রূপকথা…..৩

ছাইরাছ হেলাল ১ অক্টোবর ২০১৫, বৃহস্পতিবার, ০৭:০০:৫০অপরাহ্ন একান্ত অনুভূতি ৬৪ মন্তব্য

এই যে শুনছেন, আসুন আসুন, কিছু গল্পের সাথে তাকাতাকি করি, পচা গপ্পো টাইপের কিছু একটা,

এক দেশে ছিল এক রাজা, তার ছিল আধা কুড়ি রানী!! (কেমনে কী),এবং প্রতি বছর এক দু’জন নূতন রানী যোগ হচ্ছেন নিয়ম করে, হাতিশাল ঘোড়াশাল বাঘশাল … সবই শালময়। ভাববেন না যেন আবার চামে
সোয়াজিল্যান্ডের গপ্পো ফেঁদে বসছি।
নাহ্‌, জুত মত হচ্ছে না, বাদ দিচ্ছি, এবারে অন্য,
আপনারা ইচ্ছে হলে এর সাথে যোগ বিয়োগ দিয়ে নিজেরা চালিয়ে নিতে পারেন,  আবার এখানেও জানাতে পারেন।

মনে পড়ছে, দাঁড়ান দাঁড়ান,

কাক-কলসির গল্প, ‘দাড়া কাউয়া পাতি কাউয়ারে করে রে’ তা কিন্তু না। ঐ যে এক তৃষিত কাক পানি পানের নিমিত্তে কী সব করেছিল, কলস ঠোকড়াইয়া ফুটো করার চেষ্টা থেকে প্রস্তর খণ্ড নিক্ষেপ পূর্বক হৃদঠান্ডা প্রযুক্তির প্রবল উদ্ভাবন করত কী কী যেন,
এসব ইতংবিতং বাদ।

ব্যঙ্গ মা ব্যঙ্গ মী, হুস………এসব এখন আর হালে জল পায় না,
এত্তো সোজা না।

আচ্ছা, হালফিলের দহরম-মহরমের গল্প বলি……………

এক ভাইয়ামনি আর আপামনির গপ্পো, খুব ভাব, গলাগলির মাত্রা প্রকট ভাবেই বন্ধুত্বপূর্ণ ও তীব্র সম্মান জনক। ঘটনা হল একদিন খাওয়ার টেবিলে ভাঁজা ইলিশের ডিমের বড় অংশ কে খাবে তা নিয়ে তুমুল বিতণ্ডা শেষে সপ্তম আড়ির আদান-প্রদান হয়ে গেল। তাতে অবশ্য কোন সমস্যা হচ্ছিল না প্রকাশ্যে। ভেতরে ভেতরে সপ্তমার্গিয় আড়ির ভার কেউই বহন করতে পারছিল না,
ব্যাপারটি সূচ্যগ্র মেদিনী ছেড়ে না দেয়ার মত কিছু না। জগদ্দল পাথরটি একটু যেন নড়ে বসল। আপডেট নিয়ে পড়ে আসছি। ধুর আপডেট আবার কী? জানি ই তো, দিন শেষে আমরা আমরা ই তো সিস্টেম।
এটি শেষ।

এবারে নারীস্থানের গপ্পো।

বয়স্ক শিশুরা এবারে গাঁটটি গোল পূর্বক অন্যত্র গমন করা বেহেতের, মুখব্যদন করে বসে থেকে বিশেষ সুবিধা হপে না, ভাগোয়াট দেয়াই দস্তুর বৈকি।

