মূল লেখায় যান

আয়নায় তৌহিদ

রিতু জাহানসোনেলা বার্তা১৬৪টি মন্তব্য

‘আজ আয়নার ২য় পর্ব। এ পর্বে আপনাদের সকল প্রশ্নের উত্তর দিতে বীরের মতো আয়নার সামনে হাজির তৌহিদ ভাই।

আমাদের সোনেলা উঠোনে যে কয়জন সোনালী আলোয় আলোকিত হই তারা আমরা সকলেই সকলের খুব প্রিয় ও কাছের মানুষ। আত্মার টানে আমরা বারে বারে ফিরে আসি এ উঠোনে, যান্ত্রিক জীবনের সকল কাজের এক টুকরো অবসরে। এই উঠোনে আমরা লেখার মাধ্যমে আমরা আমাদের আনন্দটুকু, সুখটুকু ভাগ করে নেই।

তৌহিদ ভাই তার লেখায় ও আন্তরিকতায় সকলকে আপন করে নিয়েছেন খুব সহজে।

তার প্রথম পোষ্ট হূদপিন্ড দিয়ে সোনেলায় যাত্রা শুরু। সোনেলাকে তিনি তার হৃদয়ে ধারন করেছেন অকৃত্রিমভাবে। আমরা পুরাতন সদস্যরা আনন্দিত তাকে পেয়ে।

তৌহিদ ভাই এ পর্যন্ত পোষ্ট লিখেছেন মোট ৩৮ টি। মন্তব্য করেছেন মোট ৭৬৪ টি এবং মন্তব্য পেয়েছেন মোট ৭১৫ টি। এতেই বোঝা যায় তিনি কতোটা আন্তরিক।

তিনি চাটুকারিতা প্রচন্ড ঘৃণা করেন। তিনি মানুষকে ভীষন বিশ্বাস করতে পছন্দ করেন। তার একটা কথা আমার ভীষণ পছন্দ হয়েছে আর তা হলো,’তিনি জন্ম হতেই বর্তামান।’

তার একটু সংক্ষিপ্ত পরিচয় আমরা জেনে নেইঃ

নামঃ তৌহিদুল ইসলাম

ব্লগ নাম: তৌহিদ

জন্মতারিখঃ ২৬ অক্টোবর ১৯৮১ যদিও সার্টিফিকেট বয়স ভিন্ন☺।

(কি এক্টা মিল! আমার জন্ম সালও ১৯৮১। যদিও মাস ভিন্ন আমার জন্ম মাস মার্চ।)

জন্মস্থানঃ রংপুর।

শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ গ্রাজুয়েশন করেছেন তিনি সোশ্যাল সাইন্স এ।

শখঃ খেলাধুলা করা (ব্যাডমিন্টন, ক্যারাম) গল্পের বই এখন আর পড়ার সময় তিনি পান না😥

ছেলেমেয়েঃ নাই(আপাততঃ)

বিয়েঃ ২০১৪ অক্টোবর

পেশাঃ সরকারি চাকুরী, পাব্লিক হেলথ এ।

বর্তমানে রংপুরে আছেন।

তো প্রিয় ব্লগারগণ আপনারা আপনাদের প্রশ্নের ঝুড়ি নিয়ে চলে আসুন। সাথে মুক্তা পানিও আনতে পারেন। যদি গলা শুকিয়ে সে তৌহিদ ভাই গলা ভিজিয়ে নিবেন।

 

মোট পড়েছেনঃ ৪১৮জনআজ পড়েছেনঃ ০জন

১৬৪টি মন্তব্য

  1. সোনেলার আয়নায় আপনাকে স্বাগতম তৌহিদ ভাই।

    প্রথম প্রশ্নঃ সব পোস্টের মত এই পোস্টেও আমি প্রথম মন্তব্যকারী। এই যে আমি সবসময় প্রথম হয়ে যাই, সেটা নিয়ে আপনার বক্তব্য কি?

