বটবৃক্ষ কুবি
অবিশ্বাস্য মনে হচ্ছে, এই তো সেদিনের সোনেলা! কালে কালে অনেক পথ পেরিয়ে
ভিড়েছে পঞ্চম কালের বন্দরে, অনাবিল আনন্দে ভেসে ভেসে। প্রাপ্তি অনেক,
ঘুঘু ডাকা বিষণ্ণতা এড়িয়ে, অকুণ্ঠিত স্বীকারোক্তি সময়ের পথরেখায়,
ক্ষনিকের জন্যও পাশে ছিলেন যারা;
একটি প্রাপ্তি জ্বলজ্বল করছে(ভাগ্যিস জ্বলে ওঠেনি)!
আমাদের বটবৃক্ষ কুবি, যার কুবি প্রতিভায় আমরা ব্যতিব্যস্ত! চলনে কুবি বলনে কুবি,
মন্তব্যের বলিহারিতেও কুবি এবং কুবি।
আসুন সোনেলার সোনারা ,এই ক্ষণজন্মা কুবির পুনর্জন্ম কামনা করি।
সোনা তৈস্য, সোনা তৈস্য
সোনা পটাতম,সোনে সোনাম
কুবিগুরুং কুবি নং
সোনা মং সোনা মং
সোনা ভং সোনা ভং
সোনে সোনাম!!!
নাছিরং নাছিরং…………
মোট পড়েছেনঃ ৬১১জনআজ পড়েছেনঃ ০জন




৪০টি মন্তব্য
সোনেলা হাটুক অনন্ত কাল। আমার এই অল্প কালে অনেক পেয়েছি এখান থেকে। বড় ভালো এই আমার বাড়িটা।
এ লেখায় কেমন যেন পচনের গন্দ পাচ্ছি। তাই আর নিজের গতরে মাখলাম না। তবে একটা কথা আবারও বলছি, এ বাড়িতে একজনই কবি। যাহা আমি অনেক পথ পেরিয়ে এই তকমার ট্রপি ঘরে তুলেছি। এহেন কবি নিয়ে মশকরা এবাড়ির কেউ সহ্য করবে না কখোনো।
আপনার এমন কোন সদিচ্ছা থাকিলে ভয়ডড় নিয়েই তাহা হইতে বিরত থাকুন।
অবশ্যই সোনেলা হাঁটবে অনন্তের পথ ধরে, সে কামনা ধারণ করি অন্তরের থেকেই।
দেখুন কুবিদের এত এত গতর মাখামাখি করা ঠিক না, তাতে কাব্য প্রতিভার বিঘ্ন হতে
পারে, আপনি চালিয়ে যান, কেউ আপনাকে ঠেকাইতে পারবে না,
নাছিরং নাছিরং
শতবৎসর বেঁচে থাকুক সোনেলা এবং সোনেলার সোনা রা।
শুভং শুভং
জন্মং জন্মং
দিনং দিনং
সোনেলা।
আমরাও সংস্কৃতং জানং। :D) :D)
:D) :D) আমরাওং সংস্কৃতং জানং :D) :D) ঠিক ঠিক মিষ্টি আপু :D)
হা হা হা লীলাবতী আমি কিন্তুক বেগুন না।। :D) :D)
তাতো দেখতেই আছি মিস্টি আপু, ভাইয়া ভেবেছিলেন আমরা বুঝব না, আমরা গুনের আধারং তা ভাইয়া বুঝলে আর এমন লিখতেন না :D)
সোনেলা বেঁচে থাকুক আমাদের হৃদয়ে,
অবশ্যই জানং, এখন দেখছি একটু বেশি বেশিই জানং,
সোনাদের জ্ঞান দেখে টাস্কিত হতেই হচ্ছে,
জ্ঞান এর আর কি দেখলেন ভাইয়া, সবেং তং শুরুতং 😀
হা হা হা, আমি সংস্কৃত জানিনা।
এখন না জানলে তো হবে না,
শিখে ফেলুন দ্রুত,
তাই করতে হবে
শুরু করে দিন অতি সত্ত্বর।
ক্ষনিকের জন্যও যারা পাশে ছিলেন তাদেরকেও ভুলতে পারছি না আসলে। কত প্রিয় ব্লগার নেই আমাদের মাঝে, মিস করি তাদের। কবেং পাবোং কুবিং নতুনং পোষ্টং ? :D)
