বিষয়টা কিন্তু ভাবতে হবে!
১ লাখ ছাত্র থেকে ২ হাজার জন ছাত্রকে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে দিলে দেশ শিক্ষায় উন্নত হবে না,বরং অনুন্নত হবে। শিক্ষাক্ষেত্রে প্রতিযোগিতা থাকা ভালো,তবে তা ২ হাজার ছাত্রকে শিক্ষিত করতে গিয়ে ৮০ হাজার ছাত্রকে বেকার বানিয়ে নয়। প্রাথমিক পর্যায়ে ১০০% শিক্ষার নিশ্চিত করে লাভ নাই,যদি উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে আসে তাদের জায়গা করে দিতে না পারেন। ১০০ জন মানুষকে দাওয়াত দিয়ে ২০ জন মানুষের খাবার বানিয়ে রাখলে ব্যাপারটা লজ্জাজনক না? দেশের ছাত্র বাইরের দেশে পড়ে দেশের উন্নতি করলে উন্নতিটা হয়তো দেশের হবে,কিন্তু ক্রেডিট টা কিন্তু তারাই নিবে, যারা তাকে দক্ষ বানিয়েছে। পরিক্ষা দিয়ে হয়তো মেধা যাচাই করা যায়, কিন্তু পরিশ্রম দিয়ে তাদের ক্ষমতা যাচাই করা যায়। তাই তাদের সুযোগ করে দেন, পরিশ্রমের পরিক্ষা নিন, অলসরা ঝরে পড়ুক, তাহলেই হয়তো কিছু একটা হবে!
মোট পড়েছেনঃ ৮৫৫জনআজ পড়েছেনঃ ০জন




১৫টি মন্তব্য
প্রতিবছর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সময়ে ছাত্র-ছাত্রীদের এই বিড়ম্বনায় পরতে হয়। উর্ধতন কতৃপক্ষের কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই এই বিষয়ের দিকে। এটা দুঃখজনক। এখনো যদি ভাবার সময় না হয়, তবে ভাববে কখন !
সেটাই আমারও কথা আপু।
ভালো থাকবেন
সত্যিই এমনভাবে বিষয়টা নিয়ে ভাবিনি, দায়িত্বশীলদের বিষয়টা নিয়ে এখনি ভাবা উচিৎ। আর বিদেশে গিয়ে পড়ার ক্ষমতাই বা আছে ক’জনার?
জি ভাই। ভাবতে হবে। ধন্যবাদ
আপনাকেও ধন্যবাদ
নিরক্ষরতা দূরীকরণে প্রাথমিক / নিম্মমাধ্যমিক পর্যায় পর্যন্ত শিক্ষা দেয়া / নেয়া উভয় ক্ষেত্রেই অনেকটা সফল এই দেশ।
যোগ অংকটা শিখুক- স্বাক্ষর করতে শিখুক।
এরা ঝড়ে পড়বেই।
উচ্চমাধ্যমিকের পর একটা ছেলে সুযোগের অভাবে ঝড়ে পড়লে কষ্ট হয়। চমৎকার লিখেছেন। অবশ্যই ভাববার বিষয়।
তারচে অনেক বেশি ভয়াবহ যখন দেখি বিশ্ববিদ্যালয় শেষ করে একটা ছেলে তিন বছর বেকার। কর্মসংস্থান সংকটে দেশ। এর থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায় খুঁজতে হবে।
ধন্যবাদ রাফি ভাই।
শুভকামনা
ধন্যবাদ ভাই
শুভেচ্ছা রইলো
ভাল বলেছেন
ধন্যবাদ ভাই
চমৎকার লিখেছেন
বিষয়টা সত্যিই ভাবার মতো।
অসংখ্য ধন্যবাদ আপু
আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থাটাই এমনি,
শিক্ষা ব্যাবস্থাই পাল্টাতে হবে।
ভালো লেখা।
চমৎকার লেখা।
তবে দাদা আমি ছাত্র জীবন তেমন একটা দেখিনি, তবুও বলছি আমাদে শিক্ষা ব্যাবস্থাই পাল্টাতে হবে।
সত্য ব্যাপারটি তুলে ধরেছেন।