মূল লেখায় যান

ধরলা নদী

আরজু মুক্তাকবিতা৪৬টি মন্তব্য

ভুল করে কতো জায়গায় যাও
একদিন ধরলার পাড়ে চলে এসো,
আমি তো নদীর মতোই স্রোতস্বিনী
উথাল পাথাল ঢেউয়ে মাতিয়ে রাখবো!

পা ভিজিয়ে দেখবে—-
বালি হাঁস আর মাছরাঙার ওড়াওড়ি
তোমার মনও বাঁধা পরবে;
চিৎকার করে বলো’ভালোবাসি’!

মুখ ফিরিয়ে নিলে চর জমাট বাঁধবে
বিরহে মৃণালিনী করুণ সুর বাজাবে!
আমি ধরলাকে বিধবার চিৎকার হতে দেবোনা!

তুমি হাত ধরো; ভরিয়ে দাও নদীর দুকূল!!

 

★★ আমাদের শহরের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে ধরলা নদী, যার উৎপত্তি ভারতের আসামে। তাকে নিয়ে এই লিখাটা।

মোট পড়েছেনঃ ২৩৩৩জনআজ পড়েছেনঃ ০জন
ঘরে বসেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন

৪৬টি মন্তব্য

  1. ভুল করে কতো জায়গায় যাও
    একদিন ধরলার পাড়ে চলে এসো,
    আমি তো নদীর মতোই স্রোতস্বিনী
    উথাল পাথাল ঢেউয়ে মাতিয়ে রাখবো!

    পোস্টের ছবিটি কি সত্যিকারের ধরলা নদী? যদি তা-ই হয়, তাহলে তো দেখা যায় শান্ত নীরব স্রোতহীন এক পাহাড়ি সরোবর।
    যাইহোক পূর্ণ ঠিকানা পেলে গিয়ে স্বচক্ষে দেখে আসার ইচ্ছে আশে। ধন্যবাদ।

  2. [si] পা ভিজিয়ে দেখবে—-
    বালি হাঁস আর মাছরাঙার ওড়াওড়ি
    তোমার মনও বাঁধা পরবে;
    চিৎকার করে বলো’ভালোবাসি’ [/si]

    এই কথাগুলোর মাঝে মাদকতা আছে, ধরলায় পা ডুবিয়ে আমি একদিন বসতে চাই।

  3. ধরলার পারে গিয়েছিলাম অনেক আগে একবার, তখনো ব্রীজ হয়নি। এখন কেমন লাগে কে জানে? ধরলা নিয়ে লেখা ভালো লেগেছে। এমন আমন্ত্রণ না করবে কোন পাঠক??

    শুভকামনা আপু।

  4. পা ভিজিয়ে দেখবে—-
    বালি হাঁস আর মাছরাঙার ওড়াওড়ি
    তোমার মনও বাঁধা পরবে;
    চিৎকার করে বলো’ভালোবাসি’!

    চমৎকার অনুভুতি।নদীকে কতটা আপন ভাবলে এমনটি ভাবা যায়।

      1. কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ি এবং ভুরুঙ্গামারীতে গেছি। আমি গত ৪/৫ বছর থেকে শীতকালে ওখানে শীতবস্ত্র পাঠাই।
        ‘‘অবসর প্রাপ্ত সেনা ও মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ সমিতি’’ ভূরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম, আমাকে সমাজসেবার জন্য সম্মাননা ক্রেস্ট দিয়েছে।

  5. “পা ভিজিয়ে দেখবে—-
    বালি হাঁস আর মাছরাঙার ওড়াওড়ি
    তোমার মনও বাঁধা পরবে;
    চিৎকার করে বলো’ভালোবাসি’!”

    বাহ বেশ ভাল লাগলো। পরপর ৩ বার পড়লাম। পড়ার পর কেমন যেন একটা রেশ থেকে গেলো……

মন্তব্য করতে লগিন করুন অথবা নিবন্ধন করুন।

অনলাইনে ডাক্তার দেখাতে চান?