মূল লেখায় যান

কিভাবে তৈরী করবেন অত্যন্ত সুস্বাদু খাবার

মেহেরী তাজএকান্ত অনুভূতি, রম্য২৮টি মন্তব্য

আমার এই লেখাটা তাদের জন্য ডেডিকেটেড যারা নিজের রান্না খাবার খেতে খেতে বিরক্ত।

নিজের রান্না করা চলে/ ফালতু/ মোটামুটি রকম খাবার কিভাবে অসাধারণ মনে হবে তার বর্ণনাঃ
রাতে ও সকালে হালাকা খাবার খেতে হবে । বেলা ১২ টার সময় তরকারী কেরাসিন এর স্টোভে চাপাতে হবে।অবশ্যই স্টোভে তেল কম থাকতে হবে যাতে তরকারি অর্ধেক সেদ্ধ হতেই স্টোভ দপ করে নিভে যায় । এবার সবকটা রুম্মেটের স্টোভ চেক করে দেখা যাবে কোনটাতেই তেল নেই।
ঝটপট রেডি হতে হবে চারতলা থেকে নিচে নামার জন্য। নিচ তলায় এসে মনে হবে ভুল করে টাকা ফেলে এসেছি। উপরে উঠে টাকা নিয়ে পুনরায় নিচে নামতে হবে।
দোকানে গিয়ে দেখা যাবে সেই ভিড়। সিগারেটের ধুয়ায় শ্বাস কষ্ট হয়,কিন্তু দেখা যাবে নিজের ঠিক পাশেই একজন মনের সুখে সিগারেট টানছেন। নিশ্বাস বন্ধ রেখে তেল নিয়ে ছুটে রুমে আসতে হবে। এবার স্টোভে তেল তুলে স্টোভ জালিয়ে আধা সেদ্ধ তরকারি স্টোভে চাপাতে হবে। এর মাঝে ভাতের মার গালানো ও স্নান টা করে নিতে হবে। মাঝে দু এক বার ফেসবুক বা ব্লগ বা গ্রুপে ঢু মারা যেতে পারে।

তরকারি হয়ে গেছে। ঘড়িতে সময় দুপুর দুটা। এবার খাওয়া যায়ত
ওহ হ্যা আর একটু সবুর করতে হবে কারন সবুরে মেওয়া ফলে।
রুমে পানি নাই।
আর একবার চারতলা থেকে নিচে নেমে পানি নিয়ে আসতে হবে।
পানি আনা হয়ে গেলে এবার মাদুর বিছিয়ে গ্লাসে পানি ঢেলে প্লেটে ভাত নিয়ে তারপর তরকারি নিয়ে, খুব আয়েশ করে খেতে হবে।

এই খাবার অবশ্যই অনেক সুস্বাদু মনে হবে 🙂

মোট পড়েছেনঃ ৭৪০জনআজ পড়েছেনঃ ০জন

২৮টি মন্তব্য

  1. এমন সুস্বাদু খাবার খাওয়ার জন্য এত্তো পরিশ্রম করতে হবে?..
    আমার কি হবে?..আমিতো বিরাট আলসে টাইপের..আমার কি নিজের রান্না করা সুস্বাদু খাবার কখনো খাওয়া হবে না ;?

  2. হা হা হা তুমি বেজায় দুস্ট মেয়ে। :D)
    তবে দেখ তোমার কস্ট দেখে ভীষণ মন খারাপ হয়েছে আমার, এই যে দেখ 🙁
    আমার থিউরী উল্টা। অইসময় যদি কোনভাবে তাজের প্লেটে হানা দিতে পারতাম, সব খেয়ে ফেলতে পারতাম তাহলে সেটাই হতো সবচেয়ে সুস্বাদু খাবার 😀

      1. মানে কি??? শয়তানি ভূত-৩ কি লীলাপুর উৎসাহে??? :p

        তবে পিচ্চি তাজের বলিহারি!

        চিন্তাইতাসি, যেদিন এর পোলা মাইয়া ইকটু বড় হইবো হেইদিন তাগোর লগে কি করবো!!!!!!!! :p :D)

        1. না লীলা আপুর দোষ না। 🙁

          আমি এখন বড় হয়ে অনেক শান’ত হয়ে গেছি। ছোট দের সাথে তো আর সব সময় ফান করা যায় না। এখন ভারিক্কি একটা ভাব নিয়ে থাকি।প্রয়োজন এর বেশি কোন কথা বলি না। 🙁

মন্তব্য করতে লগিন করুন অথবা নিবন্ধন করুন।