    1. প্রথম কমেন্টকারি হিসেবে আপনাকে ধন্যবাদ এবং ভালোবাসা জানাই প্রহেলিকা ভাইয়া।

      আপনি সবসময় প্রথম মন্তব্যকারী ব্লগার সোনেলায়। অবশ্যই শ্রদ্ধা আর সম্মানিত ব্লগার হিসেবে আমার হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন ভাই।🌹

    1. আপু, ধন্যবাদ আর ভালোবাসা জানবেন। আমাকে নিয়ে আয়নায় লেখাটি পছন্দ হয়েছে।
      অনেক কৃতজ্ঞতা রইলো। আইসক্রিম খাওয়াবো কেমন?

      আসুন আপু, আছিতো।

      যে বাতাস! কারেন্ট চলে গেলো বলে!!

      1. আমি কিছুক্ষন পর রংপুরের উদ্দেশ্য রওনা করব। কিন্তু দুঃখের বিষয় বাবুর কলেজ পর্যন্ত। ওকে রেখেই আবার ফিরে আসব। আর আমার আইসক্রিম খাওয়া বারন😥😥আপনার জন্য মেমনের বইটা কোথায় রাখলে আপনি নিয়ে নিতে পারবেন ভাই?

      2. আপু এতক্ষনে আপনি ফিরে গিয়েছেন নিশ্চয়, ইনবক্স বা মোবাইলে জানালে আসতে পারতাম। আচ্ছা পরেরবার নেব কেমন?

        আচ্ছা তাহলে যা পছন্দ তাই খাবেন, পাওনা থাকলো।

        অন্য কোথাও মেমনের বই রাখবেন কেন আপু? লেখক বা তার গর্ভধারিনীর কাছ থেকে বই নিতে পারাতো আমার জন্য সম্মানের। এ সম্মান কি হারানো ঠিক হবে?

    2. রিতু আপু, ভাইয়ের আয়নায় আসবেন তাতে প্রথম কি আর তৃতীয় কি?☺

      আপনি যে কোন সময় আসতে পারেন, অনেকেই হিংসিত হয়ে আপনাকে ক্ষেপাচ্ছে কিন্তু। ডরাইবেন না আফা, ভাই আছেতো পাশে।

    1. ধন্যবাদ জানবেন আপু।

      আমি আসলে মন খারাপ করে থাকাকে প্রশ্রয় দেইনা। নিজে হাসিখুশি থাকি, অন্যকেও রাখার চেষ্টা করি।

      আর পাশেতো একজন আছেই, গিন্নী। ☺

      মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। 🌹

  2. ২য় প্রশ্নঃ আজকে যারা ঘাপটি মেরে ছিল প্রথম মন্তব্যকারী হবার জন্য তাদের উদ্দেশ্যে সমবেদনা জানিয়ে কিছু বলুন।

  3. আয়নায় স্বাগতম। প্রশ্ন পরে করুম, আগে ভিন্ন একটা প্রশ্ন করি, আগামী জন্মদিন পর্যন্ত বেঁচে থাকলে, একটাই সেলিব্রেশন করা যায় কিনা?
    জন্মতারিখটা সঠিক হইলে, আমিও যোগাল দিতাম।

    1. মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আপু।🌹

      আসলে জন্মদিন সেলিব্রেশন এখন আর করা হয়ে ওঠেনা। তবে আপনি যোগাল দিলে আসল নকল দুইটা মিলেইএকই ডেটে পালন করা যায় একসাথে।☺

    1. আমি আসলে মন খারাপ করে থাকাকে প্রশ্রয় দেইনা ভাইয়া। ☺
      কোন কারনে মন খারাপ হলে তার কারন খোঁজার চেষ্টা করি, যদি আমি দোষী হই তাহলে ক্ষমাপ্রার্থনা করি আর সেটাকেই নিজের শিক্ষা হিসেবে গ্রহন করি।

      আর অন্যের কারনে মন খারাপ হলে তাকে ক্ষমা করে দেই, এতে নিজের মনে প্রশান্তি আসে।

      আমার জন্য অন্য কারও মন খারাপ থাকুক সেটাও মেনে নিতে পারিনা তাই হাসিখুশি থাকার চেষ্টা করি।

      আমার গুরু বলেছেন – নিজেকে সবখানে মেনে নিয়ে নয় মানিয়ে নিয়ে চলতে শেখো, দেখবে নিজেকে অচ্ছুত মনে হবেনা।

