১৯৭৫ এর ১৫ আগস্টে জাতির পিতার মৃত্যু পরবর্তী সময়ে কেউই চিন্তা করতে পারেনি – এই বাংলাদেশে আবার বঙ্গবন্ধুর নাম উচ্চারিত হবে। ১৯৭১ এর ১৬ ডিসেম্বর এর পর যেসব শকুন পালিয়ে ছিল- তারা সব বেড়িয়ে আসতে লাগলো । ১৫ আগস্ট ভোরেই মৃত্যুর উল্লাস মিছিলে নেতৃত্ব করতে দেখেছি – পালিয়ে থাকা রাজাকার,শান্তি কমিটি আর মুসলিম লীগ নেতাদের। ওই কিশোর বয়সেই তখন বুঝে গিয়েছি- জাতীয় পতাকা খামচে ধরা সেই পুরনো শকুনদের আবার উত্থান হচ্ছে।

তারপরেও –
যে দেশের পাখিরা গান গায় বঙ্গবন্ধুর নামে
যে দেশের বাতাসে মিশে আছে বঙ্গবন্ধুর বজ্রকণ্ঠ
সে দেশে কার সাধ্য বঙ্গবন্ধুর নাম মুছে ফেলার ?
কে আছেন এমন বাঁশিওয়ালা
যিনি সমগ্র জাতিকে এক সুরে একতাবদ্ধ করতে পারবেন ?
আজ এই দিনে জাতির পিতার প্রতি আন্তরিক শ্রদ্ধা ও হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসা ।
মোট পড়েছেনঃ ১১৬১জনআজ পড়েছেনঃ ০জন


৩১টি মন্তব্য
ছোট, ভালো লেখা। ৭৫ এর কথা লিখুন জিসান ভাই।
লিখবো লিখবো করেও লেখা হয়ে ওঠেনা । চেষ্টা করে দেখবো ।
ষড়যন্ত্রের বুলেট করেছে আর কতটুকুন শেষ
‘পৃথিবী জানে সারা বাংলা জানে’, মুজিব মানেই বাংলাদেশ।
যে দেশের পাখিরা গান গায় বঙ্গবন্ধুর নামে
যে দেশের বাতশে মিশে আছে বঙ্গবন্ধুর বজ্রকন্ঠ
সে দেশে কার সাধ্য বঙ্গবন্ধুর নাম মুছে ফেলার ?
এতোটুকু একটু লেখাতেও অনেক বলা যায়। যে দেশের পাখিরা গান গায় বঙ্গবন্ধুর নামে
যে দেশের বাতাসে মিশে আছে বঙ্গবন্ধুর বজ্রকণ্ঠ
সে দেশে কার সাধ্য বঙ্গবন্ধুর নাম মুছে ফেলার ? ঠিক বলেছেন।
71, 75 নিয়ে লিখুন ভাইয়া। প্রত্যোক্ষ কারো অভিজ্ঞতা আমরা কমই জানতে পারি।
জাতির পিতাকে বিনম্র শ্রদ্ধা।
আসলে মনঃসংযোগের অভাব, দেশ নিয়ে কিছুটা হতাশা ইত্যাদি কারনে ইচ্ছে থাকা সত্বেও লেখা হয়ে ওঠেনা।
চেষ্টা করবো লিখতে ।
মুছে ফেলার চেষ্টা হয়েছে অনেক ,আবারও হবে ।
নিষ্ফল প্রচেষ্টা শেষে সে নাম জ্বল জ্বল করেই রয়ে যাবে ।
৭৫ পরবর্তি সময়ে মুছে ফেলার সর্বাত্বক চেষ্টা তো করা হয়েছিলো।
ছোট লেখায়ও বড় প্রকাশ । তাঁকে জানাই অকৃত্রিম শ্রদ্ধা ।
আমদের একজন বাঁশিওয়ালা খুবই প্রয়োজন । অপেক্ষা করব আমারা তার জন্য ।
তাঁকে জানাই অকৃত্রিম শ্রদ্ধা । -{@
আমদের একজন বাঁশিওয়ালা খুবই প্রয়োজন । অপেক্ষা করব আমারা তার জন্য । (y) (y)
এই পোষ্টটি এবং মন্তব্যসমূহ খুবই ভাল লাগল।
সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
আপনার আর এখানকার সবার মন মানসিকতা এক , একারনে ভালো লেগেছে হয়ত।
আপনাকেও ধন্যবাদ।
‘ যে দেশের পাখিরা গান গায় বঙ্গবন্ধুর নামে
যে দেশের বাতশে মিশে আছে বঙ্গবন্ধুর বজ্রকন্ঠ
সে দেশে কার সাধ্য বঙ্গবন্ধুর নাম মুছে ফেলার ? ‘ (y) (y) চেষ্টার কমতি ছিলো না ৭৫ এর পরে। বঙ্গবন্ধুর ভালোবাসা বাঙ্গালী মনে রেখেছে।
বঙ্গবন্ধুকে ভোলানো এত সহজ না ।
*****যে দেশের পাখিরা গান গায় বঙ্গবন্ধুর নামে
যে দেশের বাতাসে মিশে আছে বঙ্গবন্ধুর বজ্রকণ্ঠ
সে দেশে কার সাধ্য বঙ্গবন্ধুর নাম মুছে ফেলার ?
