মূল লেখায় যান

আয়না

আমির ইশতিয়াকগল্প২২টি মন্তব্য

রমনা পার্ক রাজধানী ঢাকার ঠিক মধ্যভাগে নগরের অক্সিজেন সরবরাহকারী হিসেবে নীরবে সেবা দিয়ে যাচ্ছে। নানা প্রজাতির গাছ, কৃত্রিম হ্রদ এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের কারণে পার্কটি নগরবাসীর এক প্রিয় ঠিকানায় পরিণত হয়েছে। এখানে আবাল-বৃদ্ধ-বনিতাসহ নানা শ্রেণী মানুষের আগমন ঘটে। মুনিয়া ও শ্রাবণ নামের এক প্রেমিক যুগল রমনা পার্কের ভিতর প্রবেশ করল। তারা হাঁটতে হাঁটতে রমনা পার্কের কোন… [বিস্তারিত]

পাথর জীবন

মামুনগল্প৮টি মন্তব্য

আজানের শব্দে ধ্যান ভাঙ্গে মিলির। বারান্দা থেকে মাথা নীচু করে নিজের রুমের দিকে পা বাড়ায় সে। আসরের আজান দিয়ে দিলো?! এতটা সময় ধরে এখানে ঠায় দাঁড়িয়ে আছে ভেবে অবাক হয়! মেয়েরা কি করছে কে জানে। গত সন্ধ্যা আর আজকের দুপুরটার মধ্যে ডুবে গিয়েছিল। এতো সুখী একটা সময় শুধু দুই একটা অসতর্ক শব্দের জন্য এমন করে… [বিস্তারিত]

বৈশাখ মাসের তীব্র গরম। প্রখর সূর্যের আলোয় পুড়ছে নগর, পুড়ছে মানুষ। একটু আদ্রতার আশায় ক্লান্তিহীন ডাকা ডাকছে নগরের কাক। উত্তপ্ত নগরের উত্তপ্ত নাগরিক ব্যস্ততায় আক্রান্ত মানুষের কি আর সেসবে কান দেওয়ার সময় আছে। মানুষ হাঁটছে, শিশুরা স্কুল থেকে ফিরছে, যুগলেরা রিকশার হুড তুলে শরীরের উষ্ণতা দিয়ে প্রকৃতির উষ্ণতাকে ঢাকার ব্যর্থ চেষ্টা করছে। কোন এক বৃক্ষ… [বিস্তারিত]

তেরঃ বেজ ক্যাম্পে ফিরতে ফিরতে বিকেল হয়ে গেলো। তবে আশ্চর্য ব্যাপার হচ্ছে, নীলসাধুর সাথে দেখা করার পর থেকেই অদ্ভুত শান্ত হয়ে গেছে মনটা। আগের মত অস্থিরতা নেই। কারণটা বোধহয় স্মৃতিশ্বরকে টেক্কা দেওয়ার ক্ষমতা রাখে এমন অস্ত্র আছে আমার কাছে। বেজ ক্যাম্পে ফিরে চিন্তা করে নিলাম একটু। কিন্তু সত্যিকার অর্থে কোন ফল নেই এই চিন্তায়। আরিশার… [বিস্তারিত]

সাকিবের পায়রা

আলমগীর মুহাম্মদ সিরাজগল্প১১টি মন্তব্য

(শিশুতোষ ছোটগল্প) পড়া বলো। স্যার আমি পড়া শিখিনি। কেন? স্যার আমার মন খারাপ। কেন? দুচোখে তার কথার সমুদ্র লুকানো। মুখটাও মায়াবী। চোখ আর মুখ দিয়ে যেন ভিতর থেকেই প্রতিভাত হচ্ছে, আজ তার মন খারাপ। আমারও আর বুঝতে বাকি রইলো না। ক্লাশ সেভেন। অনেক ছাত্রছাত্রী। ক্লাশে সবার ছোট সে। সবার মাঝ থেকে এই পিচ্ছি সাকিবকে আলাদা… [বিস্তারিত]

