মূল লেখায় যান

৭-এ গল্প শেষ।

আর্বনীলগল্প, রম্য২২টি মন্তব্য

১) অর্ক’র বিয়ের জন্য পাত্রী দেখা হচ্ছে। তার বাবা-মা প্রায়ই এদিক ওদিক মেয়ে দেখে বেড়াচ্ছেন। কোন মেয়ের নাক মোটা। কারো মাথায় চুল নেই। কেউ আবার সুন্দর করে কথাই বলতে পারেনা। এরকম আরো কত কি সমস্যা। মোট কথা কোন মেয়ে-ই অর্কর বাবা-মায়ের পছন্দ হচ্ছে না। সেদিন একজন পরিচিত ঘটক আপা এসে একটা মেয়ের ছবি দিয়ে গেছে।… [বিস্তারিত]

কমন স্যার এবং আহত বেদনা

শাহ আলম বাদশাগল্প৯টি মন্তব্য

স্যার, শিউলী’পা দিলো—একদৌঁড়ে এসে ফুলস্কেপ সাইজের একটা সাদাখাতা বেডের ওপর ছুঁড়ে দিয়েই ছুটে যাচ্ছিল মেয়েটা। ব্যাপার কিছু বুঝতে না পেরে চটজলদি ডাক দেয় কায়েস, এ-ই সুমি শোন—। ততক্ষণে সে রুমের বাইরে চলে গেছে। ডাকশুনে ফিরে আসে এবং রুমে ঢুকেই ফিক করে হেসে দেয়। এটাই ওর স্বভাব, কারো মুখোমুখি হলে হাসা চাই-ই? বয়স বেশী নয়, দ্বিতীয়… [বিস্তারিত]

বিড়ম্বিত মানুষ এবং আজকের ছাত্রসমাজ

আজিমগল্প১৭টি মন্তব্য

মেইন রাস্তার সাথে সরাসরি অথবা পরোক্ষে সংযূক্ত রাস্তাগুলোর একটা দিয়ে হাঁটছিলাম । দু’পাশে দালান, অট্টালিকাগুলি দাঁড়িয়ে পাশাপাশি । রাস্তার পীচ ছাড়িয়ে মাটির অংশের ১০/১২ ফিট দূরে দাঁড়িয়ে বাড়িগুলো । মাটির অংশে অবস্থিত যে গাছগুলো, সেগুলির একটির ছায়ার নীচে বসে চা বিক্রী করছেন তিনি । একটি ইটের উপর বাজারের ব্যাগ বিছিয়ে বসে আছেন, সামনে বড় একটা… [বিস্তারিত]

ধ্বংসস্তূপে সব হারিয়ে

অলিভারগল্প২২টি মন্তব্য

ইব্রাহীম, বয়স ৭ বছর। দুষ্ট দুষ্ট চেহারার চমৎকার মিশুক একটা ছেলে। তার বাবার বাজারে একটা ফলের দোকান আছে। মসজিদের সামনে যে খেলার মাঠটা রয়েছে তার দক্ষিণ দিকে তাদের কলোনি। রোজ বিকেলে আজিজ চাচার ছেলে ফারুকের সাথে ঐ মাঠেই খেলে সে। আজিজ চাচাও তাকে অনেক আদর করে। মাঝে মাঝে বাজার থেকে ফিরে আসার সময় ফারুক আর… [বিস্তারিত]

বিচার

আজিজুল ইসলামগল্প১৮টি মন্তব্য

দেশের সবোর্চ্চ আদালতকক্ষ । শেষ রায়ের অপেক্ষা । আগে হাইকোর্টে রায় হয়েছে চাকরী রক্ষার কোন সুযোগ নাই তার । আপীল করা হয়েছিল , আজ সেই আপীলের রায় । অন্য অনেকের সাথে আদালতে উপস্থিত আছেন যার চাকরীর বিষয় , সেই আজিজ । হাইকোর্ট সোজা বলে দিয়েছিলেন , চাকুরীবিধি তিনি লংঘন করেছেন চাকুরিরত অবস্থায় । তিনি নাকি… [বিস্তারিত]