      এটাই মুল রহস্য।

      মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ ভাইয়া🌹

  4. আসসালামুআলাইকুম।কেমন আছেন ভাই আপনি মনে দিক দিকে?
    লেখকদের যতটুকু জানি প্রণয়ে তাদের কিছু না কিছু ঘটনা ঘটে আপনাদের বেলায় কি তেমন কোন স্বরণীয় ঘটেছিল,?,,একটু জানতে মনচায়।

    1. ওয়ালাইকুমুসসালাম ভাইয়া, আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি। আমার মন সবসবয় উড়াধুড়া থাকে ভাই।

      আমার প্রনয় এনগেজমেন্টের পর থেকে চালু হয়ে অদ্যাবধি চলছে।

      স্বরণীয় ঘটনা অনেক আছে ভাই একটা বলছি, আপনার ভাবী ১০৩ ডিগ্রী জ্বর নিয়ে পাহাড়ে উঠেছিলো শুধু আমার সাথে উঁচু থেকে সমুদ্র দেখবে বলে। সেদিনটা এক অবিস্বরণীয় দিন ছিলো।

      বাকী গুমোট ফাঁস করন যাইতো না।☺☺

      1. না ভাই, এ নিয়ে কোন মতভেদ নেই। লেখকের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা আমরা কেউই পছন্দ করিনা।

        তবে এমন কিছু লিখিনা যাতে ব্যক্তিগত জীবনে এর ইফেক্ট পরে।

        ধন্যবাদ ভাই, পাশেই থাকবেন।

      1. প্রিয় ব্লগ বাসী, আমি এতো তাড়াতাড়ি কোথাও কখনওই যাইনি আর যেতে ও চাই না…. দয়া করিয়া আমাকে আয়ানার সামনে হাজির না করানোর বিশেষ অনুরোধ জানাচ্ছি ***
        আর তৌহিদ ভাই আপনার স্বার্থপর হয়ে থাকার কৌশল গুলো যদি ইক্টু কষ্ট করে জানাতেন খুব উপকৃত হইতাম ###

      2. মায়াবতী আপু দেখুন আয়না নিয়ে সোনেলার অন্যান্যরা কি বলে? তারা নিশ্চয় আপনার দিক দেখবেন, আমি জাস্ট আমার মন্তব্য বলেছি।

        একজন স্বার্থপর মানুষের সব অনুভুতি আমার মধ্যে বিদ্যমান আপু। এসব প্রকাশ করলে আমাকে আর মানুষ মনে হবে না😃😃😃

  5. অনেক প্রশ্ন করবার আছে, শুরুতে অভিনন্দন তৌহিদ। ব্লগের দ্বিতীয় ব্লগার হিসাবে পাঠকের মুখোমুখি হওয়া অনেক বড় ব্যাপার, তাও এতো অল্প সময়ে।
    কিছু ব্যক্তিগত প্রশ্ন জানবার ছিলো, যা রিতু ভাবী আগেই উল্লেখ করে ফেলেছে।
    প্রশ্ন একঃ এমন একটি বই এর নাম বলুন, যা পড়ে আপনি কেঁদেছেন।
    প্রশ্ন দুইঃ একজন লেখকের পাঠককে হাসানো বা কাঁদানো কোন গুনটি কঠিন বলে মনে হয়? কেনো?
    প্রশ্ন তিনঃ লেখালেখিতে পরিবার থেকে কতটুকু সহযোগিতা পান? পাশের বাড়ির সুন্দরী ভাবীকে নিয়ে প্রেমের গল্প লিখলে গিন্নি ঝাড়ু হাতে নেবে কিনা?

    আসতেছি পরে।

      1. শুধু ভুলো না, এক্কেরে মরচে ধরা, এ দিয়ে আর কাজ চলবেনা। আয়নার এইটা দ্বিতীয় আসর। তাজের টা ছিলো আড্ডা পোস্ট। হে হে আমি অবশ্য তখনই বুজ্জিলাম, আপনি যখন তাজ রে প্রশ্ন করতেছিলেন। বেশী করে গোবর সার দিন মগজে, শুধু কবিতে দিয়ে পেট চলবেনা।

      2. দুই পদের ব্যবস্থা!! আড্ডা আর আয়না!! ঠিক আছে আপনি যখন বলছেন!!
        দুইডার মধ্যে ব্যাপুক মিলঝিল,
        বয়স ২৫ হলে বুঝতেন! মাথায় কিছুই কেন থাকে না, শুধু গোবরের কোবতে!!
        তাবিজ দেলে পারতেন!! অঙ্গে ধারণ পূর্বক ধুয়ে পানি খেতাম, খালি প্যাটে!!
        খালি লাল-চৌক দ্যাহাইলে হয়!!

