পুষ্পবতী

  • নিবন্ধন করেছেনঃ ৮ বছর ৭ মাস ৮ দিন আগে
  • পোস্ট লিখেছেনঃ ১১টি
  • মন্তব্য করেছেনঃ ২৯৭টি
  • মন্তব্য পেয়েছেনঃ ২২০টি

“শুভ হোক জন্মদিন”

পুষ্পবতী ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৪, বৃহস্পতিবার, ০২:৫৫:৪৫অপরাহ্ন একান্ত অনুভূতি, কবিতা ২৬ মন্তব্য
জানি চাইবে না, উষ্ণ চুম্বনে অমিয় নিস্তব্ধতায় ডুবে যাক শরতের পুরোটা বেলা, ভারসাম্যহীন কম্পন ঘোরে ছুয়ে দেক বিচলিত আঙ্গুলেরা, বর্ধিত হোক শ্বাসের ধ্বনি। আকাশের সমস্ত নীল বাঁধা আঁচলে দুদোল হাতে শিহরিত স্বেদকণা মুছে, বলবে না চল যাই; নৈসর্গিক এক সন্ধ্যা নামাই প্রেমকে বেঁধে দেই একই কামনার সুঁতোয়। জানি থাকবে না, চাতক চোখে তাকিয়ে কোন শুভেচ্ছা [ বিস্তারিত ]

অবশেষে মিমি(পর্ব-৪)

পুষ্পবতী ২৩ জুলাই ২০১৪, বুধবার, ০৪:৫৪:৩৩অপরাহ্ন গল্প ২৬ মন্তব্য
তোমার নাম কি? আনিস, তুমি? জাহেদ। আগে কোন স্কুলে ছিলে? আমাদের গ্রামের স্কুলে। আজকে এতো লেইট করেছ কেন? আমাদের এই স্যার খুব রাগী তুমি আজ প্রথম ক্লাসে এলে তাই কিছু বলেনি। এইভাবে কথা বলতে বলতে আনিস আর জাহেদের মধ্যে ফ্রেন্ডশিপ হয়ে গেল। স্কুল ছুটির পর - মিমি কিরে দাড়িয়ে আছিস কেন? সীমা একটু দাড়া আনিস [ বিস্তারিত ]

পাখি ড্রেস

পুষ্পবতী ২২ জুলাই ২০১৪, মঙ্গলবার, ১০:১১:৪০পূর্বাহ্ন একান্ত অনুভূতি ১৬ মন্তব্য
আমার ছোট বোন ক্লাস সিক্স এ পড়ে। এইবার ঈদে তারও চাই পাখি ড্রেস। প্রথম রমজানের দিন মার্কেটে গেলাম। অনেক্ষণ পর একটা ড্রেস পছন্দ হলো কিনলাম। বাসায় গিয়ে দেখি ড্রেসটা অনেক বড় হয়ে গেছে। আমার খুব বিরক্ত লাগে কোন জিনিস কিনে আবার ফেরত দেওয়া। কিন্ত কি করবো ফেরত দিয়ে ছোট সাইজের আনতে হবে।পরের দিন গেলাম আবার [ বিস্তারিত ]

অবশেষে মিমি(পর্ব-৩)

পুষ্পবতী ২১ জুলাই ২০১৪, সোমবার, ১১:১৬:০৭পূর্বাহ্ন গল্প ১৬ মন্তব্য
জানিস মিমি আমাদের ক্লাসে একজন নতুন ছাত্র ভর্তি হয়েছে? কোথায় দেখলাম নাতো? এখনো ক্লাস করে নাই কিভাবে দেখবি? আমার মামাতো ভাই,পড়াশুনায় খুবই ভালো।আমাদের বাড়িতে থেকেই পড়াশুনা করবে। কথা বলতে বলতে স্কুলে চলে আসলো মিমি আর সীমা। ক্লাসে ঢুকার কিছুক্ষণের মধ্যেই স্যার চলে আসে। স্যার নাম প্রেজেন্ট করছে এমন সময় দরজায় এসে দাড়াল একটি ছেলে -স্যার [ বিস্তারিত ]

অবশেষে মিমি(পর্ব-২)

