নদী ও নারী
কত সহজেই ভেবে নিলে তুমি!
তিল তিল করে বুকের হাড্ডি পাজঁড়ায়
জমে ওঠা তোমার অবহেলার ধুলো ৷
হৃদয়ের অলিন্দ থেকে নিলয় পর্যন্ত
জমাট বাঁধা বেদনার নীল রক্ত গুলো ৷
তোমার একটু স্পর্শেই কলকল করে
হেসে উঠবে যেন পাহাড়ী নদী ৷
নারী তো নদীই!
তবু একবারও ভাবলে না তুমি,
নদীরও অভিমান হয়৷
বুক চিরে জেগে ওঠে অভিমানের চর৷
তারপর সহস্র ঢেউয়ে সে চর যদি বা ভাঙে
কিছু কি রেখে যায়না কালের সাক্ষী করে?
মোট পড়েছেনঃ ১৫৬৭জনআজ পড়েছেনঃ ০জন


২৮টি মন্তব্য
রেখে যায় অনেক স্বৃতি, অনেক দুঃখ সুখের সাক্ষি হয়ে থাকে।
কবিতা ভালো লেগেছে। -{@
অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া
কবিতাটি বেশ ভাল লেগেছে।
ধন্যবাদ আপনাকে
ভালো লেগেছে 🙂
নদী ও নারীর মাঝে অনেক মিল থাকলেও নারী কখনো নদীর মতো করে পাড় ভাঙেনা। 🙁
ও দিদি নারীও পাড় ভাঙ্গে কখনো কখনো। যখন তার ধৈর্যের সীমা পার হয়ে যায়। 🙂
আমি কাপ-পিরিচ-থালাবাসন-গ্লাস আর মোবাইল ছাড়া কিছুই ভাঙতে পারিনা। 🙁
কপাল আমার ভাঙ্গলাম না কিছুই, গাড়ী এসে ভেঙ্গে দিয়ে গেলো পেলভিস বোনস :p
আহা!!
এত বেদনায় ভরা কবিতা!
পড়িয়া আবেগে আপ্লুত হলুম!
কবিতা ভালো লেগেছে! টেলেন্ট বলতে হয়। 🙂
এমন করে লিখলেন! কোথায় যেন একটা খটকা বোধ হচ্ছে! ভালো হয়নি না?
আরে না!
অনেক ভালো হইছে।
অশেষ কিছু থেকেই যায়, আমাদের জানা বা অজানায়।
লিখুন আর ও।
নদীও নারীর সনে কথা কয়
হুম তাই
ভাবনার গভীরতায় যাবার সময় এখন অনেক কমে গেছে। থাকুক যে যার মত। তবে অভিমান নিজের কষ্টই আনে, আর কিছুনা।
ভাল হয়েছে কবিতা।
নদী নারী,সাগর ও নরী।তাই তো তার ভিতরে বয়ে নেয় জীবনের যতো ময়লা।তা সে কিন্তু আবার এই জনসমুদ্রে আঁছড়ে ফেলে না।ফেলে দেয় জমাট বাঁধা গুমোট সেই না বলা বেদনা,অভিমান নির্জন কোনো দ্বিপে।নারী তুমি অদেখা অনেক রূপ।
নদী-নারীর কাব্য ভালো লেগেছে।
অনেক ধন্যবাদ নীলা আপু
সুন্দর খুবভাল লাগলো
নারী ও নদী
মিল আছে
।তবু একবারও ভাবলে না তুমি,
নদীরও অভিমান হয়৷
ধন্যবাদ ভাইয়া। শুভ কামনা
খুব ভাল লেগেছে কবিতা
-{@ -{@
অনেক ধন্যবাদ, সবসময় সহযোগিতা চাই। ভালো থাকবেন, শুভকামনা
নদী ও নারী সমার্থক
সুন্দর কবিতা।
মন্তব্যের জবাব দিচ্ছেন না যে -{@
ভাইয়া এই প্রশ্নের উত্তর দিতে অনেক সময় লাগবে
1. প্রথমত আমি এখানে নতুন, সবাই এতো ভালো লেখেন, উনারা যে কষ্ট করে আমার লেখা পড়েন আমি ভীষন কৃতজ্ঞ। উনাদের উত্তরে কি লিখবো ভেবেই পাইনা
2. অন্যদের লেখা পড়ার সুযোগই হচ্ছে না সময়ের অভাবে, অন্যদের লেখা পড়ে মন্তব্য না করে শুধু নিজের লেখার উত্তর দেয়াটাও তো উচিৎ হবে না
3. ব্যাংকার দের চাকরিটা এমন সারাক্ষন টাকা পয়সা নিয়ে রিস্কে থাকতে হয়, এই যে অফিস এ বসে লিখছি সত্যিই কঠিন এটা। আমি একটা শাখার ডেপুটি হিসেবে আছি
4. সারাদিন অফিস ফেরত ছোট দুটো মেয়ের দেখা শোনা করতে হয়। জানি এগুলো খোড়া যুক্তি তবু সত্যিই আমি সময়ই পাইনা
5. ভাইয়া আমার এই উত্তরটা কপি করে কি হেলাল ভাইয়াকে দেওয়া যাবে?
6. সবাই ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে না দেখলে আমি বরং এখানে না লিখি। সবাই ভালো থাকবেন।
আপনি সময় পেলে জবাব দিবেন বা লিখবেন।
জীবনের যাবতীয় কাজের অবসরে ব্লগ
ব্লগ আগে নয় কোন ক্রমেই।
শুভকামনা আপনার জন্য।
বাঁশি একবার ভেঙে গেলে তাতে আগের মত আর সুর উঠেনা | নারীও তেমনই
অরু আপু ধন্যবাদ।