    1. আপনিও শুভেচ্ছা জানবেন আপু।🌹
      আমি কৃতজ্ঞ সোনেলার সকলের প্রতি, আপনাদের ভালোবাসায় আমি মুগ্ধ, এত অল্প সময়ে আপন করে নিতে পেরেছেন জেনে, দেখে আমি নিজেকে সম্মানিত বোধ করছি।

      আপনার প্রশ্নগুলির উত্তর –
      ১.অনেক বই পড়েই কান্না পেয়েছিল আমার। এইমুহুর্তে একটি বইয়ের কথা মাথায় আসছে – উইলবার স্মিথের উপন্যাস “দ্যা সেভেন্থ স্ক্রল” এ একটি বাচ্চার চরিত্র ছিলো। সে যখন মারা যায় তখন চোখ ভিজে উঠেছিলো।

      ২. লেখকের দুটি গুনই অনেক কঠিন আপু। কারন লেখক সব পাঠকের কথা চিন্তা করেই বই লেখেন। পাঠক যখন আবেগময় হয়ে পড়ে তার লেখা পড়ে এটা যেমন স্বার্থকতা, তেমনি যারা একটু হাসেন তার লেখা পড়ে মন ভালো হয় এটাও তার লেখার স্বার্থকতা।
      লেখক নিজে কাঁদেন কিন্তু অন্যকে হাসাতে জানেন বলেই তিনি স্বার্থক লেখক।

      ৩.আমি শখে লিখি আপু, আর যতটুকু সহযোগীতা পাই সেটা পরিবার থেকেই পাই। আমি লিখতে বসলে কেউ ডিস্টার্ব করেনা, আবার অন্যদিকে সবার সব কাজ সেরে দিয়ে তারপর লিখতে বসি যাতে কেউ ডিস্টার্ব না করে। কাজেই নো টেনশন!!

      পাশের বাড়ীর সুন্দরী ভাবী কে নিয়ে কেচ্ছাকাহিনী লিখলে আমার খবর আছে নিশ্চিত। শুধু ঝাঁটা না সাথে আরও কিছু জুটবে।

      আর বিবাহিত জীবন পরবর্তী জীবনের অসম প্রেমের গল্প লিখতে আমি পারবোনা, এ ধরনের চিন্তা মাথাতেই আসবেনা আমার।

      শুধু প্রেমের গল্পও তো গল্পই, তাতে গিন্নী বাঁধা দেবেন না।
      মন্তব্যের জন্য এবং প্রশ্ন করার জন্য ধন্যবাদ। 🌹
      আসুন পরে,আমি আছিতো।

      1. আমার বলার উদ্যেশ্য ছিলো, লেখককে সার্বজনীন হতে হবে। নিজের জীবনের বাইরে গিয়ে ভিন্ন আলোকে লিখতে হবে। চিন্তার প্রসার কিন্তু বাড়াতে হবে। বড় লেখক হবার জন্য এটি প্রয়োজন, এবং প্রয়োজন পরিবারের সহযোগিতা, যা আপনার আছে।
        প্রশ্ন চারঃ মৃত্যুর আগে কাওকে কিছু লিখে যাবার স্কোপ পেলে, কী লিখবেন?
        প্রশ্ন পাঁচঃ গান অথবা লেখালেখি, দুটোর মধ্যে কোনটা বেশি পছন্দ?
        প্রশ্ন ছয়ঃ ঘুরতে যাবার জন্য ড্রিম স্পট কোনটি?

