একটি অতীব অজরুরী ঘো………ষ………ণা

ছাইরাছ হেলাল ২৫ নভেম্বর ২০১৬, শুক্রবার, ১১:৩৮:৫৬পূর্বাহ্ন একান্ত অনুভূতি ৩৪ মন্তব্য

হে প্রবল ও প্রভূত আহ্লাদে আটখানা আস্তব্যস্ত সোনাবান সোনাবতী সোনেলার বিদ্বজ্জন সোনারা,
এই তো কিয়ৎকাল পূর্বে এই ল্যাখক সোৎসাহ সহরতে তাহার দশ কুড়ির অধিক ল্যাখা লেখিয়া ফেলিয়া মনে মনে খুব ভাব নিতেছেন (হনু টাইপা), কী যেন কী করিয়া উল্টাইয়া ফেলিয়াছেন (মূলে কিছু না) ! বিভ্রান্ত হইবেন না, ইহা একটি নিতান্ত মামুলি শব্দসংখ্যা বৈ অন্য কিছু না, প্রবল সন্দেহ সহ বিস্তর গোঁজামিলের আভাস পাওয়া যাইতেছে (যাহা অচিরেই প্রকাশ পাইবে)। টোকাটুকি সহ সুক্ষ্ম ও স্থুল কারচুপিও সন্দেহের বাহিরে না,
তদুপরি আপনারা আপনাদের অতিগুরুত্বপূর্ণ ও মহামূল্যবান পল অনুপল চক্ষুঘন্টা ব্যয় করিয়া উহা পাঠ করিয়া খুবই শরমিন্দার কাজ কররিয়াছেন! ভবিষ্যতে দ্যাশ, জাতি ও নিজ স্বার্থ অক্ষুন্ন রাখার জন্য অধিকতর অগুরুত্বপূর্ণ কাজে ব্যস্ত থাকিয়া ব্যস্ততা বাড়াইয়া মূল্যবান বিষয়াদি পড়ায় প্রাণমন ঢালিয়া দিবেন বলিয়া আশা রাখিতেছি,
অতি ব্যথিত হৃদয়ে এ কথা কেন বলিতেছি তাহার প্রমাণ নিম্নে পেশ করিলাম।

আরগুজার
অতি বিনয়াবনত ল্যাখক,
……………………………………………………………………………..

ওই ল্যাখক,
ম্লান মলিন ব্যঙ্গচিত্র নেড়ে-নেড়ে আর কতকাল?
নারকী বাসনার সংকল্পে মেতে অপুষ্ট বীজে সোনা ফলাবে?

হে দুর্ভাগার ভাস্কর,
মাথার তালু আর ললাটের বুকে হাতুড়ী শাবল চালালে
পাবে শুধুই আবর্জনার স্তূপ স্তূপাকারে।
শাপ-শাপান্তের মালা ঘাড়ে গর্দানে, উজবুক হে
শক্ত শক্ত ভুল-ভাল গুটি কয়েক শব্দ-ফব্দ লিখেই ফাটিয়ে দেবে!
দেখ ফেটে ফেটে ফাটিও না যেন নিজেকে নিজে
শুশ্রতাময় কালিমা কেউ লেপটে দেবে না শিথিল শয্যাতে;
ভাদ্দুরের মসৃণ বীরত্বের মোহন মুগ্ধতার নহবত ভাবালু মৃদঙ্গে!!

হে লিখক,
আলোর ঝলকে আঁকা ঘোড়ার পালে স্বপ্নের দুলকি চাল!
লাগামে টানো, ওখানে হাসে লেখাগাধা বিকট চিৎকারে,
শেষের নীরব বাদ্য শুনতে কি পাওনা? লেখাকালা!
আয়নাজলে তাকাও দেখ একবার নিজেকে, হাতি-ঘোড়া কিছু নেই,

ওহে, লেখা বীরেশ্বর,
কয়েক ভাণ্ড ভারিক্কি লেখাভারে খাবি খাও!
বিসূচিকাময় বিসম্বাদ বগলে পুরে!

জলজ্যান্ত সতেজ চতুষ্পদ
থামো এবার, থামো একেবারে, ক্ষণস্থায়িত্বের অগম্য দূরত্বে;

২৮০জন ২৮০জন
0 Shares

৩৪টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য