মূল লেখায় যান

প্রভুকে গোপনে খোলা চিঠি

ছাইরাছ হেলালএকান্ত অনুভূতি৩৫টি মন্তব্য

চুপিচুপি আজকে আপনাদের একটি ঘটনা না বলে আর পারছি না , চেপে রাখা যাচ্ছে না । রাখা ঠিক ও না । জানি ত হাটে হাঁড়ি ভাঙলেও কলসটি আপনারা দয়ার শরীর নিয়েই বাঁচিয়ে রাখবেন । আমরা তো আমরাই , পিত্তল দি না কিন্তু সোনা দি । শুনবেন কিন্তু চুপটি করেই ……………………

ইদানীং তাঁর সাথে সম্পর্কটি কিছুতেই ভাল যাচ্ছে না , টুকটাক দু’একটি আনুকূল্য ছাড়া (ডাহা মিথ্যে) কষ্মিন কালেও জবরজং জরজর গা ঘেঁষাঘেঁষি মিষ্টি মিষ্টি কিছু একটা ছিল তা কিছুতেই মনে করতে পারছি না । তবে কিছু একটি যে আছে (তাঁর দয়ায়) ডাঁট দেখিয়ে তা বুঝিয়ে দিতে কার্পণ্য করেন না ।

মেঘমু্খ হয়ে আছেন , তাঁর রুষ্টতা বেশ বোঝা যাচ্ছে । ভাগ্যিস বিজলী অনুপস্থিত (ঠাডা ডরাই) । যত দোষ তার সবটুকু এই সামান্য অবাধ্য অভাজনের , হবেই বা না কেন ? নাদান পাবলিক যে । ঘটনা হল ইদানীং কৌতুহলি এলেবেলে প্রশ্ন , প্রশ্নের পর প্রশ্ন , জ্যাঠা জ্যাঠা প্রশ্ন , ত্যাড়া ত্যাড়া প্রশ্ন । ‘বিশ্বাসে মিলায় বস্তু ’ আমার তাতে সমস্যা নেই (বাধ্য হয়ে) কিন্তু বিশ্বাস নামক পদার্থটি একটু ঘেঁটেঘুঁটে আঁতিপাঁতি করে নেড়েচেড়ে চেখেচুখে দেখতে চাওয়াই হয়েছে মহা অন্যায় । বিশ্বস্ত হয়েই বিশ্বস্ততা বুঝে নিতে চাই । চিঁড়ে চ্যাপ্টা হওয়া বা চট করে ধরে মট করে ঘাড় ঘুড়িয়ে দেওয়ার সক্ষমতা আছে তাত জানি ই। ল্যাঠা চুকানো এত্ত সহজ নয় ।

রাতের শেষতম প্রহরে পবিত্র পাঠের সময় আমার একান্ত সদালাপী সদাহাস্যময় সদয় সজ্জন সুহৃদের হঠাৎ অহেতুক তুমুল অসুস্থতার কথা মনে পড়ে , কৈ ? ম্যাজিক আরোগ্যের ন্যায় তো কিছু হচ্ছে না । এখন তো কেউ ‘হও’ বলছে না । নন্দদের ঘাড়ে সব সব দোষ , দোষের আকর । আচ্ছা স্বজনপ্রীতি বলেও তো একটি কথা আছে ঢেড় কানুনি ভিড়ে । কলিকালে প্রভু তোষণের নীতি ও কি উঠে যাচ্ছে ? ভাবছি এবার বিদ্রোহের সধূম পার্ট নিয়েই লব্জ করে ফেলব । ঈশ্বর এবারের মত চিঁড়ে ভিজিয়ে দাও ।

স্বপ্নকাতরতার সুখ নিয়েই ভাবছি , সাযুজ্যহীন হলেও ।

মোট পড়েছেনঃ ৭৯৪জনআজ পড়েছেনঃ ০জন

৩৫টি মন্তব্য

    1. নিকটজনের সুস্থতার জন্য প্রভুর কাছে দেন দরবার করছি ।
      ভুজুংভাজুং দিয়ে পটানোর বিফল চেষ্টা করি ।

      পড়েছি কঠিনের হাতে , আকুপাকুই সার ।
      প্রার্থনায় একটু আড়াল-আবডাল রাখতেই হয় ।

      কণ্ঠজীর মন্তব্য পেলে ভালই লাগে ।

    1. আরে নিকটজনের কাছে তো কিছুই আর গোপন রইল না ।
      নসিহত কই পেলেন ?
      প্রভুর সাথে দেনদরবার করে কিনারা করতেই বেহাল অবস্থা ।
      আপনিও ভাল থাকুন সবাইকে নিয়ে ।

  1. vai likhata pore ami r computere bose banglish kyborde bangla type kore montobbo korar jonno opekkha korte parlam na ty mobile theke english kyboar diyei banglish type kore pathaiye dilam.

