মূল লেখায় যান

কার্নিভাল কেলেংকারী আবারো-পর্ব২

ওয়ালিনা চৌধুরী অভিসমসাময়িক৮টি মন্তব্য

যখন কেউ প্রতিবাদ করে, তখন তাকে প্রতিহত করার জন্য অশুভ শক্তির অভাব হয় না। আমি কুষ্টিয়ার মেয়ে, এই শহরকে কেউ বদনাম করবে সেটার প্রতিবাদ না করে বসে থাকা একজন সচেতন নাগরিকের পক্ষে কখনোই সম্ভব না। “অন্যায় যে করে আর অন্যায় যে সহে তব ঘৃণা যেন তারে তৃণসম দহে”।
সমাজসেবার নাম করে তারা আসলে কি করে, সেটাই খতিয়ে দেখার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করি। ফেসবুকে একটা নোট লিখে তো আমিও যেকোন কিছুর হিসাব দিতে পারি, কিন্তু সেগুলোর গ্রহনযোগ্যতা নিয়ে কি কোনই প্রশ্ন জাগে না?? আমি যত যাই হোক একটা মেয়ে তো!! যুক্তি তর্ক সময়ের অপেক্ষা না করে, তারা ক্রমাগত আমাকে আঘাত করেই যাচ্ছে। যার সবটাই ব্যাক্তিগত পর্যায়ের। বাজে কথার সীমা পরিসীমা অতিক্রম করে তারা এখন বাবা মা পর্যন্ত চলে গেছে।
একজন মানুষকে চোখ বুঝে সম্মান করে যাচ্ছেন,একবার ভেবে দেখার প্রয়োজন মনে করলেন না যে, তারা আপনার এই সম্মান পাবার যোগ্য কিনা?? লিমা কবিরের মুখের কথা আপনাদের জন্য বেদবাক্য হয়ে গেল??? আপনাদের ব্যাপার কিছুই বুঝলাম না। বি করিম আর লিমা কবির জনপ্রিয় হতে চায়, নেন হয়েই গেলেন। যে সব বড় বড় ব্লগার তাদের হয়ে কথা বলছেন, বি করিম এবং লিমা কবিরের যেসব ভক্তরা রসালো নোংরা কমেন্টস করছেন। তারা কেউই কুষ্টিয়ার নন। নিজেকে প্রশ্ন করুন, লিমা কবিরের বাসায় এসেছেন? ফেসবুকের পোস্ট দেখেই বি করিমের ফ্যান হয়ে গেলেন?? কতটুকু কাছ থেকে দেখেছেন তাদের?? ফোনালাপ/চ্যাটিং বা কোন ইভেন্টে একসাথে কাজ করা এই তো???
কুষ্টিয়া একটা ছোট্ট শহর, কিন্তু বার বার আমরা এভাবে প্রতারিত হয়ে আসছি। এর শেষ করতে পারবো না জানি, তবে নিজ অবস্থান থেকে প্রতিবাদ করা.. এটা আমার অধিকার। ইঞ্জিনিয়ার টুটুল আর পান্না মাস্টারের সেই কেলেংকারীর কথা যদি মনে থাকে, তাহলে এটাও মনে থাকার কথা টুটুলকে সামাজিক জনহিতকর কাজ দেখে তাকে “সাদা মনের মানুষ” বলে সম্মানিত করা হয়েছিল।
তারা খুবই বাজে ভাষায় এবং বাজে ভাবে আমাকে নিয়ে ফেসবুকে লাগাতার কমেন্টস করেই যাচ্ছে। আমি সবই দেখছি… কিন্তু তাদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কোথাও একটা বাজে মন্তব্য করেছি?? সেটা কেউ আমাকে দেখাতে পারবে?? এখানেই আসল শিক্ষা এবং তাদের সাথে আমার পার্থক্য। এটুকু না লিখে পারলাম না, ভেবেছিলাম সব গুছিয়ে তারপর কিছু উপস্থাপন করবো। তারা বিভিন্নজন নিজেদের ওয়ালে “এটা আমাদের কাঠগড়া ”এমন মন্তব্য করেছেন। এটা কি আদালত অবমাননার পর্যায়ে পরে কিনা, কেউ আমাকে জানাবেন উপকৃত হবো। সব কিছুরই একটা শেষ আছে, আর শেষ হাসিটা আমরাই হাসবো। আপনাদের মতো সমস্ত বিষয়টাকে বেডরুমে নিয়ে গিয়ে বিছানায় আছড়ে ফেলবো না।

শুধুমাত্র আমাকে প্রতিহত করার জন্য, একটা নারীর সম্ভ্রম এবং সম্মান যে আপনারা এভাবে নস্ট করছেন তার জন্য জবাবদিহিতার প্রয়োজন পড়বে। আবারও লিখবো… সাথে থাকবেন।

পূর্বের লেখা- কার্নিভাল : ব্যবসার আড়ালে একটি প্রতারণার নাম

মোট পড়েছেনঃ ১০৪৩জনআজ পড়েছেনঃ ০জন

৮টি মন্তব্য

  1. ব্যাপারগুলো কয়েকদিন থেকেই লক্ষ্য করছি। যা হোক কাদা ছোড়াছুড়ি করে কখনো কোন কিছুর সমাধান হয়না। যারা আপনাকে অপমানজনক কথা বলছে তাদের সাথে আপনিও তাদের মতই আচরন করবেন তা শোভনীয় নয়। তারা অধম তাই বলে আপনি উত্তম হবেন না কেন??

    আশাকরি খুব শিগ্রই প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে। দেখার অপেক্ষায় রইলাম।

  2. কাউকে তো প্রতিবাদী হতেই হবে
    তবে প্রতিবাদী কেউ একজন যদি নারী হন, সেক্ষেত্রে প্রতিমুহূর্তে তাকে বাঁধার সম্মুখীন হতে হয়।
    তবে সত্যি একসময় উন্মোচিত হবেই।

  3. লেখার কথা গুলো ভাল লাগল | মানব সেবা ভাল কাজ , কিন্তু এর আগে নিজের সেবা করে , নিজেকে ভাল মানুষ হিসেবে তৈরি করতে হবে | প্রতিবাদী এই লিখাটির জন্য ধন্যবাদ

মন্তব্য করতে লগিন করুন অথবা নিবন্ধন করুন।