এখানে কত কত জনের সাথে লেখালেখি, সবাই সময়ের সাক্ষী।
বাহ, আপনিও জানেন দেখছি।
সুপ্রিয় সোনেলা,
जन्मदिनशुभेच्छा:
हार्दिकाः शुभेच्छाः
শুভ জন্মদিন। অন্তর থেকে শুভেচ্ছা জানাই। 😀
লেখায় পচানির লক্ষণ দেখতে আছি। মোর নবিশরে আইজকার দিনে এরম পচানি না দিলেও অইতে। নবিশ কোম্মে? থাউজ্ঞা, যারা পচানি দেতে আছে হেরা জানেনা বইল্ল্যাই পচাইতে আছে। মোরা এই হগল পচানি শইল্ল্যে মাহাইনা। -:-
এই খানেই আছি টিচার। এই লেখক জানেনা যে এইসব পচন ফছন দিয়া কিচ্ছু অইবোনা। এহানের কেউ ঐসব গতরে মাখিবে না।
এইযে লেখক সাহেব, দেখলেনতো, আমার টিচার কেমত আচঁল বাইন্দা নামছে। সাবধান অইয়া যান সময় থাকতে, হু।।।
আপনার টিচারের উছিলায় এবারের মত ছেড়ে দিচ্ছি,
তাড়াতাড়ি কোবতে লিখতে শুরু করুন,
তা না হলে খবর আছে কিন্তু।
উহ, এভাবে র ফর্মে দিলে তো হবে না।
শুভেচ্ছা নিরন্তর সোনেলার জন্য,
আপনার নবিশরে পচাইবে এমুন সাহুস কার আছে!! একবার শুধু নামডা কন দেহি!!
আমি তার কোবতের পাড় ভক্ত বলতে পারেন।
সোনা শইল্যে সব কিছু মাহন ঠিক না, ভালও না!!
জনমদিনমঃ শুভেচ্ছাঃ
হার্দিকাঃ শুভেচ্ছাঃ (হৃদয় থেকে শুভেচ্ছা)
পাঁড় মাতাল শুনছি, ভক্তের কথা শুনি নাই।
শুনবেন, শুনবেন, কত কী শুনবেন!
এ দেখছি ভারী শব্দশুভেচ্ছা!!
পৈতা আছেতো? শীতের ভোরে গঙ্গা স্নানের অভ্যাস? 😀
আপনি আমাদের কবি ভাইকে কুবি কেন বলছেন? খুব খ্রাপ। সত্যিই সে এক চকচকে প্রাপ্তি সোনেলার। চকমকি দেখলেই ঘষাঘষি মানা, তাই জ্বলে উঠে আগুন জ্বালানোর প্রশ্নই ওঠেনা।
তবে ক্ষনজন্মা এইডা এক্কেরে ঠিক আছে, নাম্বার ১ এই শ্যাষ। তো চলেন শুরু করি,
সো সো কু সো, সো সো না।
ইয়ে মানে পৈতাটা যে কই রাখলাম!!
ব্যাপার না, চান সেরে এসে খুঁজে নেবানে,
দেখুন এমুন কুবি লাখোমে এক, তাই পড়তেই আছি পড়তেই আছি,
১ এ ই গিট্টু লেগে গেছে!
অবশেষে আপনিও!!
সোনা কুবিং সোনা কুবিং
এসব কি কুবিরাজ ভাই? আমার কবি ভাইয়ূর জন্মদিনে এভাবে পঁচানো শুভেচ্ছা দিলেন?
ঠিক না।
আপনার কুবিতায় কিন্তু ১৪৪ ধারা জারি করবো। তাই সাবধান হইয়া যান কইলাম। :@
একটা রাগের ইমো দিলাম, দুইটা দিলাম না। ভালো হইবার জন্য সুযোগ দিলাম। ভালু হইয়া যান। ভালু না হইলে এভাবে একান্ত অনুভূতিও লিখতে পারবেন না।
নাসির সারওয়ার ভাইয়ূ জন্মদিনের শুভেচ্ছা। -{@
সোনেলার সোনা বাগানে উজ্জ্বলতম জুতিষ্ক!!