    Ebar asi vai apnar lekhar kothay oti sontorpne karon apnar vasshomote etoko assoshosto holam je keu ekjon meghu mukh hoye achen. Apnar potro peye je uni amader chotrovongo korben na taro bissashe bissashi hote parlam na.
    Jaihok ami amke cine felechi apnar likha dara je ami lekhok howato durer kotha pathoko hote parbo na jibone. Amar je ki hobe??? Tobe apnar chithite ebar inshallah chira vijiyei diben.

    Shuv kamona roilo vai.

    1. অনেক অনেক ধন্যবাদ কষ্ট করে লিখছেন , তবে সময় নিয়ে বাংলায় কিন্তু আবারো এখানে মন্তব্য লিখতে
      হবে ।
      আপনারা শতভাগ নিরাপদ , নিশ্চয়তা আছে অন্য কারো দিকে এ বিষয়ে অগ্নিবাণ হানবেন না । শুধু কী মেঘমুখ !
      আগুনমুখো হয়ে আছেন (বাইরে থেকে) । কিছুতেই আমার প্রিয় জনের রোগমুক্তির লাইনে যাচ্ছেন না । আপনাকে একটি আরও গভীর গোপন খবর দিচ্ছি আগাপাশতলা না ভেবে জিগরি দোস্ত হিসাবে – রোগী ক্রমান্বয়ে ধীর গতিতে আরোগ্য লাভের পথে হাঁটতে শুরু করছেন । অবশ্য আমি তা স্বীকার না করে উচ্চগ্রামে চিল্লাপাল্লা জারী রাখব । আমার চাই ম্যাজিক আরোগ্য । আমার সাথে ধুনফুন চলবে না । দেখবেন আপনাকে আপন ভেবেই বলা , আবার রাষ্ট্র করে দিয়ে পাকা গুটি কাঁচা করে দেবে না যেন । আমি আবার পটানোর পটিমা কখনও দেখাতে পারিনা । ইচ্ছে করলে আপনি আমার জন্য হাল্কা দোয়া চালু রাখতে পারেন ।
      আপনার কী হবে মানে ? আপনার যা হওয়ার তাত হয়েই গেছে , আর কী ! আমাদের মত সামান্যের দিকে চোখপাতা কিন্তু ঠিক হচ্ছে না । শেষে কিন্তু নালিশ-ফালিশ করে দিলে শূলে চড়িয়ে ছেড়ে দেবে । সাবধান করে
      দিচ্ছি । চিঁড়ে কিন্তু হাল্কা ভিজছে । পবিত্রপাঠের মাজেজা ও বলতে পারেন ।
      আচ্ছা ভাল কথা , চোখ লাল বা লাল চোখ সিস্টেম ট্রাই করলে কিরাম অয় ? না মানে আপনার এ লাইনটি মোক্ষম মনে হচ্ছে । আমার জন্য লাগসই প্রযুক্তি হয় কী হয় না কে জানে ।

      আন্তরিক মন্তব্যের জন্য বেশি বেশি ধন্যবাদ , এক রাশ ও বলতে পারতাম । পরে না হয় বলে দেব সময়-সুযোগ
      করে । এই প্রথম কোন মন্তব্যের উত্তরে এত্তগুলো আবজাব লিখলাম । সবই প্রভুর কৃপা !
      বিধিরে আমায় ছাড়া রঙ্গ করার আর মানুষ পেলে না ……………

      1. না ঠিক আছে আমিও পাকা গুটি কাচা করতে যাব না আসলে যদি ম্যাজিক পাকা গুটিকে কাচা করেও দেয় তাহলে ধরি মরি হয়ে আধ কুজো (পুরো কুজো হলে ভেঙ্গে পরার সম্ভাবনা রয়েছে ) হয়ে কাধে করে মই এনে কাচা গুটির সামনে ধরে রাখব যাতে সময়ের বাজেটের মধ্যে পৌছে যেতে পারে।

