এ শহর, স্বপ্নের শহর। বাহারি রঙ্গের আর নানান ঢঙ্গের স্বপ্নের মায়ায় নিমজ্জিত জনপদের ধারক এই শহর। তবুও এই শহর ছেলেটির স্বল্প দুরন্ত মনটাকে ধরে রাখতে পারছে না তার আপন গলিপথে। দিনের পর দিন এই শহরের ভেতর ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা সরু সব গলিপথ ধরে নিজেকে হারাতে কিংবা হারিয়ে যাওয়া নিজেকে খুঁজে পেতে ছুটে চলে ছেলেটি। কিন্তু… [বিস্তারিত]
ট্যাগ: হিজিবিজি
ট্রেনের জন্যে অপেক্ষা করছিল জাহিদ। এবারে প্রায় আট মাস পর বাড়ি যাচ্ছে। গত সেমিস্টার শেষে যাওয়া হয়নি টিউশনি থেকে ছুটি না পাওয়ার কারণে। এবারে নিজের পরীক্ষা আর ছাত্রদের পরীক্ষা একই সময় শেষ হবার কারণে সুযোগ মিলল। তাই আর পরীক্ষা দিয়ে দেরি করেনি, সোজা হলে গিয়ে কোনরকম গোছগাছ করেই ছুটে এসেছে স্টেশনে। গতরাতেও ঘুম হয়নি ঠিক… [বিস্তারিত]
উদ্দেশহীন ভাবে শহর ঘুরে দেখছিল ছেলেটি। দুনিয়ার সব আশ্চর্য দিয়ে ভরপুর এ শহর হাজার বছর ধরে দেখলেও দেখা শেষ হবে না। প্রতিটি মুহূর্তেই এই শহরের রং বদলাচ্ছে, সাথে বদলাচ্ছে তার ভঙ্গী। আর এই বদলানো রং আর ঢং এর সাথে তাল মিলিয়ে নিজেদের ভঙ্গিমাকেও শহুরে আদতে বদলে নিচ্ছে শহরে বাস করা মানুষগুলি। এখানে সবাই ক্রেতা, আবার… [বিস্তারিত]
Google Chrome, কম সময়ে সবচেয়ে দ্রুত এগিয়ে যাওয়া ব্রাউজারের তালিকায় যার অবস্থান একেবারে শীর্ষে তাকে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেবার কিছু নেই। দিনকে দিন এটি ব্রাউজার কম ইন্টারনেটকে নিয়ন্ত্রণকারী হিসেবে বেশি আত্মপ্রকাশ করছে নিজেকে। কোডার, ডেভেলপারদের পছন্দের তালিকায় এর অবস্থানও বেশ গুরুত্বপূর্ণ। বেশ কয়েকটি সাইট তাদের সর্বোচ্চ সুবিধা নিশ্চিত করতে ইদানীং Google Chrome কে ব্যবহারের… [বিস্তারিত]
ব্লগ কিংবা অনলাইনে কোথাও নিজের পরিচয়ে কিংবা পরিচয় গোপন রেখে কোন ধরণের প্রোফাইল তৈরির পূর্বে- পরিবারের সকলের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিন, কারণ পরবর্তীতে এইটা চাওয়ার মত সময় পাবেন বলে মনে হয় না। কাছাকাছি কোন হসপিটাল থাকলে নিজের পরিচয় ছবি সহকারে জমা দিয়ে আসুন, যাতে আপনাকে অবচেতন কিংবা মৃত অবস্থায় সনাক্ত করতে সুবিধা হয়। প্রেমিক/প্রেমিকা থাকলে… [বিস্তারিত]
তারপর অনেকদিন পর তাহার সাথে যখন ভুল করে কোন এক অলক্ষণের সময়ে হবে দেখা যখন দ্রুত চোখ ফিরিয়ে নিজেদের আড়াল করতে চেষ্টা করে চলবো, সেও হয়তো সেটাই করবে। কিন্তু মনের পরিস্থিতি তা সহজ করে নিতে দিবে না। সে বার বার চোখ ঘুরিয়ে তার দিকেই তাকাতে বাধ্য করবে। একটু লুকিয়ে, নিজেকে ছাপিয়ে বার বার দেখতে চাইবার… [বিস্তারিত]
প্রয়োজনের সব কাজেই ইমেইল ব্যবহার এখন নিত্য ঘটনা। ব্যাংক একাউন্ট থেকে শুরু করে অখ্যাত কোন সাইটে রেজিস্ট্রেশন করতে গেলেও এখন একটি মেইল এড্রেস থাকা আবশ্যিক। কিন্তু জরুরী ও গুরুত্বপূর্ণ কাজে যেই মেইল এড্রেস ব্যবহার করি সেই একই এড্রেস যদি বিভিন্ন সাইট রেজিস্ট্রেশন কিংবা নিউজলেটার সাবস্ক্রাইব করার কাজেও ব্যবহার করা হয় তাহলে এইসব নিউজলেটার আর সাইটের… [বিস্তারিত]
