মানব সভ্যতার অগ্রগতির মূলে রয়েছে বিজ্ঞান প্রযুক্তি। বিজ্ঞান প্রযুক্তি ছাড়া যে মানব জীবন অচল৷ কিন্তু কেনই বা শুধু মানব জাতীই বিজ্ঞান প্রযুক্তিতে অবদান রেখে চলছে, অন্য প্রাণীরা কেন নয়?

মানুষ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে এত এগিয়ে গিয়েছে, কিন্তু অন্য প্রাণীদের পক্ষে তা সম্ভব হয়নি, তার মূল কারণ “বুদ্ধিমত্তা”। বুদ্ধিমত্তায় মানুষ অন্য যেকোন প্রাণীর থেকে অনেক বেশি এগিয়ে রয়েছে। বুদ্ধিমত্তা না থাকলে, জ্ঞানের সুউচ্চ স্তরে পৌঁছানো মানুষের পক্ষে অসম্ভব ছিল।

কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, কি এই বুদ্ধিমত্তা, আর কেনই বা মানুষ এত বুদ্ধিমান?

এটা আধুনিক যুগের অন্যতম বৈজ্ঞানিক প্রশ্ন। মানুষ যে বুদ্ধিমত্তাকে ব্যবহার করে অনেক জটিল সমস্যার সমাধান করে ফেলে, মানুষ এখন সেই বুদ্ধিমত্তা সম্পর্কেই জানার চেষ্টা করছে।

মানুষ বুদ্ধিমত্তাকে জানার জন্য অনেক গবেষণা করেছে এবং করছে। বুদ্ধিমত্তার ধারক মস্তিষ্ক নিয়ে গবেষণা হচ্ছে শত বছর ধরে। মস্তিষ্ক সম্পর্কে জানলে, বুদ্ধিমত্তা সম্পর্কে জানা যাবে অনেক কিছু।

কিন্তু বুদ্ধিমত্তাকে ব্যাখ্যা করা বা বুদ্ধিমত্তা সম্পর্কে জানতে পারা খুব একটা সহজ কাজ নয়। বুদ্ধিমত্তা কি আর কিভাবে তা কাজ করে, সেটা মানুষের কাছে অনেক রহস্যের।

যদিও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ক্ষেত্রে মানুষ অনেক এগিয়েছে। কিন্তু প্রকৃতিকভাবে প্রাপ্ত বুদ্ধিমত্তার ধারে কাছে যাওয়া সম্ভব হয়নি।

প্রতিবুনন তত্ত্ব হলো একটা নতুন ধারণা যার মাধ্যমে বুদ্ধিমত্তা সম্পর্কে অনেক কিছু জানা যাবে।

প্রতিবুনন তত্ত্বের  বিষয়বস্তু অনেক বিস্তৃত। এর মূল ধারণা নিয়ে রচিত হয়েছে ” বুদ্ধিমত্তার ব্যাখ্যায় প্রতিবুনন তত্ত্ব অথবা প্রতিবুনন তত্ত্বের প্রাথমিক ধারণা “।

এই বইটি থেকে প্রতিবুনন তত্ত্বের মূল বিষয়বস্তু সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে।

১৭৬জন ২৮জন
0 Shares

৮টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য

  • কোনো মন্তব্য নেই!