        ধুম্বল বাজিয়ে, কাল নাগিনিকে নাচিয়ে যতই চিল্লা পাল্লা জারি করেন না কেন ম্যাজিক বুঝি আর দেখা হবে না যতদিন বাজেট মোতাবেক বিনয়োগ না হবে। শুনিতে শুনিতে কালা হয়ে গেলাম যে অনেকে আরোগ্য লাভের জন্য শত শত ডাক্তারের চেম্বারে চেম্বারে খুড়িয়ে খুড়িয়ে ঘুরিতে ঘুরিতে ক্লান্ত হইয়া যখন গাছের নিচে বসে পরে তখন ওই গাছের শিকড় খাইয়া শেষে আরোগ্য লাভ হয়। রোগ আসার সময় একটা সময়ের বাজেটের পান্ডুলিপি নিয়া আসে যত দিন বাজেট অনুযায়ী সময় পার না হয় ততদিন আর ম্যাজিক দেখা যায় না।

        তবে চোখ লাল কইরা আর কাটা ঘা-এ কাচা মরিচ দিয়ে দলা দিয়েন না হিতে বিপরীত হতে পারে।
        এত সব নিরাশার মাঝে যখন রোগী গোপনীয় ভাবে হাটতে শুরু করেছে আমার মনের হয় সে দ্রুত আরোগ্য লাভ করিবে যদিও চুপ করে বসে থাকা উপরের জন ঠিকই দেখতেছেন। দয়া করে উনি রাগ না করলেই হলো আর যদি করে মাসির সাথে পিসির উপরেও কিন্তু একই রুলস জারি হবে।

        শুভ রাত্রি ভাই। অনেক অনেক ধন্যবাদ রইল সাথে সেই ভিজানো চিরা যাতে না শুকায় সেই কামনা রইল।

      1. হে আল্লাহ! চিড়ে ভিজিয়ে একবারে গলিয়ে দাও!! এবারের মত দাও আল্লাহ!!! এর পর কখনো যদি চিড়ে শুকিয়ে ধান হয়ে যায় তাহলে আমি দায়ী থাকবো। প্লিজ আল্লাহ…প্লিজ প্লিজ প্লিজ!!! (দোয়া করে দিলাম 🙂 দম ফুরিয়ে যাচ্ছে এখন হা হা হা)

    1. দুঃখিত , আপনি বোধ করি ভুল পোস্টে মন্তব্য করেছেন ।

      বস্তুত এখানে এমন ধড়াচুড়োর কোন প্রহেলিকা লক্ষ্য করছি না । তবে যদি ধরে নেই এখানেই লিখেছেন তাহলে কিন্তু এক খান কতা আছে ।
      অনুগ্রহ পূর্বক আপনি মোনাজাতের খসড়াটি লক্ষ্য করতে পারেন ।
      (হে পরোয়ারদিগার , ধরণী দ্বিধা করুণ , এ অধম দুরন্ত দুর্মর বান্দা প্রবিষ্ট হবার বাসনা প্রকাশ করছে বা আমাকে উঠিয়ে নিন হে দয়াময় , অথবা নিদেন পক্ষে এক টুকরো ম্যানিলা রোপ ফেলুন ( কলা বা ঘি না মাখিয়ে ) বেয়ে উঠি বা চেষ্টা করি দুরারোহ জেনেও । একদম অপারগ হলে না হয় গলায় পড়ে ফেলব দুনু-মুনু না করে।)
      সুরতহাল রিপোর্টে থাকবে ‘ আত্মহত্যার চেষ্টা কালে অক্কা ’,বেশ থ্রিলিং থ্রিলিং হয় ।

      গোস্তাকি মাফ করবেন গুনী হয়ে , সামান্য দিল্লাগি মাত্র ।

  2. জ্যাঠা জ্যাঠা প্রশ্ন আবার কি জিনিস? এতো প্রশ্নের উত্তর দিয়েই বুঝি আর এখানে লেখার সময় হয়ে উঠছে না?
    হে প্রভু এবারের মতো বেচারার প্রতি সদয় হও। 🙂

    1. গুরু গম্ভীর জটিল প্রশ্নকে হাস্যোচ্ছলে আমরা এমন করে বলি ।
      কারিগরি ত্রুটির জন্য উত্তর দিতে দেরী হল বলে সত্যি দুঃখিত ।
      আপনাদের সহৃদয় দোয়া কাজে লাগতে শুরু করেছে ।

      সময়ানুগ সহানুভূতির জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ ।

মন্তব্য করতে লগিন করুন অথবা নিবন্ধন করুন।