      2. সার্বজনীন লেখক হবার এ উপদেশ আমি মনে রাখবো আপু। বড্ড উপকার করলেন কথাটি বলে। লেখকের বড় লেখক হতে হলে অবশ্যই নিজস্ব স্বকীয়তা থাকতে হবে। আর পরিবার আমার সবচেয়ে বড় সাপোর্ট এটা সত্যি।

        আপনার প্রশ্নগুলির উত্তর-

        চারঃ মৃত্যুর আগে এমন স্কোপ এলে মাকে লিখবো

        – মামনি, পাখির ডানার মত আমাদের সবাইকে ছায়া দিয়েছো সবসময়। একজন সন্তান হিসেবে তোমার কাছ থেকে সারাজীবন শুধু নিয়েই গেলাম; তোমাকে আরও অনেক কিছু দেয়ার ছিলো আমার, তার কিছুই দিতে পারলাম না। আমায় ক্ষমা করে দিও মা!

        আর সহধর্মিণীকে লিখতাম- তোমার এত ভালোবাসার যোগ্য আমি ছিলাম না। ভালোবাসার ঋন যদি জীবন দিয়ে শোধ দিতে হয়, তাহলে আমার এ মৃত্যু তোমার ভালোবাসাকে উৎসর্গ করলাম।
        ওপারে তোমার অপেক্ষায় পথ চেয়ে থাকবো সোনা, সব অসম্পন্ন কাজ সম্পন্ন করে তাড়াতাড়ি এসো কিন্তু!
        আর হ্যা আমার শেষকৃত্যের আগে কপালে একটা আলতো চুমু দিও।

        নাহ! চোখে পানি এসে গেলো, আর লিখতে পারলাম না।

        পাঁঁচঃ দুটোই সমান পছন্দের। এখন আর গান শোনা হয়না তেমন, শুধুমাত্র জার্নিতে গান শোনা হয় কানে হেডফোন লাগিয়ে। এটা আমার লাগবেই।
        এখন একটু সময় পেলেই আমি দু’কলম হলেও লিখি। আর গান শুনলে আমার নানাবিধ লেখার আইডিয়া মাথায় খেলা করে। তখন সেটা চট করে নোটবুকে লিখে রাখি যাতে পরে ভুলে না যাই। তাই আমার জন্য দুটোই পরিপূরক আপু।

        ছয়ঃ ড্রিমস্পট অনেকগুলি আছে- প্যারিস এবং ইটালী ভ্রমন, সুইডেন আর রোমের রাস্তায় হাত ধরে পাশাপাশি হাঁটবো, বালি দ্বীপে রাত্রি ভ্রমন। সবশেষে তাজমহলের সামনে নিজেরা যুগলবন্দী ছবি তুলবো। এসবকিছু আমার আর গিন্নীর দৈত স্বপ্নের স্পট।

        আর আমার একার স্বপ্নের স্পট হলো- সাহারার বালিয়াড়ির বুকে জোছনা দেখা,
        হিমালয়ের পাদদেশে নিজেকে সঁপে দিয়ে অনুধাবন করা আমি কত ক্ষুদ্র!
        জাপানের ফুজিয়ামায় রাত্রী যাপন করা।
        মিশরের পিরামিডের ভিতর দেবী হাপী এবং মিশরের রাণী লসট্রিসের কৃতদাস টাইটা এ দু’জনের মুর্তি দেখা।☺☺

        আরও কিছু জানতে চাইলে প্রশ্ন করবেন আপু। অপেক্ষায় থাকবো।

  6. তৌহিদ ভাই স্বাগতম। কেমন আছেন। সোনেলায় সংযুক্ত হওয়ার গল্পটা শুনতে চাই। প্রহেলিকা ভাইকে শুভেচ্ছা প্রথম হওয়ার জন্য। আসলে ছেলে ব্লগাররা সবজায়গাই এমন কৃতিত্ব দেখিয়ে আসছে বরাবর।

      1. এনাকোন্ডা নির্বিষ। তবে জাইত্তা মাইরালব্বাম/ জাইত্তা মারে। তবে নাগিনীর মত না।

    1. মেহেদী ভাই শুভেচ্ছা জানবেন ভাই, ভালো আছি। আপনি কেমন আছেন?

      সোনেলায় আসার পিছনে ইঞ্জাদাদার অবদান অনেক ভাই। আমি টুকটাক লিখতাম, তা দেখে ইঞ্জাদাদা সোনেলায় আমন্ত্রণ জানান। আমি কৃতজ্ঞ তার প্রতি।☺

      আর এখন আপনাদের সবার ভালোবাসায় আমি সিক্ত!