ঘরে বসেই ডাক্তার দেখান

দশঃ ঠিক কতক্ষণ সময় কেটে গেছে হিসেব রাখতে পারিনি। নিজেকে আত্মরক্ষা করতে করতে যখন মনে হচ্ছিল আর বুঝি সম্ভব হলো না সে সময়েই টের পেলাম পিছন থেকে বেশ কিছু মানুষের সাড়া শব্দ পাওয়া যাচ্ছে। কিছুক্ষণের মধ্যেই আমার সামনে থেকে আসা আক্রমণের জবাবে তীব্র পরিমাণে ফায়ারিং শুরু হলো। বিডি-৮ অ্যাসাল্ট রাইফেলের গুলির শব্দ কোনদিন বোধহয় এত… [বিস্তারিত]

এক রাখালের কথা

অরুণিমা মন্ডল দাসগল্প১৫টি মন্তব্য

এক গাঁয়ে এক রাখাল ছিল। খুব নরম ও মিষ্টি স্বভাবের। সারাদিন তাক- ধিন করে নেচে বেড়াত আর সন্ধেবেলাতে বাবার ভয়ে পড়তে বসত। বাবার ইচ্ছা ছেলেকে মাষ্টারি করাবেন। বড্ড শখ ছেলের স্কুলে গিয়ে বুক ফুলিয়ে বলে বেড়াবেন উনি মাষ্টারের ছেলে। তাই ছোটবেলা থেকেই শাসনে রেখেছিলেন। গরুর ঘাস থেকে মায়ের ধানের বস্তা পর্যন্ত কোনো কাজই করতে দেওয়া… [বিস্তারিত]

সাতঃ অভিযানে যাচ্ছি আমরা মোট ৬ জন কমান্ডো। কর্ণেল ফারুক অবশ্য আপত্তি জানিয়ে বলেছিলেন যে একটু অপেক্ষা করতে, কারণ তিনি চাচ্ছিলেন একেবারে কাল সকালে অভিযানে যাই। এতে চার্লি কমান্ডের কমান্ডোরাও প্রস্তুত হয়ে এই অভিযানে অংশ নিতে পারবে। আর এখন অভিযানে গেলে রাত হয়ে যাবে। রাতে এই এলাকাতে অভিযান চালানো খুবই দুঃসাধ্য কাজ। এর উপর মড়ার… [বিস্তারিত]

চারঃ বিশ মিনিটের মাথাতেই রি-ইনফোর্সমেন্ট চলে আসলো। ক্যাম্পটাকে তিনদিক দিয়ে সেনাদের ঘিরে ফেলতে বললাম। চতুর্থদিক দিয়ে কমান্ডোরা গুপ্ত হামলা চালাবে। পরিকল্পনামাফিকভাবে আক্রমণ শুরু হলো। তীব্র প্রতিরোধ করছে আরাকান আর্মিরা তাদের ঘাঁটি থেকে। প্রায় ঘণ্টা তিনেক ব্যাপক বন্দুক যুদ্ধের পর আস্তে আস্তে স্তিমিত হয়ে আসছিল তাদের প্রতিরোধ। এবার পালা কমান্ডোদের। নির্দেশ পেতেই আক্রমণ চালালো তারা। প্রতিরোধের… [বিস্তারিত]

পূর্ব কথাঃ ২৬শে অগাস্ট ২০১৫ বান্দরবান জেলা সদর থেকে প্রায় ১৪০ কিলোমিটার দূরে বড় মদক সীমান্তচৌকিতে এবং দলিয়ন পাড়া সীমান্তচৌকিতে মিয়ানমারের বিচ্ছিন্নতাবাদী আরাকান আর্মির সদস্যরা অতর্কিত হামলা করে। এসময় বিজিবি সদস্যরাও পাল্টা গুলি চালায়। সেসময় বিজিবির একজন নায়েক আহত হন। বান্দরবানের ওই এলাকাটি, নামঃ থানছি, এতই দুর্গম যে ৪৩৯ কিলোমিটার এলাকায় কিছু ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠির মানুষ… [বিস্তারিত]

