ধরলা নদী

ভুল করে কতো জায়গায় যাও
একদিন ধরলার পাড়ে চলে এসো,
আমি তো নদীর মতোই স্রোতস্বিনী
উথাল পাথাল ঢেউয়ে মাতিয়ে রাখবো!
পা ভিজিয়ে দেখবে—-
বালি হাঁস আর মাছরাঙার ওড়াওড়ি
তোমার মনও বাঁধা পরবে;
চিৎকার করে বলো’ভালোবাসি’!
মুখ ফিরিয়ে নিলে চর জমাট বাঁধবে
বিরহে মৃণালিনী করুণ সুর বাজাবে!
আমি ধরলাকে বিধবার চিৎকার হতে দেবোনা!
তুমি হাত ধরো; ভরিয়ে দাও নদীর দুকূল!!
★★ আমাদের শহরের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে ধরলা নদী, যার উৎপত্তি ভারতের আসামে। তাকে নিয়ে এই লিখাটা।
মোট পড়েছেনঃ ২৩৩৩জনআজ পড়েছেনঃ ০জন




৪৬টি মন্তব্য
‘ভুল করে কতো জায়গায় যাও
একদিন ধরলার পাড়ে চলে এসো,’
যাবো একদিন।
ব্লগের সব সদস্যদের নিয়ে যাবো, তখন না বলা যাবেনা।
অপেক্ষায় রইলাম।
গরবী ধরলা। একদিন ভুল করে হলেও এসে দেখে যাও, কেমন করে রেখেছি তারে ভালবাসার বন্ধনে।
সুন্দর কমেন্টস! শুভকামনা আপি।
ভুল করে কতো জায়গায় যাও
একদিন ধরলার পাড়ে চলে এসো,
যেতে হবে.
তবে দেরি কেনো?
একেবারে তৌহিদের বাড়ির কাছে নদী।
ঠিক কাছে না, ৫০ কিলো দূরে।
ভুল করে কতো জায়গায় যাও
একদিন ধরলার পাড়ে চলে এসো।
চমৎকার রচনাশৈলী কবিতা দিদি, ভালো লাগলো খুব,
শুভকামনা।
পোস্টের ছবিটি কি সত্যিকারের ধরলা নদী? যদি তা-ই হয়, তাহলে তো দেখা যায় শান্ত নীরব স্রোতহীন এক পাহাড়ি সরোবর।
যাইহোক পূর্ণ ঠিকানা পেলে গিয়ে স্বচক্ষে দেখে আসার ইচ্ছে আশে। ধন্যবাদ।
এটা শীতকালের ছবি। একদম অরজিনাল ধরলার ছবি।
শুভকামনা
[si] পা ভিজিয়ে দেখবে—-
বালি হাঁস আর মাছরাঙার ওড়াওড়ি
তোমার মনও বাঁধা পরবে;
চিৎকার করে বলো’ভালোবাসি’ [/si]
এই কথাগুলোর মাঝে মাদকতা আছে, ধরলায় পা ডুবিয়ে আমি একদিন বসতে চাই।
পা না ডুবালে কি চলবে? প্রকৃতি বুঝতে হবে।
[image removed]
আমি কিন্তু চিনি কম খাই।
চিনি কম খাওয়া ভালো আপু
আমি তো নদীর মতোই স্রোতস্বিনী
উথাল পাথাল ঢেউয়ে মাতিয়ে রাখবো!
না না – আর মুখ ফিরিয়ে নিবো না-
কি চমৎকার লিখেছেন,
শুভেচ্ছা আপনাকে।
শুভকামনা
স্বেচ্ছায় মাড়াবে না জানি ধরলার পাড়
ভুল করে ভুল পথ ধরে
মনে ভুলেই না হয় এসো
তবুও এসো একদিন
সুন্দর আহ্বান
জি আপু, মন্তব্য ভালো লেগেছে। কবিতা সবাই বোঝে না।
শুভকামনা।
মনের কথা বুঝতে পেরেছেন।
শুভকামনা।
দারুন,
এমন ধরলা পেলে শুধু দু’কূল না সব কূল প্লাবনে ভরে দেয়ার সাধ থেকেই যাবে।
চমৎকার কমেন্ট।
শুভকামনা। সাধটা ধরে রাখেন।
পা ভিজিয়ে দেখবে—-
বালি হাঁস আর মাছরাঙার ওড়াওড়ি
তোমার মনও বাঁধা পরবে;
চিৎকার করে বলো’ভালোবাসি’!
শুভকামনা, ভাই।
ধরলার পারে গিয়েছিলাম অনেক আগে একবার, তখনো ব্রীজ হয়নি। এখন কেমন লাগে কে জানে? ধরলা নিয়ে লেখা ভালো লেগেছে। এমন আমন্ত্রণ না করবে কোন পাঠক??
শুভকামনা আপু।
প্রীত হলাম।
শুভকামনা।
কী মিষ্টি কবিতা!!
শুভকামনা আপু।
যাবো যাবো…
আচ্ছা,
তখন কি এই ধরলা প্রেমিক কে পাবো???
হুম। সবসময় পাবেন।
আচ্ছা আচ্ছা
পা ভিজিয়ে দেখবে—-
বালি হাঁস আর মাছরাঙার ওড়াওড়ি
তোমার মনও বাঁধা পরবে;
চিৎকার করে বলো’ভালোবাসি’!
চমৎকার অনুভুতি।নদীকে কতটা আপন ভাবলে এমনটি ভাবা যায়।
আপনার কমেন্ট বরাবরি ভালো লাগে।
ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ আপু।
ভুলেও তারা এ জায়গায় আসতে চায় না,কেননা সমস্ত ভুলের চরন ভূমি এ ধরলার পার।
আপু খুব ভালো লাগলো।
আপু আপনি যে কি বুঝলেন? ওভাবে বলা হয়নি।
তবুও ভালো লেগেছে, জেনে খুশি হলাম।
নদী আমায় বরাবরই টানে। এটা কোন জেলা দিয়ে বয়ে গেছে। মনে হচ্ছে এখানে আমি গেছি!
এটা, কুড়িগ্রাম জেলার মধ্য দিয়ে গেছে।
কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ি এবং ভুরুঙ্গামারীতে গেছি। আমি গত ৪/৫ বছর থেকে শীতকালে ওখানে শীতবস্ত্র পাঠাই।
‘‘অবসর প্রাপ্ত সেনা ও মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ সমিতি’’ ভূরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম, আমাকে সমাজসেবার জন্য সম্মাননা ক্রেস্ট দিয়েছে।
ধরলা নদীকে নিয়ে লেখা কবিতা অনেক ভালো হয়েছে।
শুভ কামনা।
ধন্যবাদ দাদা
“পা ভিজিয়ে দেখবে—-
বালি হাঁস আর মাছরাঙার ওড়াওড়ি
তোমার মনও বাঁধা পরবে;
চিৎকার করে বলো’ভালোবাসি’!”
বাহ বেশ ভাল লাগলো। পরপর ৩ বার পড়লাম। পড়ার পর কেমন যেন একটা রেশ থেকে গেলো……
রেশ থাকলেই খুশি।