      ভাই সোনেলায় ছেলে মেয়ে বিভেদের কিছু নেই, সবাই আমরা পরিবার।

      আর এখানে মেয়েদের দল ভারী কিন্তু!! ব্লগার হিসেবে তাদের কাছে আমরা নস্যি।

      প্রহেলিকা ভাই সবাইকে ভালোবাসেন বলেই প্রথম মন্তব্যকারী হিসেবে নিজেকে উপস্থাপন করেন। এটাও বিরল সম্মান।

      হেলাল ভাইয়ের কথা মিনে রাখবেন কিন্তু!! এনাকোন্ডাদের থেকে সাবধান!!

      ভালো থাকবেন ভাই।☺☺

    2. আপনাকে আমি আগেই সাবধান করেছিলাম মেহেদী, আপনারা এখনো জাগো-জাগো পুরুষ স্টেজে আছেন, তাই নারীদের সাথে লাগতে আইসেন না। আমরা ছেলে-মেয়ে, বাচ্চা-কাচ্চা ব্লগারদের ছাড় দেই, তাই প্রহেলিকা পত্থম হয় :p

    1. আমার কাছে আপাত দৃষ্টিতে পুরুষরা একটিভ বেশি।

      নারীরা জনপ্রিয়তায় বেশী।

      নারীকুলের এক্টিভিটি একটু কম থাকবেই ভাইয়া, তাদের অনেক দিকে সামাল দিয়ে তবে ব্লগে আসতে হয়।

    1. আমার চোখের মায়ায় যেন কেউ না পরে তাই কালো চশমায় ঢেকে রেখেছি নিজের চোখ। আমি সবারটা দেখবো, কেউ আমারটা দেখবেনা 😃😃😃

      প্রহেলিকা ভাইয়া প্রতিটি পোষ্টে ফার্স্ট মন্তব্যকারী হন এর রহস্য হলো তিনি সবার পোষ্টে নিজের প্রথম উপস্থিতি জানান দিয়ে সোনেলাকে ভালোবাসায় সিক্ত করেন

      আমরা সবাই সোনেলাকে ভালবাসি কিন্তু রেসে তিনি ফার্স্ট😃😃

    1. আসলে বিভিন্ন ধরনের লেখা দিয়ে ব্লগে নিজের অবস্থান যাচাই করছি আপু। আমি বুঝতে চেষ্টা করছি সাহিত্যের কোন শাখায় আমার বিচরণ করতে হবে। বিভিন্ন ধরনের লেখা দেয়ার উদ্দেশ্য এটাই।

      আমি গল্প, সমসাময়িক লেখা এবং একান্ত অনুভূতি এই তিনটি বিষয়ে লিখতে সবচেয়ে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি।

      ধন্যবাদ আপু।

  7. ছবি ব্লগ সম্পর্কে কিছু বলুন। আপনি কিছুদিন আগে ছবি ব্লগ পোষ্ট করেছিলেন, এটা কি নিজ আগ্রহ-উদ্যেগে করেছিলেন না অন্য কারোটা দেখে উৎসাহিত হয়ে ?

    1. ছবি কথা বলে আর ছবিব্লগ হচ্ছে অল্পকথায় শুধু ছবি দিয়েই নিজের চিন্তা ভাবনাগুলি এবং লেখার বিষয়বস্তু সহজেই পাঠকের কাছে উপস্থাপন করার একটি জনপ্রিয় মাধ্যম।

      ফুল উপাখ্যান নামে যে ছবিব্লগটি পোষ্ট করেছিলাম তা প্রহেলিকা ভাইয়ের প্রশান্তির খোড়ল এবং জিসান ভাইয়ের ধীরে বহে দিন নামক ছবিব্লগ পোষ্ট থেকে উজ্জীবিত হয়ে পোষ্ট করেছি আপু।

      1. ছবি ব্লগটা আমার কাছে কিছুটা ধাধার মতো মনে হয়। ছবির সাথে যদি পর্যাপ্ত লেখা না থাকে তাহলে অনেক সময়েই পোস্ট দাতার মনের সাথে পাঠক/ দর্শকের মনের সাথে মিল হয় না। ছবি যেমন পোস্টের সৌন্দর্য বাড়ায় তেমনি লেখা লেখকের ভাবনার গভীরতার প্রকাশ ঘটায়। তাই ব্যক্তিগত ভাবে শুধু ছবি দিয়ে ছবিব্লগ খুব একটা পছন্দ করি না।