সে আপনার ভায়ূ, তাকে পঁচানির প্রশ্নই আসে না,
আইচ্ছা ভালু হই গেলাম আপনি যখন বলছেন,
তবে টাইম কিন্তু লাগবে, সাথে হাসাহাসি চালু থাকবে।
অবশ্যই উজ্জ্বলতম জ্যোতিষ্ক(বানান শিইখ্যা আসেন 😀 )
পঁচাইতে আসলে আপনার চুলের বারোটা থেকে তেরোটা করার জন্য সর্বদা প্রস্তুত আছে এই জল্লাদনী।
হাসেন, সমস্যা নাই। দেইখেন দাঁত খুইল্যা যেনো না পড়ে। 😀
কিছু বানান বেশ কঠিন, হাতে কলমে শিখতে হবে,
মাত্তা খারাপ! আপনাকে পঁচামু!
আপনি কবির কবি!!
দাঁত খুইল্যা রাইখ্যা হলে হাসমুই হাসমু,
হাতে-কলমে শিখে আসেন। আজকাল ছাত্রের সংখ্যা কম, টিচারদের সংখ্যা বেশী। 😀
দাঁত খুইল্যা রাইখ্যা হাসলে মাছি-মশার বাসস্থান বানাইতে সুবিধা হইবো। 😀 বুঝছেননি কুবিরাজ ভাই?
এতো টিচার চৌদিকে! আমারে কেউ পড়ায় না!!
হাসতেই আছি!!
ফরমালিন আছে কিন্তু কোন অবস্থাএই পচন ধরান জাইবেওনা আমাদের সোনেলার কবি ভাইদের। কবিতার সৈনিক যারা তাঁরা অক্ষত অবিনশ্বর। মনে রাইখেন জতই পচাইতে জাইবেন ততই পচবেন। অপরের হজরে ঠেল ছুড়বেন না।
সব কবি ভাই এগিয়ে চএলন সাথে আছে সোনেলা সৈনিক সেনা।
শুভজন্মদিন
কবি সোনারা এগিয়ে আসুন, বটকুবিকে বাঁচিয়ে রাখুন।
হ্যাঁ, এটা ভালই কইছেন। ভাল থাকুন।
আপনিও ভাল থাকুন,
সোনেলা বেচে আছে থাকবে আমাদের অন্তরে খেরো খাতা-কলমে -{@ শুভ কামনা আপনাকে দুঃখ কেবল জিসান ভাইয়ের স্বকলমে অনুপস্থিত।কৃতজ্ঞ শুভ কামনা এবং স্রষ্টার নিকট প্রার্থনা সব সময় অনন্তকাল ভাল থানুন বন্ধু আপনারা দুজনে। -{@
আপনার প্রার্থনা আল্লাহ অবশ্যই কবুল করবেন,
আমাদের সবার অন্তরে সোনেলা বেঁচে থাকবে এই কামনা করি,
দুঃখের কিছু নেই, আমরা আমরাই আছি সব সময়ের মত,
সোনেলার জন্মদিনতো পার হয়ে গেল আমি আসতে আসতে। একদিন দেরীতেই তাহলে শুভেচ্ছা জানাতে হলো।
তা জন্মদিনের উপলক্ষ্যেতো একখান ভালা লেখা দিতে পারতেন, তা না আবার লাগছেন কুবিদের পেছনে। আপনার যা অবস্থা।
স্বদেশ থেকে ফিরলাম মাত্র, পরে আসতেছি আবার!
শুভেচ্ছা শুভেচ্ছাই, হোক না তা বিলম্বিত।
স্বদেশ!! টের পেলাম না তো,
আপনার সাথে স্পিক টি নট!!
হুটহাট করে লিখতে বসার মতোই ছিল তাই আর কি।
স্পিক্ টু নট বললে কি হবে???? এভাবে বলা ঠিক লয়।
এখন কত কী শুনব, শুনতে হবে!!
আচ্ছা, ঠিকাছে।
সোনা তৈস্য সোনা তৈস্য
সোনা পটাতম সোনে সোনাম
কুবিগুরুং কুবা গুরুং
সোনা মং সোনা মং
সোনা ভং সোনা ভং
সোনু সোনাম
মৌনতাং মৌনতাং :D) :D) \|/ \|/
অবশেষে আপনিও!!