একটা ডাহুক একলা ডাকুক বিরহী উদাস দুপুরে মাঝরাত্তিরে তুমুল নামুক ধারাজল এই বুকজুড়ে। আমার ইচ্ছেরা বড় হতে হতে, বনসাই থেকে হয় বনস্পতি অথচ তোমাকে চেনার আগে, ইচ্ছেরা ছিলো অন্ধবৃত্তে ঘুরে মরা ঝরাপাতাভরা পথের মতোন, চেনা পৃথিবীর অন্ধকারে। মধ্যরাতের মাতাল বৃষ্টিতে ধুয়েছি দুঃখবোধ, অগনন দমবন্ধ মুহুর্ত তারপর আলো এসে জানালার শার্শির ফাকগলে আমারে ছুঁয়ে দিলে -… [বিস্তারিত]
আমার দাদি এবং বড় দাদি(আব্বুর বড় চাচি) দুইজনেই পান খাইতো। আর আমি তাদের মুখের সামনে হাত পেতে রাখতাম চিবানো পান খাবার জন্য। দাদি কে দেখতাম কমলার খোসা শুকিয়ে রাখতেন পানের সাথে খাবার জন্য। কি যে সুঘ্রান ছিল সেই পানে। এর পর বড় হয়ে কত মশলা দেয়া পান খেলাম। সেই শৈশবের সুঘ্রান আর পেলাম কই? দাদি… [বিস্তারিত]
কোথাও জলের শব্দ নেই - কোথাও টুপটাপ ঝরেনা শিশির, কোথাও কান্না নেই - আবছায়া জলের দাগ কেবলই। কোথাও আলো ছিলো একদিন - আজ ছোপছোপ হলেদেটে বিলীনপ্রায় ক্ষতচিহ্ন ধূসর প্রেক্ষাপটে জমছে শুধুই। কোথাও কি বাজছে নূপুর মীনকুমারীর চোখের কোনে জলের ফসিল জমা হল নাকি ? জলের ওযে বুক জ্বলে যায়; তুমুল তৃষ্ণায় শঙ্খনাদে মেঘডমরুর বিপুল নিনাদে… [বিস্তারিত]
একবার আমার শখ হইল সাপ পালনের। একটা মাইট্টা সাপ ধইরা, সেই টারে পালছিলাম ৩/৪ দিন মাটির হাড়িতে কইরা। শালার সাপ। কইত্থে যে কই গেলো গা আর খুইজাই পাইলাম না। আচ্ছা মাইয়ারা তেইল্লাচুরারে এত ডরায় কেন? এইটায় কামরায় ও না কিচ্ছু কয় ওনা, তাও কি চিক্কুর যে দেয় মাইয়াগুলা। তখন ক্লাস ৬ কি ৭ এ পরি,… [বিস্তারিত]
ইমন রায়হান ইউনিভার্সিটির পার্ট চুকিয়ে প্রতিষ্ঠিত একটা ডেভেলপার কোম্পানিতে ইন্টার্ন হিসেবে যুক্ত হয়, পরে মাস কয়েক বাদে নিয়মিত প্রোগ্রামার হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয় তাকে। কোম্পানিটি একটি প্রতিষ্ঠিত গেম মেকিং কোম্পানি। ইতোমধ্যে তাদের নিজস্ব কনসোল এর কয়েকটি ভার্সন বাজারে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় এইবার আরও আকর্ষণীয় ফিচার সমৃদ্ধ এবং আরও বাস্তবিক অনুভূতি দেবার লক্ষ্য… [বিস্তারিত]
আমার ফিরে যাবার কথা দেয়া ছিলো একটা পাহাড়ি রাস্তার পাশের টং দোকান কে - খাগড়াছড়ির শাপলা চত্বর থেকে কোর্টের সামনে দিয়ে ইসলামপুর হয়ে যে রাস্তাটা দীঘিনালা গেছে ঐ রাস্তায় দোকান টা। এক হাস্যমুখী মারমা প্রৌঢ় চালাতো দোকানটা... বাপের চেয়েও অধিক হাস্যমুখী ছিলো তার বছর তিনেকের মেয়েটা - নামকিরে তোর জিজ্ঞেস করলেই ফিক করে হেসে দিয়ে… [বিস্তারিত]
আগের পর্বেই কইছি আমি ছিলাম এক পোলা। মানে একলা নাতি। একলা ভাগিনা ও ভাতিজা। তাই আব্বুর শাসন তেমন একটা কাজে লাগতনা, দাদা দাদি, নানা নানি আর ফুপি খালা মামা চাচাদের (ছোট চাচু বাদে) কারনে।আমি পেয়েছিলাম সীমাহীন স্বাধীনতা। আর চেহারাটার মধ্যে একটা গুডি গুডি ভাব ছিল(আম্মা বলে),বিধায় অনেক আকাম কইরাও সাইরা গেসি। আর অভিনয় প্রতিভা যাই… [বিস্তারিত]
আমাদের স্কুলের সামনে ছিলো দুনিয়ার সবচেয়ে বড় মাঠটা, তার পাশে ছিলো দুনিয়ার সবচেয়ে উচু নিমগাছটা .... সেই মাঠে জমা হতো দুনিয়ার সবচেয়ে পরিষ্কার বৃষ্টির জল। আমাদের ছিলো দুনিয়ার মাঝে সবচেয়ে শান্তির সবচেয়ে উজ্জ্বল একটা দীঘি। সেই. সবচেয়ে বড় মাঠে টলটল বৃষ্টির জলে তুমুল ফুটবল খেলা হতো বল থাকলে বল না থাকলে জাম্বুরা দিয়া। আমাদের ছিলো… [বিস্তারিত]