কে আছেন এমন বাঁশিওয়ালা
যিনি সমগ্র জাতিকে এক সুরে একতাবদ্ধ করতে পারবেন ?**********
আলোতে পালিয়ে যাওয়া ছায়াগুলো রাতের আঁধারে এই বাংলার মাটিকে রক্তাক্ত করেছিল, চেয়েছিল তার নামটি মুছে দিতে কিন্তু জানতো না যে তাকে এদেশের প্রতিটি সুস্থ মানুষ উপরের বাক্যগুলোর মত বুকে গেথে রাখবে, জাতির এই মহান পিতার প্রতি রইল বিনম্র শ্রদ্ধা।
আলোতে পালিয়ে যাওয়া ছায়াগুলো রাতের আঁধারে এই বাংলার মাটিকে রক্তাক্ত করেছিল, চেয়েছিল তার নামটি মুছে দিতে কিন্তু জানতো না যে তাকে এদেশের প্রতিটি সুস্থ মানুষ উপরের বাক্যগুলোর মত বুকে গেথে রাখবে (y) (y)
ঠিক বলেছেন ।
‘ যে দেশের পাখিরা গান গায় বঙ্গবন্ধুর নামে
যে দেশের বাতাসে মিশে আছে বঙ্গবন্ধুর বজ্রকণ্ঠ
সে দেশে কার সাধ্য বঙ্গবন্ধুর নাম মুছে ফেলার ? ‘ (y) (y) এটিই সারমর্ম। কেউ পিতাকে মুছে ফেলতে পারবেনা।
মুছে ফেলার চেষ্টা হয়েছিল,
বাঙ্গালী সব চেষ্টা ব্যার্থ করে দিয়েছে ।
:Yes-Sir:
:T
বাংলা সাহিত্যের সূর্য যেমন “রবি”,
তেমন বাংলাদেশের সূর্য “বঙ্গবন্ধু”,
আর সূর্য একটা থাকে ব্রহ্মাণ্ডে।
ঘাতকরা সূর্যের গ্রহণ তারা ঘটাতে পারলেও সূর্যগ্রহণ কিন্তু সাময়িক। উনি ছিলেন, আছেন ও থাকবেন শত বাঙ্গালির হৃদয়ে।
আসলেই “কার সাধ্য বঙ্গবন্ধুর নাম মুছে ফেলার ?” (y)
খুব সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আপনাকে ।
যতই চেষ্টা করুক কুচক্রীরা বঙ্গবন্ধু তাঁর আলো ঠিকই বাঙ্গালীদের মাঝে বিলিয়েছেন । (y)
কুচক্রীদের সব চেষ্টা বৃথা ।
বঙ্গবন্ধুকে মুছে দেয়া এত সহজ নয় (y)
পারবেনা কেউ ।
বঙ্গবন্ধু যেন ছিলেন এক আশ্চর্য স্বাপ্নিক…তার কি এক অদ্ভুত সম্মোহনী ক্ষমতা…বাঁশিওয়ালার মতই আচ্ছন্ন করেছিলেন সাত কোটি বাঙ্গালী কে এক স্বপ্নে।যে স্বপ্নের কাছে তুচ্ছ ছিল জীবনও…।এত বছর পরও যে পিতা আমাদের স্বপ্নই দেখান…বিভোর করেন…আশ্চর্য মায়ায়…তাকে মুছে ফেলবে এমন সাধ্য নেই কোন শক্তির…বাংলাদেশ আর বঙ্গবন্ধু সমার্থক…।
ভাল লাগলো (y)
ঠিক বলেছেন ‘ বাংলাদেশ আর বঙ্গবন্ধু সমার্থক ”
যতদিন রবে পদ্মা যমুনা
গৌরি মেঘনা বহমান,
ততকাল রবে কীর্তি তোমার
শেখ মুজিবুর রহমান
দিকে দিকে আজ রক্তগঙ্গা
অশ্রুগঙ্গা বহমান
তবু নাহি ভয় হবে হবে জয়
জয় মুজিবুর রহমান।
— শ্রদ্ধা জানাই পিতা -{@
এই কবিতার একটি ইতিহাস আছে , জানেন তা ?
এক সুরে একতাবদ্ধ অবশ্যই আমরা হব ।
আপনাদের মাঝে নিজেকে আবার দেখতে পেয়ে আনন্দিত বোধ করছি ।