ঘরে বসেই ডাক্তার দেখান

গভীর অন্ধকারে বাশ ঝাড়ে লুকিয়ে থাকা সুজন ছোট্র শিশুটিকে নিয়ে ভয়ার্ত মনে এ দিক সে দিক তাকাচ্ছে হঠাৎ চোখে তার টর্চের তীক্ষ্ন আলোর রস্মি ভয় পায়িয়ে দেয়।তবু সে সেখানে স্হির টর্চের আলো আবারও সুজনের চোখ বরাবর সুজনের হাত শিশুটির মুখ চেপে রেখেছে যাতে সে কোন শব্দ না করে ।লাইটের আলো সরতে যতক্ষণ ততক্ষণে কয়েকজন অস্ত্রাধারী… [বিস্তারিত]

প্রজম্মের ঋণ শোধ ০১

মনির হোসেন মমিগল্প, মুক্তিযুদ্ধ২৭টি মন্তব্য

আকাশে বজ্রপাত,সু সু বাতাসের শব্দ,জানালায় টুস টাস কি যেন কঠিন পদার্থের আঘাত। রোজী জানালা খুলতেই জানালার কাচঁগুলো ঝড় ঝড়িয়ে পড়ে গেল। বাতাসের তীব্র গতি মাথায় রাখা ঘুমটার ওড়নাটা উড়ে গেল।কাগজ দিয়ে ভঙ্গুর জানালাটার ছিদ্রটি বৃথাই বন্ধ করার চেষ্টায় হঠাৎ চোখঁ পড়ে দূরে…এমন ঝড়ো হাওয়ায় কয়েক জন অস্ত্রধারী মিলিটারী একজন যুবককে পিছনে হাত বেধে চোখেঁ কালো… [বিস্তারিত]

দাসত্বের মুক্তি

অলিভারগল্প, বিবিধ২৪টি মন্তব্য

আস্তাবলে ফিরে যেতে ইচ্ছে করছে না। কিন্তু যেতেই হবে, আর তো কোন উপায় নেই হাতে। সন্ধ্যার আগে পৌছতে না পারলে উটকো ঝামেলা হিসেবে শেয়ালের দেখা মিলবে রাস্তায়। তাই এখুনি ফিরে যাবার জন্যে রওনা দিয়ে দিলাম। জেসি একটু খোঁড়াচ্ছে আজ। এতটা পথ একসাথে এসেও আমার মত হাঁপিয়ে যায় নি জেসি। সামনের বাম দিকে পা'টা একটু একটু… [বিস্তারিত]

অর্পিতা ১৭

সঞ্জয় কুমারঅন্যান্য, গল্প, সাহিত্য১৬টি মন্তব্য

আজ অর্পিতার জন্ম দিন । রাজু বড় একটা কেক এর অর্ডার দিয়েছে । মিলন গোপনে কেকের উপর লাভ চিহ্ন ভিতরে J+A লেখিয়েছে । হাসপাতালের নার্স ডাক্তার বুয়া সবারই দাওয়াত । সন্ধ্যায় কেক কাটা হবে । অর্পিতা জীবনে এই প্রথম এত আয়োজন করে জন্মদিন পালন করবে । সন্ধ্যা সাতটা ............ হাসপাতালের ২০৩ নং মহিলা কেবিনটা সুন্দর… [বিস্তারিত]

জীবনের খরতাপ – ২

আজিমগল্প১৫টি মন্তব্য

আজ আট বছর জেলে আছেন আনিস। পাঁচ বছর আগে তার মুক্তি হয়েছিল। কিন্তু অপর এক মামলায় জড়িয়ে আবার তাকে জেলগেট থেকেই এ্যারেষ্ট করা হয়। অনেক আশা করে রিসিভ করতে এসেছিল জোর করে তার স্ত্রী হয়ে-যাওয়া সঞ্চিতা। অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকা ছাড়া যার কিছুই করার ছিলনা। হাত উঠিয়ে বিদায়ই জানিয়েছেন শুধু ওরা একে অন্যকে। কয়েকদিন থেকে… [বিস্তারিত]

