হৃদয়-গভীরের-গহীনে অব্যক্ত সুর/কথার ছলে
কবিতারা উঁকি দেয়, অসামান্য নিষ্ঠার হেয়ালী-পরায়ণতায়;
বাগজালের বাগবিস্তারে তাদের ছুঁতে পারি না, এড়াতেও পারি না,
হাতছানি!! সে-ও তো থেমে নেই;
নেই, প্রতিভার আলোকসামান্যতা, তা-ও বুঝতে পারি।
খর-বাস্তবতায় মিষ্টি রঙের অনুভূতিটুকু-ও হৃদয়ের সোনা-মুখে
তুলে নিলে ছাইমাটি ছাইমাটি হয়ে ওঠে,
অনুপুঙ্খানুপুঙ্খ-বিবরণে ধরা দিচ্ছে না, হাঁপিয়ে /লাফিয়ে ওঠা মন;

সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম-অনুভূতি-আশ্রয়ী অন্তহীন-বর্ণনা-অর্চনায় গা –এলিয়ে
দূরে বসে খেলা করে/খেলা দ্যাখে ওরা;
চমৎকারিত্বে ঠাসা অনুপম মুহূর্তগুলো ধোঁয়াশা অন্ধকারে অপ্রতক্ষ্যতার
পলকা-আড়ালে মৃদু-মধুর গরবিনী/বিষাদময়ী গুঞ্জন তোলে।

এক প্রগলভ রুদ্র-নিশাচরের প্রবল বাকস্ফূর্তিতে
ওরা কী সত্যি-ই কোন কবিতা!
সে কী কোন ধেয়ে চলা স্রোতস্বিনীর কল-গুঞ্জন!
ঝঞ্ঝা-ঝড়ের আগাম সতর্ক বার্তা!
অগাধ-সবুজের কোলাহলে উষ্ণ প্রস্রবনের মাদকতায়
বিনম্র আমন্ত্রণ! না-কী ব্জ্রবিহীন বিদ্যুতের চমক!

অস্তিত্ব-অনস্তিত্বের একরোখা শীতল কণা-কম্পন-কল্পনা
খুব-ই চেনা-অচেনার ধূসর ধূলিতে;
অজস্র চড়াই-উৎরাই স্বচ্ছ-অস্বচ্ছ উজ্জীবিত পর্দান্তরালে
সৌখিন/অভিজাত অ-বিলাসী সৌরভে।

১৫৯জন ২জন
12 Shares

২২টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য