12091193_721320497973031_2830055425578420140_o

ইচ্ছে করলেই উপরে ফেলা যায় না শুভ্রতাদের। হৃদয়ের আনাচে কানাচে বিচরণ তাঁদের। এদের কেউ ফুল হয়ে হাসে, কেউবা হৃদয়ের টলটলে পুকুরের জলে সাতার কাটে, পাখি হয়ে উড়তে থাকে হৃদ আকাশে। স্ফটিকের দানার মতো, মুক্তো হয়ে ঔজ্জ্বল্য ছড়ায়, আলোকিত করে দৃশ্যমান জগৎ।
অতীতের স্বর্ণালী জীবনের কথা ভীর করে স্মৃতি ঘরে।   স্মৃতির স্মৃতিরা কাঠঠোকরার মত শব্দ করে ঠক ঠক কোন এক মধ্য দুপুরে বা গভীর রাত্রিতে।

সেই কবে প্রাচ্যের ভ্যানিশ বলে খ্যাত শহরে পরিচয়ের পরে কেটে গিয়েছে প্রায় তিন যুগ। এখনো সেসব স্মৃতিরা ঝুলে আছে মায়ায়। মায়ার মায়ায় আটকে থাকে অনুভবে, শব্দেরা সেখানে পৌছে না। গীটারের সাথে সেই ‘এই নীল মণিহার, এই স্বর্নালী দিনে তোমায় দিয়ে গেলাম শুধু মনে রেখো’  হেরে গলায় গাওয়া গান, দক্ষিণ বাড্ডার সে বাসায় অসংখ্য রাত জাগা ক্ষণ, যেখানে ছিল প্রাণের স্পন্দন। অনুপও কি ছিলো সেখানে? আজ নেই সেসব রাত্রি দিন, মায়ারা কি ঝুলে থাকেনি আমাদের মাঝে ?

রোনালছে রোডের সেই একান্ত ছোট কুঠুরির কি কম মায়া? রাত জাগা পাখিদের একজন ইতস্তত এলোমেলো করা রেডিও পার্টস, ঘ্যাঙ ঘ্যাঙ করা শব্দ, অগোছালো একমাসের কুচকানো বিছানার চাদর, তুলো বের হওয়া বালিশ, দাড়িয়ালটা নাকি মরেই গেলো। কিসের বন্ধুত্ব দাড়িয়াল!! চলে যাবার সময় বলেও গেলি না শালা।

মায়ার পোষাকে নিজেদের জড়িয়ে পদ্মার চড়ে দাঁড়িয়ে একসাথে ডাব খাওয়া। ‘শুধু ছবিই কথা বলে’ কথাকে মিথ্যে প্রমাণিত করে ছবি না দেখেই তো চোখের সামনে রঙ্গিন সে সব ত্রিমাত্রিক হয়ে ঝুলে আছে। বনানী অফিসে সেই মায়াদের ভীর বা গুলশানের চায়নিজের সামনের লনে বসে থেকে মুখে আগুনের উত্তাপ তো এখনো। ধানসিঁড়ি নদীর সিঁড়িতে বসে তিন সবুজ বুড়োর (মতান্তরে তারা নাকি আবার যুবক) আড্ডা দেখা যাচ্ছে না স্বচ্ছ পানির মত?

12088529_721193051319109_1519512742768537332_n
দূরত্ব যতই হোক
সব……সব কিছুই এমনি করে ঝুলে থাকে মায়া হয়ে।

উৎসর্গঃ তোরে আমি খাইছি, সামনে পাইয়া লই…………স্পর্শ নিবি? হাত পা ভাঙ্গা বাদেই?

৫১২জন ৫১২জন
0 Shares

৫৬টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