        ছবি দেখতে ভালো লাগে আর লেখা নিয়ে ভাবতে ভালো লাগে। আর কোনো রহস্য নেই ☺☺

  8. আপনারা এই যে নিজেরা নিজেরা পুরুষ ব্লগার বলে আমাদের এনাকোন্ডা কইলেন। যখন আমরা সত্যি সত্যি তেড়ে আসব একেবারে জোরেসোরে তখন আপনারা ঢাল হিসেবে কি ব্যবহার করবেন?
    আর সব থেকে বড় কথা আমাদের দলে ভাবিও আছে। আপনার অনুভূতি কি?
    মানে, ঘগড়া করে ঠিক কতোদূর দৌড় দিতে পারবেন?

    1. আমি কিন্তু বলিনি!! আর এনাকোন্ডা উপাধি দিয়ে হেলাল ভাই সোনেলার নারীকুলকে সত্যিকার মর্যাদা দিয়েছেন আপু। পুরুষ ব্লগারদের বুঝতে হবে আসলে সোনেলার নারী ব্লগারগন কত শক্তিশালী।

      কাজেই আমরা আপনাদের সাথে পাশেই আছি যেমন আপনারা আমাদের পাশে আছেন।

      ভাবীকে আপনাদের দলে টেনে নিয়ে আমাকে একা ভাববেন না। অন্যান্যরাও আমার পাশে আছে কিন্তু☺☺

      দৌড় দেব কেন? একদম কচ্ছপ গতিতে হেঁটে গেলেও নাগাল পাবেন না 😜😜

      1. আবেগের দরজা জানালা সর্বাবস্থায় বন্ধ ঘোষিতত হইয়াছে নতুবা সমূহ বিপদের আশংকা আছে *** বি এওয়ার অফ আবেগ ###

      2. আমি পুরাপুরি একজন আবেগী মানবী তাই চাইলে ও আবেগের লাগাম সব সময় সব ক্ষেত্রে আকঁড়ে ধরে রাখতে পারিনা ভাই জান।

  9. লেখা এবং পরিবারের মধ্যে কোনটির প্রাধান্য বেশি?
    মানুষের জীবনে অনেক স্মরণীয় আনন্দের মূহুর্ত থাকে,
    আপনার জীবনের এমন স্মরণীয় দুটি আনন্দের মূহুর্ত?

    1. আপনি কই আছিলেন? নাকি সবার প্রশ্ন পড়ে এরপর জটিল ধাঁধা দিয়ে আমারে ফেইল করানোর ইচ্ছে?☺☺

      প্রশ্ন করার জন্য ধন্যবাদ জানবেন।🌹

      পরিবারের প্রাধান্য সবার আগে অবশ্যই, এটা নিশ্চিত জানবেন।

      স্বরনীয় আনন্দঘন মুহুর্ত অনেক আছে, এই মুহুর্তে মনে পড়ছে –
      ১. যেদিন সরকারি চাকুরীর নিয়োগপত্র হাতে পেয়েছিলাম।

      ২. যেদিন আমি আর আমার গিন্নী সমুদ্রের তীরে জোছনা উপভোগ করেছিলাম প্রথম এ সময় গুলো।

      এ দুটিই স্বরণীয় আনন্দঘন মুহুর্ত ছিলো।

      আরও কিছু ঝানতে চাইলে প্রশ্ন করবেন কিন্তু। সোনেলায় সকলেই ঝানতে চায়।

      ভালোবাসা জানবেন।🌹🌹

  10. ভাইয়া আপনার পেশার প্রভাব কি ব্যক্তি জীবনে রেখাপাত করে কখনো সখনো? এই দুইয়ের মাঝে কি আপনি সমান্তরাল থাকতে পারেন?

