মূল লেখায় যান

স্মৃতির মমিঃ আবোল তাবোল ভাবনা-১

মেহেরী তাজএকান্ত অনুভূতি৩৪টি মন্তব্য

yellow rose
তোর দেওয়া হলুদ গোলাপ টাকে নষ্ট হয়ে যেতে দেই নি। সাদা টিস্যু করে বিবর্ণ প্রায় পাপড়ি গুলো স্টেপলার মেরে  একটা মোটা বই এই ভাজে রেখে দিয়েছি। টিস্যুর উপর তোর নাম আর তারিখ দেওয়া। যাতে ওটা দেখতে না পাই।
সেই ব্রিজের পাশে বটতলা,কিংবা হাটতে হাটতে তিন মাইল। রাস্তার পাশের চায়ের টোং এর ধুঁয়া ওঠা চায়ের ভাড়। আবার কখনও বা অজানা প্রতিক্ষায় বসে থাকা ভাঙাচোরা স্টেশন চত্তরে।সেখানে বসেই দাবার প্রতিযোগিতা বা বিকেল শেষে নিরস মুখে ঘরে ফেরা। কিংবা শীতকালে জবুথবু হয়ে আইসক্রিম খাওয়া।আবার কখনও বা চায়ের দাম দেওয়া নিয়ে মারামারি করে দুজনেই দ্বিগুণ দাম দিয়ে চলে আসা। তোর সাথে বেট লেগে ফুসকায় তিনগুণ ঝাল খাওয়া, সেই সাথে চোখে ছোট খাটো জলপ্রপাত বয়ে যাওয়া। এসবের কিছুই যাতে মনে না পরে।

কিন্তু একটা প্রশ্ন প্রায় মনের মাঝে উকি মারে-
” এতদিনের পরিশ্রমে জন্মানো হলুদ গোলাপটা কে কেনো তুই লাল গোলাপে বদলাতে গেলি?”
হলুদ টা কি খুব বেশি খারাপ ছিলো?

বিঃদ্রঃ এটি কোন সাহিত্য নয়,আমি যেভাবে কথা বলি সেভাবে লেখা।এর মাঝে সাহিত্য খুঁজে সময় নষ্ট না করার জন্য সবাইকে অনুরোধ করছি।

মোট পড়েছেনঃ ১১৪৭জনআজ পড়েছেনঃ ০জন

৩৪টি মন্তব্য

  1. খুব সুন্দর লিখেছেন।সত্যিই কিইবা দরকার ছিল গোলাপের রঙ বদলের।তবু ভাল থাকুক আপনার হলুদ গোলাপ।ভাল থাকুক বন্ধুতা…।

  2. কোন কিছু না দেখতে পাবার জন্য নাম ঠিকানা লিখে রাখা!!! 🙂 জোর করে কিছু ভুলতে যাওয়া মানেই বেশি করে মনে রাখা। হলুদ গোলাপই সুন্দর, সেও ঠিক বুঝে যাবে একদিন। সেদিন পাতাগুলো বিবর্ন পাতাগুলোই খুঁজে বেড়াবে।
    আবোলতাবোলের জন্যই তাজ ইউনিক। আমরা আবোলতাবোল ভালো পাই।

    1. অনেক ধন্যবাদ আপু আমাকে আবোলতাবোলের জন্য *ইউনিক* বলেছেন বলে। নাম ঠিকানা লিখে রেখেছি কারন সে যদি কখন ও হলুদ ফুল ফেরত চায় আর আমি ভুল করে লাল দিয়ে দেই তাই আর কি!

  3. বদলে দিতে গেলেই পুরোটা হারাতে হয়, এটা যদি বুঝতে পারত তাহলে বোধ করি কখনোই বদলাতে চেষ্টা করতো না।

    আবোল-তাবোল কথায় অনুভূতির প্রকাশ অনন্য হয়েছে।

  4. সাহিত্য কি তা আগে বলতে হবে তারপর ভাববো খুজব কি খুজব না।অসাধারন ঝগড়াটে স্মৃতির ডায়রী যা ভাবস্প্রসারন করলে সুন্দর একটি সাহিত্য রচিত হবে।অয়েল ডান।

মন্তব্য করতে লগিন করুন অথবা নিবন্ধন করুন।