পুষ্পবতী ৭ জুলাই ২০১৪, সোমবার, ১২:০৩:০৫অপরাহ্ন গল্প ১৬ মন্তব্য
জলিল মিয়া :আর কইওনা মিয়া অনেক দিন ধইরা আমার জমিটা বন্ধক আছে মহাজনের কাছে। ছোট পোলাটার অসুখের লাইগা মহাজনের কাছ থাইকা বিশ হাজার টাকা নিছিলাম।মহাজন কইছে তিন মাসের মধ্যে টাকা ফিরত দেওন লাগব। কিন্ত অহনো পুরা টাকার জুগার করতাম পারিনাই।টাকা দিতে না পারলে মহাজন আমার জমি দখল নিয়া নিবো। জমি নিয়া নিলে আমার সব শেষ হইয়া যাইবো। রমিজ মিয়া :তোমার কথা হুইননা খারাপ লাগতাছে কিন্ত কি করুম কও আমার অবস্থাতো জানোই কত কষ্ট কইরা দিন যাইতাছে। তোমারে সাহায্য করতে পারলে মনডা ভালা লাগতো। কত টাকা জুগাড় করছো? জলিল মিয়া : আট হাজার টাকা। রমিজ মিয়া :তাইলে মিয়া একটা কাম কইরা দেখতে পারো জলিল মিয়া :কী কাম? রমিজ মিয়া :যেই টাকা আছে তা দিয়া মহাজনের কাছ থাইকা আরো কিছু দিনের সময় নেয়ও জলিল মিয়া :না মিয়া মহাজন যেই মানুষ সে কুনমতেই রাজি অইবো না। রমিজ মিয়া :রাজি অইবো একটা উপাই আছে জলিল মিয়া :কি উপায়? রমিজ মিয়া:আমডার গ্রামের মাস্টার মশাই রে লগে লইয়া তুমি যাইবা।মাস্টার মশাই হলো সম্মানিত মানুষ মহাজন তার কথা ফেলতে পারবো না জলিল মিয়া :ঠিক আছে তুমি যহন কইলা আমি যামু মাস্টার মশাইয়ের কাছে। তারপর রমিজ মিয়া মাঠে চলে গেল জলিল মিয়া কয়েক পা হাটার পর দূর থেকে দেখল মাস্টার মশাই হেটে যাচ্ছে।"মাস্টার মশাই বলে জুড়ে ডাকলো জলিল মিয়া:অসসালামুয়ালাইকুম মাস্টার মশাই। মাস্টার মশাই:ওয়ালাইকুমআসসালাম।কেমন আছ জলিল?তোমার ছেলের কি অবস্থা? জলিল মিয়া:আপনাদের দোয়ায় ভালা আছে স্যার।এহন আগের থাইকা অনেকটা সুস্থ।আপনার লগে আমার কিছু কথা আছিল। মাস্টার মশাই:ঠিক আছে আমি এখন স্কুলে যাচ্ছি বিকালে বাসায় আসো তারপর শুনব। জলিল মিয়া:আইচ্ছা আমি বিকালে যামু। মিমি ক্লাস নাইনে পড়ে।তার জন্য অনেক বিয়ের সমন্ধ আসে।কিন্ত রমিজ মিয়া এখনই মেয়ের বিয়ে দিতে চায়না।সে ভাবে মেয়েকে পড়াশুনা শিখিয়ে শিক্ষিত করবে।আশেপাশের কিছু পারাপরসিড় নানান ধরনের কথা শুনে আমেনা বেগম বলে মেয়েকে এতো পড়াশুনা শিখিয়ে কি লাভ?পরের বাড়ি গিয়ে রান্না বান্নার কাজ করতে হবে তার জন্য এত বেশি পড়াশুনার দরকার নাই যতটুকু করেছে তাতে চলবে।আমাদের এমন অভাবের সংসারে এইসব মানায় না।উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হবে তারা যাদের অনেক টাকা আছে।মিমি চায় পড়াশুনা করে একজন শিক্ষিকা হবে।কিন্ত পরিবেশ পরিস্থিতি যেমন হয়েছে তাতে মনে হয় বেশিদিন লেখাপড়া আর হবেনা।   চলবে.....    

অবশেষে মিমি(পর্ব-১)

