মূল লেখায় যান

বজ্র কন্ঠ এবং অতঃপর

খসড়াকবিতা১১টি মন্তব্য

শ্যামল কোমল গাঙেও ব-দ্বীপে ,
তোমার বজ্র কন্ঠে যখন ধ্বনিত হলো
আমোঘ বানী,
অকস্মাৎ ঘটে গেল মহাপ্রলয়।
উর্ধ্বে উৎক্ষিপ্ত জ্বলন্ত লাভা ছুঁয়ে দিল আকাশ
পৃথিবী কাঁপিয়ে জেগে উঠল লক্ষ প্রান।।

জল স্থল অন্তরিক্ষের মাঝে মুখ তুললেন
বিধাতা পুরুষ,
হাজার বছরের অতৃপ্ত আত্মার সম্মিলিত স্বরে
তোমার উচ্চকিত উচ্চারণ –স্বাধীনতা।
অতঃপর মোহাবিষ্ট বিশ্ব অবলোকন করে
অসস্ত্র কোটি মানুষের অস্ত্রাধিক মহাশক্তি।

আঁকা বাঁকা অনিন্দ ক্ষুদ্র মানচিত্র যেন
পৃথিবীর চেয়ে বড় হয়ে যায়।
নতুন সূর্য নিয়ে আসে — স্বাধীনতা।
প্রিয়তম বাংলাদেশ জন্ম নেয়।

মোট পড়েছেনঃ ৯৩৮জনআজ পড়েছেনঃ ০জন

১১টি মন্তব্য

  1. এটি বিখ্যাত কবিতা নয়। এটি এই আধমের। এই কবিতাটিকে সুর তাল দিয়ে গান হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার বহু দিন থেকে চেষ্টা করে যাচ্ছেন সুরকার নজরুল ইসলাম, বাপ্পা ও লেমন। কিন্তু ঠিক মেলাতে পারছেন না। কার কন্ঠে দেবেন এটাও চিন্তার বিষয়। এমনিতে সুর দিয়ে গেয়ে যান আপন মনে শিল্পী শাহজাহান। ধন্যবাদ।

  2. মার্জনা করুণ দেবী ।
    অবশ্যই গর্ব করার মত একটি ঘটনা ।
    আমরা সহ অবস্থানের সুযোগ পেয়েছি ।
    অসামান্য চমৎকার লেখাটি পড়ে আনন্দিত হয়েছি অনেক অনেক ।
    আজ থেকে আপনার অবস্থান বেশ উঁচুতে আমার কাছে ।
    ধন্যবাদ ও ধন্যবাদ অনেক বার ।