হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম-মহাসচিব মাইনুদ্দিন রুহী গত শনিবার চট্টগ্রাম মহানগরীর হেফাজত ইসলাম আয়োজিত ইফতার ও দোয়া অনুষ্ঠানের বক্তৃতায় ঢাকাস্থ ইসরাইলি দুতাবাস ঘেরাওয়ের কর্মসূচী ঘোষনা করেন ।

সম্প্রতি ইসরাইলি অব্যাহত বিমান হামলায় প্যালেষ্টাইনের গাজায় শিশু নারী পুরুষ নিহত হবার প্রেক্ষিতে মুসলিম বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বেশী প্রতিবাদী ভুমিকা রাখছে বাংলাদেশের মুসলমানগণ । সহিংসতা যেহেতু গাজায় , সেহেতু গাঁজা এখন বাতাসের সাথে মিশে গিয়ে একটি নেশা নেশা ভাব ধরিয়েছে অনেকের মনেই। এই ভাবের মাত্রা অনেকের ক্ষেত্রেই উচ্চ হয়ে থাকে। যুগ্ম-মহাসচিব মাইনুদ্দিন রুহী এখন সেই উচু স্তরে অবস্থান করছেন ।

আসুন দেখে নেই গাঁজার প্রভাবে এর পরবর্তি ঘটনা সমুহ:

দিগন্ত টিভিঃ
দর্শক আপনারা দেখতে পাচ্ছেন ইসরাইলি দুতাবাসের সামনে হাগার হাগার তৌহিদী মুসলিম গনতা হেফাগতির ডাকে গড়ো হয়েছে। তাঁরা নারায়ে তাকবীর আল্লাহ হু আকবর ধ্বনিতে এলাকা প্রকম্পিত করে রেখেছে। কিছুক্ষন আগে পুলিশ এসে কিছু কাদুনে গ্যাস নিক্ষেপ করে ঘেরাও কর্মসুচি নস্যাৎ করার অপচেষ্টা করলেও, হেফাগতিদের ধাওয়ার মুখে পুলিশ পালিয়ে যায়। এই যে দেখুন হেফাগতিরা এখন রাস্তার ডিভাইডার ভেঙ্গে ইসরাইলি দুতাবাসের দিকে নিক্ষেপ করছে।

আমারদেশঃ
হেফাগতের শান্তিপুর্ন ইসরাইলি দুতাবাস কর্মসুচির উপর সরকারের নগ্ন হামলা। পুলিশের গুলিতে ৩৫০০ হেফাগতির মৃত্যু । ইসলাম বিরোধী নাস্তিক হাসিনা সরকারের এই মুহুর্তে পদত্যাগ দাবী করলেন দেশ নেত্রী খালেদা গিয়া।

দৈনিক নয়া দিগন্তঃ
রাতের আধারে লাশ গায়েব , মৃতের সংখ্যা পাঁচ হাজারের বেশী। এই সরকার ইহুদীদের স্বার্থ রক্ষা করে তাঁদের দুতাবাস পাহাড়া দেয়, আর নিরীহ ইসলামের রক্ষক হেফাগতিদের হত্যা করে।

প্রথম আলোঃ
হেফাগতিদের ঘেরাও কর্মসুচী বানচাল করায় হিন্দু এলাকায় মিষ্টি বিতরন। মন্দিরে মন্দিরে বিশেষ প্রার্থনা ।

বাঁশেরকেল্লাঃ সত্য প্রকাশে আমরা নির্ভক
শহীদের রক্ত বৃথা যাবে না , প্রত্যক্ষ দর্শির স্বাক্ষ হতে গানা গায় গে, ভারতীয় হেলিকপ্টারে নিহত সব শহীদের লাশ ভারতে নিয়ে যাওয়া হয়। আমাদের এক সাথী ভাই , চিলের বেশ ধারন করে হ্যালিকপ্টারের পিছে পিছে উড়ে গিয়ে সব কিছু নিজের চোখে দেখে এসেছে। বুড়িমারি চেকপোষ্টের এক কিলোমিটার দূরে একটি অতি পুরাতন বট গাছ আছে, সেই বট গাছের পাশেই সবাইকে গন কবর দেয়া হয়েছে। একজন মুসলমান নিশ্চয়ই মিথ্যে কথা বলবেন না তাইনা ?
Like:97240 …………… Share; 22740

অঃকঃ আচ্ছা বলুনতো রুহির গর্দান এট মোটা কেন ? মাগনা বসে বসে খেলে কি এমন হয়? আয় রোজগারের চিন্তা নাই, কোন ইনকাম ট্যাক্স নাই , ভ্যাট নাই। সারাদিন বসে বসে ছেলেদের কচি রান দেখা আর মেয়েদের কপ্লিত উলংগ দেহ ব্যতীত আর কি দেখতে পারে এনারা ?
বাংলাদেশে যে ইসরালের দুতাবাস নাই, এইডা কেমনে জানবে এই ছাগলেরা? এদের জানার দৌড় তো তেতুল পর্যন্ত।

 

৩৫১জন ৩৫১জন
0 Shares

২৪টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