মূল লেখায় যান

পাখি ড্রেস

পুষ্পবতীএকান্ত অনুভূতি১৬টি মন্তব্য

আমার ছোট বোন ক্লাস সিক্স এ পড়ে। এইবার ঈদে তারও চাই পাখি ড্রেস।

প্রথম রমজানের দিন মার্কেটে গেলাম। অনেক্ষণ পর একটা ড্রেস পছন্দ হলো কিনলাম।

বাসায় গিয়ে দেখি ড্রেসটা অনেক বড় হয়ে গেছে।

আমার খুব বিরক্ত লাগে কোন জিনিস কিনে আবার ফেরত দেওয়া।

কিন্ত কি করবো ফেরত দিয়ে ছোট সাইজের আনতে হবে।পরের দিন গেলাম আবার

দোকানদার বলল এইটাতো আমার দোকানের না,

কি বলছেন এইটা আপনার দোকানেরই।

ড্রেসটা খুব সুন্দর হয়েছে,আমার দোকানে পাখি ড্রেস আছে তবে এইরকম নাই
কত দিয়ে কিনেছেন?
তিন হাজার ?

আমি মনে মনে বললাম হ্যা।

দেখেন যদি না দেন তাহলে বলেন দিবোনা

মিথ্যা বলার কি দরকার?

আপা রোজা রেখে আপনার মাথা খারাপ হয়ে গেছে।

মাথা খারাপ আমার না আপনার হয়েছে।

দোকানের অন্য একটি ছেলে বলল মামার মত দেখতে
আরেকজন দোকানদার আছে গিয়ে দেখেন

আমি খুব টেনশনে পড়ে গেলাম কি করবো।ঠিক বুঝতে পারছিনা।
ওই দোকান থেকে বের হয়ে গেলাম।
মনে মনে ভাবছি দেখি দোকানটা খুঁজে পাই কিনা।

একটু এগিয়ে দেখি ওই দোকানটা –

লোকটাও আমাকে চিনতে পেরেছে –

পরে অন্য একটি ড্রেস নিলাম যার দাম আগেরটা থেকে কম

কিন্ত দোকানদার আমার থেকে আরো টাকা বাড়িয়ে নিলো।

চলে আসার সময় দোকানদার বলল-

আপা আগে যে দোকানে গিয়েছেন ওইটা আমার ভাইয়ের দোকান

আমরা জমজ ভাই –

তাই নাকি?

হ্যা,আমরা ৫ মিনিটের ছোট বড়।

খুব রাগ হলো আমার(আগের দোকানদার আমাকে বললেই হতো),কিন্ত কিছুই বলি নাই।

মোট পড়েছেনঃ ৮৫৫জনআজ পড়েছেনঃ ০জন
ঘরে বসেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন

১৬টি মন্তব্য

  1. দোকানদারগন সুযোগ পেলেই এই অবস্থায় দাম বারতি রাখে। এরাই আবার নামাজি হয়, নামাজ পড়ে এসে আবার এভাবে মানুষ ঠকায়।

    ভালো লিখেছেন।

    সোনেলা পাখিময় হয়ে গিয়েছে।

মন্তব্য করতে লগিন করুন অথবা নিবন্ধন করুন।

অনলাইনে ডাক্তার দেখাতে চান?