জবরুল আলম সুমন

নিজের সম্পর্কে বলার মত সঞ্চয় আমার নেই। নিজেকে স্বচ্ছ আয়নার মতই ভাবি, আমার প্রিয় বন্ধুরা যখন আমার সামনে এসে দাঁড়ায় আমি তখন তাদের প্রতিবিম্ব মাত্র। তাতেই আমার সুখ। মাঝে মাঝে কবিতা, ছড়া, উপন্যাস ও বিবিধ বিষয়ে লিখতে ভালো লাগে... সঙ্গীতই আমার জীবন... বিভিন্ন ধরনের গান শুনতে আমার খুব ভালো লাগে। একটা সময় আমি শব্দ প্রকৌশলী হিসেবে কাজ করতাম তাই এখনো সময় পেলে সংগীত রচনা করতে বেশ ভালো লাগে। এটাই আমার শখ... আমি আমার শিক্ষক। চেষ্টা করি প্রথমে নিজের কাছ থেকে শিখতে তারপর চারপাশ থেকে শিখি... এবং এখনো শিখে যাচ্ছি... এইতো...

  • নিবন্ধন করেছেনঃ ৬ বছর ৮ মাস ১২ দিন আগে
  • পোস্ট লিখেছেনঃ ৫১টি
  • মন্তব্য করেছেনঃ ৩৫৩টি
  • মন্তব্য পেয়েছেনঃ ৫১৩টি
১. জীবন যেন কচু পাতার পানি, কখন কোথায় গড়িয়ে পড়ে কেউ নাহি তা জানি! ২. কোন পথে যাই নাই ঠিকানা যদিও যাওয়ার নেইকো মানা মেলছে না আর ইচ্ছে ডানা ইচ্ছে প্রজাপতির, স্রোতের টানেই ভাসছি কেবল মিলছে না রে তীর… ৩. নেইকো মানা মেলছি ডানা আকাশ পানে উড়বো বলে, যাক চলে যাক মন্দ বাতাস ফিকে অতীত [ বিস্তারিত ]
০১. প্রেম পিরিতির ছলা কলা সবই তুমি জানো, চালে উঠে জাল ফেলে হায় ঘরে বসে টানো! ০২. তুম নাহি ত ডুব যায়েগা ঝাপ দিয়ে নদ জলে, ডুব দিয়ে জল খাচ্ছো ঠিকই অন্য নদের তলে… ০৩. আমি তখন তরুণ অবস্থাটা করুণ, হাত বাড়াচ্ছে সবাই ধরুন ধরুন ধরুন; বয়স হলো বটে আজগুবি সব ঘটে, মুখ ফেরাচ্ছে সবাই [ বিস্তারিত ]
টিভির পর্দা ত্যানা ত্যানা আলোচনায় উঠছে ঝড়, বাজেট এবার মানুষ মারার পুচ্ছে লাগছে উচ্চ ‘কর’! ‘অশোভনীয় আশাবাদের’- বাজেট এবার বলছে কেউ, ঘরে বাইরে এই সময়ে বাজেট বাজেট উঠছে ঢেউ! আমারো কিছু কথা আছে বাজেট নিয়ে কইতে দ্যান, আমার কথায় কি আসে যায় ভাংবে কি আর কারো ধ্যান? দু’লাখ আয়ে নেই কোন ‘কর’ তবুও ঘরে শান্তি [ বিস্তারিত ]
১. জ্বলা হ্যায় জিসম জঁহা দিল ভি জ্বল গায়া হোগা পুরেদেতে হো জো আব রাখ জুসতজু ক্যা হ্যায়।   পুড়িয়ে আমার মন আর দেহ উড়িয়ে উড়িয়ে দেখছো ছাই, সত্যি করেই বল ত সখী আসলে তোমার কি যে চাই? ২. হম ভি তসলীম কি খু ডালেঙ্গে বেনেয়াজি তেরি আদত হি সহী। অবহেলা করাটা যদি তোমার অভ্যাসে [ বিস্তারিত ]
সহস্রাধিক দর্শকে ভর্তি হল রুম। আর মাত্র কিছুক্ষণের মধ্যে শুরু হবে বাংলা নববর্ষকে কেন্দ্র করে বিশেষ ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান “সাদর সম্ভাষণ ১৪২০ বাংলা”। হল রুমের আলো একটু একটু করে নিভে আসছে, মঞ্চের সম্মুখের বিশালাকার কালো পর্দা ধীরে ধীরে উপরে উঠে যাচ্ছে তুমুল করতালির মধ্য দিয়ে উপস্থাপকের প্রবেশ ঘটলো মঞ্চে। সেই সাথে কুদ্দুসের বিরক্তিরও ইতি ঘটলো, এতোক্ষণ [ বিস্তারিত ]
১. কেউ দিয়ে যায় আছাড় কেউ ফেলে যায় গুড়িয়ে, লক্ষ্যে পৌছার আশায় তবু উঠবোই আবার দাঁড়িয়ে… ২. গনতন্ত্রের ধর্ষকেরাই দেশটা শাসন করে, আমরা বলি বেশ আছি ভাই সারা বছর জুড়ে! ৩. ও সখী তোর পাথর মনটা নরম হয়না ক্যান? পাথর মনটা করতে নরম করবো কত ধ্যান!! ৪. হায় কত দিন দেখিনা’রে রইলি কোথায় দূরে? হাতের [ বিস্তারিত ]
কিছু একটা লিখতে হবে বলে লিখতে বসলাম। স্বাভাবিক ভাবে কলম নিয়ে দু কদম আগানোর পর মনে হলো যা লিখছি তাতে যদি সুর ঢেলে দেয়া যায় তাহলে হয়তো গান হয়ে যেতে পারে, লেখাটা অর্ধেক শেষ করেই সুর দেয়া শুরু করলাম। গলার অবস্থা কেরোসিন!!! স্বাভাবিক ভাবে কথা বলতে গেলেই হাঁসের মতো প্যাঁক প্যাঁক শব্দসহ অনেক কিছুই বের [ বিস্তারিত ]