পুষ্পবতী ৬ জুলাই ২০১৪, রবিবার, ১২:১৭:৫২অপরাহ্ন গল্প ১৩ মন্তব্য
চারদিক অন্ধকার হয়ে আছে বৃষ্টি আসবে,আকাশে এতো মেঘ করেছে কিছুই দেখা যাচ্ছে না,দুরের সব ঘড়বাড়ি গাছপালা গুলো দেখে মনে হচ্ছে অন্ধকারে ডুবে গেছে।ফসলের মাঠ থেকে কৃষক,রাখাল সবাই ছুটে চলেছে এই বুঝি বৃষ্টি নামলো।মিমি তার বাবার জন্য চিন্তা করছে,আর মাকে বলছে আকাশের এই অবস্থা তার বাবা ফিরে আসছেনা কেন?বলতে বলতেই হাজির হয়ে গেল মিমির বাবা রমিজ মিয়া।রমিজ মিয়া একজন কৃষক পরের জমিতে চাষ করে সংসার চালায়।অভাব,অনটনের মধ্যে থেকেও খুব সুখেই দিন চলে যাচ্ছে তাদের। রমিজ মিয়া গ্রামের একজন সরল সোজা মানুষ।ঝগড়া ঝাটি মারামারি এইসব একদম পছন্দ করেন না।বলতে গেলে গ্রাম বাংলার একজন খাটি মানুষ।তিন ছেলেমেযে আর সহধর্মিনী আমেনা বেগম কে নিয়া তার সংসার।বড় মেয়ে মিমি ,অষ্টম শ্রেনীর ছাত্রী।লেখাপড়ায় খুবই ভালো।ক্লাসে সবসময়ই প্রথম ছাড়া দ্বিতীয় হয়না।মিমি তার বাবা কে খুব ভালবাসে,বাবার জন্য অপেক্ষা করে কখন বাড়ি ফিরে আসবে,এক সাথে খাবার খাবে,বাবা ও মেয়েকে খুব ভালবাসে। প্রথম সন্তানদের  সব বাবা মা ই একটু বেশি ভালবাসেন।মিমির ছুটো ভাই রাসেল ও ছুটো বোন রিমি।পরের জমিতে খেটে যা রুজগার করে তাতে সংসার চালাতে হিমছিম খেতে হয় রমিজ মিয়াকে পাচ জনের সংসার,খরচ কম নয়,দিনের পর দিন জিনিস পত্রের দাম যে হারে বাড়ছে আয়ের পরিমান সেই হারে বাড়ছেনা, ফলে রমিজ মিয়ার মত এমন অনেক পরিবারই ভোগান্তির শিকার হচ্ছে,এতে করে শুধু কষ্ট পাচ্ছে সমাজের নিম্নবিত্ত আর মধ্যবিত্তরা। মিমি,রিমি আর একমাত্র ছেলে রাসেল কে নিয়ে রমিজ মিয়ার মনে হাজারো স্বপ্ন।ছেলেমেয়েদের পড়াশুনা করিয়ে মানুষের মত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলবে।মেয়ে দুইটাকে পড়াশুনা করিয়ে ভালো কোন ছেলের হাতে তুলে দিবে আর ছেলে পড়াশুনা শিখে বড় চাকরি করবে।এই আশা নিয়েই দিনের পর দিনের অক্লান্ত পরিশ্রম করে কাটিয়ে দিচ্ছে রমিজ মিয়া। মিমি এইবার ক্লাস নাইন এ উঠেছে,সে কিছুটা বুঝতে পারে বাবা সংসারের জন্য কত কষ্ট করে,মিমি ভাবে পড়াশুনা শেষ করে একজন শিক্ষিকা হবে আর বাবার পাশে দাড়াবে তখন আর এত কষ্ট করতে হবেনা,সংসারের সব অভাব দূর হয়ে যাবে। সকাল হয়ে গেছে আযানের ধবনি ভেসে আসছে মসজিদ থেকে,রমিজ মিয়ার ঘুম ভেঙ্গে গেল,ঘুম থেকে উঠে ওজু করে নামায পড়ল,তারপর পান্তা ভাত,লবন আর কাচা মরিচ দিয়ে খেয়ে বের হয়ে গেল মাঠে,এইভাবেই প্রতিদিনের জীবন চলতে থাকে মাঠে যাওয়ার পথে দেখা হলো জলিল মিয়ার সাথে।জলিল মিয়া খুব মন খারাপ করে বসে আছে। রমিজ মিয়া :কি ভাই কি খবর অনেক দিন ধইরা তোমার কোনো খুজ খবর নাই। জলিল মিয়া :আছিলাম একটু দৌড়াদৌড়ির মইধ্যে।মনডা বেশি ভালা না। রমিজ মিয়া :কি হইছে? চলবে...

বাস্তবতা

পুষ্পবতী ২ জুলাই ২০১৪, বুধবার, ০৩:৫২:০১অপরাহ্ন বিবিধ ১৬ মন্তব্য
বাস্তবতার করাল গ্রাসে আজ আমরা বন্ধী সময়ের ব্যবধানে পরিবর্তনীয় পথের সঙ্গী জানতে চাইনা কোনটা ঠিক কোনটা ভুল শুধু নিজেদের সিদ্ধান্তের মাঝেই অনড়   বাস্তবতা খুবই কঠিন শুনতাম লোক মুখে পারতামনা ভাবতে কেমন হতে পারে আজ আমি দেখেছি এবং বুঝেছি সবই বাস্তবতার সকল আচার বিধি   বাস্তবতার চাপে পড়ে হয়ে যায় স্বার্থপর সবকিছু নিজের বুঝে আর কারোর নয়