যাক যা বলছিলাম………
গুটি কয়েক পঞ্চদশবর্ষীয় ভুঁড়িওয়ালী এ রাজ্যের প্রবল হর্তাকর্তা। প্রকৃতিই নারীস্থান, নো অন্য প্রজাতি এলাউড। আশঙ্কা জনক ভাবে পণ্ডিত, কবি সাহিত্যিক, গানওয়ালী, নাচনেওয়ালী, আবৃত্তিওয়ালী আরও কত কী(মূলে কিছু না, ভং পাবলিক), ধড়াকে সরাজ্ঞান করে ভাঙ্গা ঠ্যাং নিয়ে দাপিয়ে বেড়াবার বিফল চেষ্টা নেয়। গোস্তাকি মাফ পূর্বক জানতে চেয়েছিলাম—জন্ম সনদ বিধি প্রণয়নের নীতিমালা কেমনে কী? বমনেচ্ছা উদ্রেককারী কুদৃষ্টিপূর্ণ চাহুনিজনিত মনোভাবের জন্য একটু ঢিমে তালে কাজ চালাতে হচ্ছে গুপ্ত স্থানে, এই তথ্য জানাল। উল্লেখ্য একটি জুটিকে বেশ কণ্ঠলগ্ন হয়ে চলতে দেখে, চকিতে সামনে উদ্য় হয়ে বিম্বৌষ্ঠধারীদের সকর্ম ও অকর্ম ক্রিয়ার সংজ্ঞা নির্ণয় পূর্বক বাক্য রচনা করতে বললে যা উত্তর পেলাম তা প্রকাশ বিধির আওতায় পড়ে না। আপাতত দ্রুত পায়ে লম্বা দিলাম।

ভীমরথী কথন,
শিশুরা ঘুম যাও। ইহা অতি অবশ্যই বড়দের,

এক দেশ যেখানে ছিল অনেক পাকা বুড়োর নিবাস। জবরজং ভাবে সবই ভালো চলছিল, হঠাৎ ষাটোর্ধ টেঁকো ফ্যা ফ্যা রকমের অকর্মণ্য কাকভুশণ্ডি কাকধ্বজ পাঁড়নেশারু কবর প্রান্তে দাঁড়িয়ে নবযৌবন প্রাপ্ত হয়ে নাতনী সম নিতান্ত সহজপ্রাণ সরল অষ্টাদশবর্ষীয় এক কন্যার পাণি গ্রহণ করে বসলেন। তক্কে তক্কে থেকে হঠাৎ একদিন সব বন্ধুরা মিলে চ্যাংদোলা করে গ্রাম্য হাটের দিনে ধরে এনে হাটসম্মুখে মাথা ন্যাড়া করত ঘোলের পরিবর্তে কাঁদা মেখে উন্মুক্ত পশ্চাৎ দেশে জালি বেত সহযোগে নলায় বাঁশকল (বাশঁডলা) প্রয়োগে দেশান্তরী হওয়ার মুচলেকায় গ্রাম ছাড়া হলো। আচমকা বছর পাঁচেক পর একটি পাঁচ কী ছ’মাস বয়সী কন্যা সন্তান বগলদাবা করে উল্লম্ব পিঠে গিটার ঝুলিয়ে উলঝুল গতানুশোচনাবিহীন উল্বন ভাবে তাকে আবার উদয় হতে দেখা গেল। ঢোল সহরতে আগাম ঘোষণা দিয়ে হাটের দিনে ধরে আনা হলো এবার, কঠিনতম শাস্তি আসন্ন, দোররা থেকে ইষ্টক নিক্ষেপ সহ (ইষ্টক ঝোলানোর ব্যবস্থাও আছে) অনেক কিছুরই সম্ভাবনা থাকছে,(কিন্তু চিলতা হাসি মেখে গুনগুনাচ্ছে ……আমাকে আমার মত থাকতে দাও………)
কিন্তু নিষ্পাপ শিশুটির দিকে তাকিয়ে বিচার সভা আপাতত স্থগিত হয়ে গেল।
আপনাদের যথা সময়ে বিচারিক কার্যক্রমের আপডেট জানান হপে।

সবাই নিজ দায়িত্বে বহিস্কার কার্যে ব্রতি হন।

৮৩০জন ৮৩০জন
0 Shares

৬৪টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