    1. অবশ্যই রেখাপাত করে আপু। অফিসের ঝামেলা মাথায় ঘুরপাক খেতে থাকলে বাসায় রাগারাগি শুরু হয়ে যায়। আবার এর বিপরীতটাও হয়।

      এই নিয়ে চিন্তায় আছি আপু। মুখে যতই বললি অফিসের কাজ অফিসে আর বাসার কাজ বাসায়, আমার সেটা সবসময় হয়ে ওঠেনা।

      ধন্যবাদ আপু।

      1. আনেকের কাছে ই খুব জোড় গলায় শুনেছি তারা নাকি পেশা আর ব্যক্তি জীবন কে খুব নিখুঁত রুপে ডিভাইডার করে চলতে পারেন অথচ কৌশল গুলো তারা প্রকাশ করতে চান না কেনো জানি না!
        চিন্তা করেন না ভাই তবে একটা কাজ করতে পারেন এই ডিভাইডার কিভাবে তৈরি করা যায় তা নিয়ে আস্তে আস্তে গবেষণা শুরু করতে পারেন। ইতোমধ্যে আমি নিজ্র তা শুরু করেছি ভাই জান….

    1. মোটেই উচিত না। সোনেলা আমাদের পরিবার, সেখানে বিভেদ থাকবে কেন?☺

      আর লেখক ছেলে মেয়ে যেই হোক আমরা তাদের লেখা পড়ি। এখানে লেখাই মুখ্য, লিঙ্গ ভেদাভেদ নয় ভাই।

      এটা আমার অভিমত।

      1. হুম *** ভেদাভেদের লড়াই করতে এখানে আমরা একদম ই সাচ্ছন্দ্যবোধ করি না, যে যার জায়গায় থেকে একজন আরেক জনের সহায় হবে অনুপ্রেরণায় ভরিয়ে রাখবে এবং প্রতিটি পদক্ষেপে সামনে এগিয়ে চলার পথ দেখাবে এই টাই হলো আসল লক্ষ্য আর অবশ্য ই আমরা নিজেদের মধ্যে একটা সম্মানজনক অবস্থানে থাকবো ইনশাআল্লাহ্‌ ♥♥♥

  11. আপনাকে কোনো বিষয় গুলো ভীষণ রকম মোটিভেট করে আর কার কার অনুপ্রেরণা আপনাকে সব চেয়ে বেশী উজ্জীবিত করে?

    1. নিরবে নিভৃতে অন্যের উপকার করা যেন বাম হাত জানতে না পারে ডান হাত দিয়ে আমি কার উপকার করেছি এটি আমার সবচেয়ে বড় মোটিভেট করে।

      আমি খুব অল্পেই সুখী থাকার চেষ্টা করি।

      আমার চাওয়ার পরিধি কম, অন্যের এটা আছে ওটা আছে, আমার কবে হবে! এই চিন্তাকে মনে প্রশ্রয় দেইনা।

      এরকম আরও অনেকে কিছু আছে যা আমাকে মোটিভেট করে।

      আর আছে দুটি প্রার্থনাঃ প্রশান্তি, ক্ষমাদান।

      আমার পরিবার এবং আমার মোটিভেশনাল গুরু আমাকে উজ্জীবিত করেন সবসময়।

      ধন্যবাদ আপু।☺

  12. আমার আরেকটি প্রশ্ন আপনার কাছে, সোনেলা ব্লগকে আরো সুন্দর করে পাঠকদের কাছে কিভাবে পরিবেশন করা যেতে পারে তা আবার লেখার মাধ্যমে?

    1. লেখাই হচ্ছে ব্লগের প্রাণ। ভিন্ন ভিন্ন লেখা একটি ব্লগকে এক অনন্যমাত্রায় নিয়ে আসে। সেক্ষেত্রে আমাদের সবচেয়ে বড় পাওয়া লেখক সমৃদ্ধ সোনেলা ব্লগ। সোনেলা এখন যেভাবে চলছে এটাই এখন ভালো মনে হচ্ছে আমার কাছে। যত বেশী লেখা আসবে তত বেশি পাঠক আকৃষ্ট হবে। তবে অনেক লেখকদের মিস করছি সবাই। তারা আবার সময় নিয়ে ফিরে আসুন সোনেলায় আশাকরি প্রাণচাঞ্চল্য আরও বেশী করে আসবে।

      ধন্যবাদ দাদা🌹

মন্তব্য করতে লগিন করুন অথবা নিবন্ধন করুন।