ঘরে বসেই ডাক্তার দেখান

কাল্পনিক দিনলিপি

ফ্রাঙ্কেনেস্টাইনগল্প, বিবিধ১২টি মন্তব্য

১১.০৭ আজকের রাত আশ্চর্য রকম নিস্তব্ধ ... আসলেই নিস্তব্ধ নাকি আমার কাছে নিস্তব্ধময় বুঝতে পারছি না। সবকিছু কেমন জানি অসহ্য লাগছে। মা'র কাছে খুব যেতে হচ্ছে। কিন্তু পারছি না। চাইলেই সবকিছু পারা যায় না। পারা গেলে মনে হয় ভালো হত। প্রচণ্ড জ্বরে কাঁপছে শরীর। অনেকদিন ধরেই জ্বরটা বাসা বেঁধে রয়েছে। বুঝতে পারছি না আমার আসলে… [বিস্তারিত]

নীল ডায়েরি (প্রথম পর্ব)

ফ্রাঙ্কেনেস্টাইনগল্প২টি মন্তব্য

“ ডায়েরি লেখার অভ্যাস কোনকালেই ছিল না আমার। এমনকি আমি যে খুব ভালো লিখি সেটাও না। স্কুল-কলেজে বাংলা-ইংরেজি পরীক্ষা পার করে এসেছি বেশ আতঙ্কের সাথে। সেসব কথা থাকুক। নিয়তির জেরে এখন আমি এই কাজটাই করছি। আমার শরীরের প্রকৃত অবস্থা জেনে এসে আজ কেন জানি নিজের জীবন নিয়ে লিখতে মন চাচ্ছে! একাকী নিঃসঙ্গ জীবন যে কতটা… [বিস্তারিত]

ভালোবাসাবাসি

স্বপ্নএকান্ত অনুভূতি, গল্প৬২টি মন্তব্য

ডাক্তার জামান এর চেম্বারে প্রবেশ করলো একজোড়া যুবক যুবতী। পুরাতন রোগী, এর পূর্বে আরো চারবার এসেছে ডাক্তার জামান এর কাছে। একে অন্যকে সাহায্য করছে হাটাঁর সময়। দুজনই বিধ্বস্ত রক্তাক্ত, যুবকটি পা টেনে হাঁটছে,কপাল বেয়ে রক্ত গালে। যুবতীর কপাল ফুলে আছে, জলপাই রঙের টি সার্টের একটি হাতা প্রায় ছিড়ে গেছে, ডান চোখের নীচে কালছে দাগ। সুখী… [বিস্তারিত]

রমনা পার্কের ভিতর এক লাল জামা পড়া মেয়ে সাথে একজন ছেলে, বসে আছে পার্কের বেঞ্চে, ঘনিষ্ঠভাবে। মেয়েটার মাথা ছেলেটার কাঁধে, দুজনে আকাশে তাকিয়ে বলছিল মনের কত কথা। “ এই শুনো, আমরা কিন্তু বিয়ের পরেও এভাবে বের হব। পার্কে পার্কে ঘুরবো। তুমি কিন্তু একদম না করতে পারবে না। ” - বলছে মেয়েটা। - আচ্ছা বাবা, যো… [বিস্তারিত]

হরতালে জীবন

রকিব লিখনগল্প৩টি মন্তব্য

কামাল চোখে অন্ধকার দেখে। তবুও উঠে দাঁড়ায়। হাঁটতে হাঁটতে কালুর দোকানে যায়। কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকে। তারপর আস্তে আস্তে বলে, কালু কাহা তিন দিনের হরতালে রিসকা নিয়া বাইর হইবার পাই নাই। ট্যাকা পয়সা হাতে এডাও নাই। যদি আমারে দুই সের চাইল করজা দেও তাইলে জানডা বাঁচে। হরতাল শেষ হইলেই তোমার পাওনা মিটাইয়া দিমু। সইত্য কইতাছি। তোমার… [বিস্তারিত]