ছিনতাই

পুষ্পবতী ২২ জুন ২০১৪, রবিবার, ০৩:৪৪:৪২অপরাহ্ন একান্ত অনুভূতি ২১ মন্তব্য
সেদিন কি তারিখ ছিল ঠিক মনে নাই।অনার্স প্রথম বর্ষের ফাইনাল পরীক্ষার শেষ ব্যবহারিক পরীক্ষাটা ছিল রসায়ন। সকাল ৯টা থেকে পরীক্ষা শুরু হয়।খুব চিন্তা হচ্ছিলো আমার। কারণ আমাদের যেই লবন দেওয়া হয়েছে তা আমাদের অজানা। সিক্ত পরীক্ষা আর শুষ্ক পরীক্ষা করে বের করতে হবে লবনের নামটা। আমিতো বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মিত স্টুডেন্ট না তাই কিভাবে করতে হবে তা আমি [ বিস্তারিত ]

আমার ইচ্ছে করে

পুষ্পবতী ৩ জুন ২০১৪, মঙ্গলবার, ০৪:৩৭:৩৩অপরাহ্ন একান্ত অনুভূতি ২১ মন্তব্য
আমার ইচ্ছে করে পাখির মতো উড়াল দিয়ে ঘুরে বেড়াতে আকাশের বুকে আমার ইচ্ছে করে ঝরনা হয়ে ঝরে যেতে উচু পাহাড়ের উপর থেকে আমার ইচ্ছে করে আকাশ বাতাসে মিশে যেতে আপন সুখে আমার ইচ্ছে করে হারিয়ে যেতে দুঃখ দিয়ে ঘেরা পৃথিবী থেকে আমার ইচ্ছে করে মুছে দিতে সমাজের সব মিথ্যা অহংকারকে আমার ইচ্ছে করে জাতিকে মনুষত্বের আলোয় [ বিস্তারিত ]

আসল ঠিকানা

পুষ্পবতী ৩১ মে ২০১৪, শনিবার, ০৫:১১:৩৫অপরাহ্ন কবিতা ৩৪ মন্তব্য
একদিন চলে যাব সব মায়া মমতা ভালবাসার বন্ধন ছেড়ে থাকবো আমি শুয়ে, থাকবে মানুষ অনেক আমকে ঘিরে আমিও দেখবো সবই আছে আমার,কিন্তু আমি থেকেও নেই বন্ধ হয়ে গেছে আমার জবান ,থেমে গেছে আমার অনুভুতি। আমি চিত্কার করে বলছি আমি আছি তোমাদের মাঝে কিন্তু কেউই যেন শুনছেনা আমার কথা বলছেনা কিছুই পৃথিবী তখন বলবে তুমি আর নেই তাদের মাঝে এখন তোমাকে যেতে হবে তোমার আসল ঠিকানাতে। আমি পারবনা মানতে ধরনীর মায়া জাল ছাড়তে আমি বেড়াবো ছুটে চারদিকে সবার মাঝে কিন্ত কেউ দিবেনা কোনো সাড়া,শুনবেনা কোনো কথা আমি কষ্ট নিয়ে বিদায় নিবো ধরনী থেকে আমার তোমার সবার আসল ঠিকানাতে। অনেক স্বজনরা কাঁদবে আমার চলে যাওয়াতে করবে মনে আমার ধরনীর সব স্মৃতিকে আমি শুধু দেখবো তাকিয়ে দূর থেকে পারবনা ফিরতে আমার স্বজনদের মাঝে। আমি দেখবো কিছু দিন ভাবছে সবাই কাঁদছে কিছু সময় পর পর আস্তে আস্তে কমে যাবে আমার কথা হবেনা আর কোনো আলোচনা। এইভাবে চলে যাবো একদিন সব ছেড়ে আমার তোমার সবার আসল ঠিকানাতে।

এক বৃদ্ধ দাদু

পুষ্পবতী ২৮ মে ২০১৪, বুধবার, ০৫:০৬:১৫অপরাহ্ন একান্ত অনুভূতি ১৫ মন্তব্য
আকাশটা খুব মেঘ্লা ছিলো তাড়াহুড়া করে বাসা থেকে বের হলাম।তাড়াতাড়ি গাড়িতে উঠতে হবে নাহলে বৃষ্টি নামলে ভিজে যেতে হবে.আমার আবার ছাতা ভালো লাগেনা খুব বোরিং লাগে,সবসময় চেষ্টা করি ছাতা না নিয়ে কিভাবে বের হওয়া যায় । বাসা থেকে বের হয়ে একটু হেটে মুরে গিয়ে গাড়িতে উঠতে হয়। দাড়িয়ে আছি অটো ,রিক্সা যেকুনো একটি পাবার আশায় কিন্ত [ বিস্তারিত ]

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