মূল লেখায় যান

কলতান

সৌবর্ণ বাঁধনকবিতা১০টি মন্তব্য

ওই সান্ধ্য চোখে ছিল বর্ষণাক্রান্ত জল,
হয়তো সে নদী ছিল বুঝিনি চকিতে,
বৃত্তের কেন্দ্র ছিল গভীর অতল!
প্রশান্ত বাতাসের মতো ধীরে হেলেদুলে,
হরিণী যখন নিয়েছিল জোছনার স্বাদ,
আনমনে ক্ষণকাল উড়েছিল কুন্তল!
সেইসব পুরাকীর্তির মতো লুপ্ত সংবাদ,
ভেসে আসে ভোরের মৌসুমি বর্ষণে,
আমি তার মদির গন্ধ টের পাই ঠিক,
হয়ত সে মিশে আছে অদৃশ্য স্পন্দনে।

গাংচিল ডাক দেয়! হাঁক দেয় মেঘদূত!
আমিতো যক্ষ নই ছায়াশ্রিত রামগিরির,
তবু ভালোবাসতে চেয়েছি নিঃখুত!
অলকানন্দার দুয়ারে শীতলক্ষ্যা-স্রোত,
স্তব্ধ হয়ে শুনছে তাই অবগাহন বাঁশির,
বুঝতে চাইছে জলে মিশে গেলে শিশির-
সত্যি কি জন্ম নেয় সোনালী গুচ্ছ রোদ?

ওই বন্ধ দুয়ার স্তব্ধ হয়েও যায় যদি,
জেনেছি সত্য এক মহাজাগতিক ভোরে,
অমৃত অমৃতের নদী বয়ে যায় নিরবধি,
প্রমত্ত প্রাচীরের ওপারে!
আমি তারে হয়ত ছুঁয়েছি অথবা ছুৃঁইনি
কোনকালে,
তবুও সে ছিল হৃদয়ের কলতান,
স্বর্গ হতে পৃথিবীতে পতনের সকালে!

মোট পড়েছেনঃ ১০৩৮জনআজ পড়েছেনঃ ০জন
ঘরে বসেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন

১০টি মন্তব্য

  1. অনবদ্য কবিতা লিখেছেন কবি। যক্ষরা কবে কাকে ভালোবেসেছিল? তারাতো কেবল ভক্তের ভালোবাসা পেতে সদা তৎপর। তাই মানুষই শেষ সত্য। আর সত্য মানুষের ভালোবাসা!

মন্তব্য করতে লগিন করুন অথবা নিবন্ধন করুন।

অনলাইনে ডাক্তার দেখাতে চান?