12076273_702348476565381_988455407_o (2) [640x480]
ঘটনা নং ১।
শুন্য যখন ছুন্য হয় শুন্যালয় তখন ছুন্যিয়ালয়।

কয়েকদিন আগের ঘটনা। আমি আল্লাহর সকালে উঠে প্রাইভেটে যাচ্ছি। দুচারটা শিউলি ফুল পড়া শুরু করেছে। হাতে সময় আছে কয়েক মিনিট ভাবলাম তাহলে ফুল কুড়িয়ে একটা নাম লেখি। কি নাম লেখবো সেটা বেশ ক’মাস আগেই ঠিক করে রেখেছি। নাম টা হলো “শুন্য”। আমার খুব প্রিয় একটা নাম। হুম দরজার সামনে রাখা ব্রেঞ্চে নামটা লিখছি। দেখি একটা ম্যাডাম এসে আমায় খুব খুঁটিয়ে দেখছেন। এবার ম্যাডাম বলে
= কি করছো?? ( ঢেউ খেলানো টান,সম্ভবত উনি চাঁপাইনবাবগঞ্জ এর)
// নাম লিখছি!
= কি নাম লেখছো? ( আবার সেই টান)
// শুন্য শুন্যালয়।
= এটা কিসের নাম? ( আবার টান)
// আমার এক বড় আপুর নাম।
= কি নাম? ছুন্য ছুন্যিয়ালয়? এটা কি নাম গো? সে হিন্দু না মুসলমান? ( বিখ্যাত টান)
// ( আমি মনে মনে কই বৌদ্ধ তাতে আপনার কি? কিন্তু জানি উনার সাথে বিতলামো করা যাবে না কারন উনি আমার পাশের হোস্টেলের সুপার।) সামান্য হেসে উনি মুসলমান ম্যাম।
= এমন নাম তো আমি জীবনেও ছুনিনি!!
// জি ম্যাম একটু অন্য রকম। ( আমি আবার মনে মনে কই ভাগ্যিস আপনি “সোনেলা” নাম শুনেন নাই। সেখানে ঢুকেন নাই। তাহলে আপনার ডায়াবেটিস এর লগে লগে ফিট হয়ে যাওয়া অসুখ ও শুরু হতো।এবং সেটা লুপে চলতে থাকতো। একটা করে নাম শুনবেন ফিট হয়ে যাবেন কয়েক মিনিট পরে জ্ঞান ফিরে আবার নতুন ও উদ্ভট নাম শুনে আবার ফিট।

ঘটনা নং ২
প্রশ্ন : জিরাফের গলা লম্বা কেনো?
উত্তর : বিজ্ঞানী ল্যামার্কের মতে জিরাফ এক সময় ছাগলের মত গলা বিশিষ্ট ছিলো। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে প্রকৃতির বিপর্যয়ের ফলে মাটি সংলগ্ন সকল গাছাপালা শেষ হয়ে যায়। তার ফলে বাঁচার তাগিদে জিরাফ উপরের দিকের বড় বড় গাছের পাতা খাওয়া শুরু করে। এর ফলে জিরাফের গলা কাল ক্রমে লম্বা হয়েছে।

প্রশ্ন : কোন এক প্রজাতির ইঁদুরের লেজ কেটে নেওয়া হলে পরবর্তী প্রজন্মের ইঁদুরে কি দেখা যাবে?
উত্তর : বিজ্ঞানী ল্যামার্কের মতে পরবর্তি প্রজন্মের সকল ইঁদুরের লেজ কাটা থাকবে।

প্রশ্ন : নেংটি ইঁদুরের জন্ম হয় কি ভাবে?
উত্তর : বিজ্ঞানী ডারউইন এর মতে ঘামেসিক্ত কোন কাপড় এবং কয়েকটি গমবীজ কোন স্যাঁতস্যাঁতে ঘরের কোণে রেখে দিলে তা থেকে নেংটি ইঁদুরের জন্ম হয়।

আমি যখন এসব পড়ে সত্যতা বা মিথ্যা কি না প্রমান করতে গিয়ে মাথা নষ্ট করে ফেলছি এবং সামান্য একটু সময় পাচ্ছি। তখন আমার প্রাণের ব্লগে একবার ঘুরতে গেলাম। আল্লাহ সেখানে দেখি এমন এমন কিছু লেখা,যে গুলা বুঝা তো দূর লেখার উচ্চারণই করতে পারছি না। ভয়ে এসে লুকায়ে গেছি। ভেবেছি ভালো সময় আসুক ব্লগে যাবো। তার আগে আর না।

বি:দ্র:
১। আমার মনে হয় তামাম দুনিয়াই যত পাগল সব বিজ্ঞানী। বা যত বিজ্ঞানী সব পাগল।
২। জীবনে প্রথম বার কাওকে নাকের ডগায় পেয়েও হিমুগিরী করতে পারলাম না। আফসোস।
৩। নাকে মাটি এ জীবনে আর জন সম্মুখে শিউলি দিয়ে কোন নাম লেখতেছি না।

৫৪১জন ৫৪১জন
0 Shares

১৩৯টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