ঘরে বসেই ডাক্তার দেখান

দুটি নিউ ব্রান্ডের টেক্সির মধ্যে থেকে ছোটন সহ কিছু স্পেশাল পোষাকদারী লোক বেরিয়ে ভাইয়ের বাসায় ঢুকেন।কার্পেটে সাজানো ভাইয়ে বিশাল বৈঠক খানায় অবস্হান নেন তারা।ছোটনের ভাইয়ের পরিবারের সাথে বেশ অন্তরঙ্গ সম্পর্ক ছিল বেশ আগে থেকেই তাই সে অন্দর মহলে ভাবীর সাথে আড্ডা মারছে।ভাই সবে মাত্র সাওয়ার সেরে তোয়ালে ভেজাঁ চুল শুখানোর চেষ্টায় ছোটনকে দেখে ভাইয়া তাকে… [বিস্তারিত]

অর্পিতা ১৬

সঞ্জয় কুমারগল্প, সাহিত্য১৩টি মন্তব্য

জয় একটা রিকশা নিয়ে সদরে আসল । রাজু: দেখুন তো দাদা ,দিদি কিছুই খেতে চাইছে না আপনি একটু বোঝান । ঠিক আছে তুমি নাস্তা করে আসো সকালে তো মনে হয় তোমার খাওয়া হয়নি । ঠিক আছে । অর্পিতা কেমন আছ ? দেখতেই তো পারছ অহ হ্যাঁ তাইতো তুমি তো অনেক তারাতারি সুস্থ হয়ে গেছ ।… [বিস্তারিত]

অবশেষে মিমি(পর্ব-২)

পুষ্পবতীগল্প১৬টি মন্তব্য

জলিল মিয়া :আর কইওনা মিয়া অনেক দিন ধইরা আমার জমিটা বন্ধক আছে মহাজনের কাছে। ছোট পোলাটার অসুখের লাইগা মহাজনের কাছ থাইকা বিশ হাজার টাকা নিছিলাম।মহাজন কইছে তিন মাসের মধ্যে টাকা ফিরত দেওন লাগব। কিন্ত অহনো পুরা টাকার জুগার করতাম পারিনাই।টাকা দিতে না পারলে মহাজন আমার জমি দখল নিয়া নিবো। জমি নিয়া নিলে আমার সব শেষ… [বিস্তারিত]

অর্পিতা ১৫

সঞ্জয় কুমারগল্প, সাহিত্য৮টি মন্তব্য

আমাকে আপনি চিনবেন না । গত কাল রাতে রাস্তায় একটা ডায়রী পেয়েছিলাম সেখানে আপনার মোবাইল নম্বর ছিল । তাই ফোন দিলাম । কিন্তু আমার তো কোন ডায়রী হারায় নি । হ্যাঁ ডায়েরিটা আপনার নয় তবে আপনার কাছের কারও । আপনার নাম তো জয় তাই না ? হ্যাঁ তাহলে ঠিকই আছে । আপনি দড়াটানা মোড়ে আসুন… [বিস্তারিত]

অবশেষে মিমি(পর্ব-১)

পুষ্পবতীগল্প১৩টি মন্তব্য

চারদিক অন্ধকার হয়ে আছে বৃষ্টি আসবে,আকাশে এতো মেঘ করেছে কিছুই দেখা যাচ্ছে না,দুরের সব ঘড়বাড়ি গাছপালা গুলো দেখে মনে হচ্ছে অন্ধকারে ডুবে গেছে।ফসলের মাঠ থেকে কৃষক,রাখাল সবাই ছুটে চলেছে এই বুঝি বৃষ্টি নামলো।মিমি তার বাবার জন্য চিন্তা করছে,আর মাকে বলছে আকাশের এই অবস্থা তার বাবা ফিরে আসছেনা কেন?বলতে বলতেই হাজির হয়ে গেল মিমির বাবা রমিজ… [বিস্তারিত]