনের প্রথম কবিতার হাতেখড়ি ছিল সেটি; অদ্ভুত হলে ও সত্যি! কবিতার শিরোনাম ছিলো "শরতের সাথে এসো"। প্রিয় ঋতু শরতকে বড্ড ভালোবাসতাম। ভালোবাসার মানুষের হাত রেখে হাতে উঠোনে শতরঞ্জি পেতে, শরতের রুপোলী চাঁদ দেখার বিলাসি স্বপ্ন দেখতাম। শরতের আকাশের উজ্জ্বল নীলে আমি… [বিস্তারিত]