হৃদয় পুড়ে ছাই করেছো তাই ভেবেছো, ফুরিয়ে গেছি? কাঁদা জলে পা ফেলেছি আটকে গেছি! আটকে গেছি? গোলাপ ফুলে কাঁটা ছিলো কীটও ছিলো নিঃশ্বাসে তার বিষও ছিলো, শেষ কি হলো? শেষ হলো না বেঁচেই আছি, দিব্যি আছি গাইছি আজো সুরে সুরে গুনগুনিয়ে, লিখছি আজো আগের মত প্রেম কবিতা- আঁকছি ছবি আমায় নিয়ে ইনিয়ে বিনিয়ে; পাহাড়সম স্বপ্ন [ বিস্তারিত ]
প্রথম আলো ব্লগে “ছবি কন্যা” খেতাব পাওয়া জনপ্রিয় ব্লগার ছবি আপু। যদিও তিনি “এই মেঘ এই রোদ্দুর” নিক’টা নিয়ে বিভিন্ন ব্লগে ও ফেসবুকে লেখা-লেখি করেন। লেখা-লেখির সাথে সমান তালে আঁকা-আঁকিতেও পারদর্শী! এম.এস পেইন্টের যেখানে আমি ভালো মতো একটা সরল রেখাও টানতে পারিনা সেখানে তিনি দিব্যি এঁকে ফেলেন নিজের পোর্ট্রেটসহ হরেক রকমের মনকাড়া ছবি। সত্যি অবিশ্বাস্য [ বিস্তারিত ]
১. বিবেকের ঘরে তালা দিসি কান্দো এবার বইয়া, হুনুম না আর কিছুই আমি যতই যাও কইয়া! ২. দেখি তোমার মেকি হাসি এ্যাঁ কি ছলনায়, একই অঙ্গে কত যে রূপ কত মহিমায়! ৩. ধূর শালা! লিখুম না আর যা-ই লিখিনা ছাই, সব লেখাতেই তোমার গন্ধ তোমায় খুঁজে পাই! ৪. তোমার জন্য হৃদয় আমার হইলো তামা তামা, [ বিস্তারিত ]
১. সে-ই জানেরে সে-ই জানে মন পুড়ে যায় যার, বুকের ভেতর আর কিছু নাই শুধুই হাহাকার। ২. হ্যালো ম্যাডাম আর পারিনা ইতনা জ্বালা বুকে! ক্যামনে কমু আই এম ইন লাভ আন্ধাইর দেখি চউক্ষে। ৩. তোমার দেয়া স্বপ্ন বীজে আজও করি চাষ, বন্ধ্যা বীজে হয়না ফসল কি যে সর্বনাশ। ৪. শীতে কাঁপায় হাড্ডি মাংস তুমি কাঁপাও [ বিস্তারিত ]
আমায় তুমি খুন করেছো গুম করেছো, ঘুম কেড়েছো স্বপ্ন দেখার সাধ কেড়েছো মাঝ পথে দু-হাত ছেড়েছো রক্ত মাখা হৃদয় খানি ইচ্ছে করেই- আচ্ছা মতো হ্যাঁচড়া টানে বের করেছো! তবু, ছ্যাঁচড়া আমি তোমার পানে তাকিয়ে তাকি স্মৃতি মাখা অম্ল মধুর দিনগুলোর সব আগলেই রাখি। আগলে রাখি বিলীন হওয়া হাওয়ায় মেশা মুখের হাসি খুব যতনে সঙ্গোপনে বলছি [ বিস্তারিত ]
তখন ক্লাস সিক্স অথবা সেভেনে পড়ি। শহীদ দিবস, স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবস, বাংলা নববর্ষ, পহেলা ফাল্গুনসহ নানান রকম উৎসব এলেই আমাদের স্কুলে বিভিন্ন জমকালো অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে তা যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করা হতো, এখনো হয়। পাঁচ সাত দিন আগে থেকেই একটা উৎসব উৎসব ভাব থাকতো সবার মধ্য। প্রিয় স্যার তপন কুমার দাস (বর্তমানে বাংলাদেশ বেতারে [ বিস্তারিত ]
১. দীঘে তুমি বাড়ছো না গো প্রস্থে শুধু বাড়ো, ফাস্ট ফুডের মায়া তবে এইবার ছাড়ো। ২. তোমার ভয়ে আমি থাকি অফ-লাইনে, বাঁচাতে পারিনা তবু মাস শেষের মাইনে। ৩. কালো চুলে ধরে পাক দ্বারে নক করে টাক, ব্যচেলার ডিগ্রিটা এইবার ঘুচে যাক। ৪. কেউ বলে প্রেম আর কেউ বলে জ্বালা, তবু কেন সকলার বিবেকে তালা ? [ বিস্তারিত ]
ডায়েরী লেখার প্রাত্যহিক কোন অভ্যাস আমার কোন কালেই ছিলো না, এখনো নেই। তবে প্রতি বছরই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও প্রিয় বন্ধুদের কাছ থেকে অনেক ধরনের ডায়েরী উপহার হিসেবে পেয়ে থাকি। সেসব ডায়েরীতে আমি সাধারণত কবিতা ও লিরিক লেখার কাজটাই করি। দু-একটা ডায়েরীতে আমার জীবনে ঘটে যাওয়া কিছু স্মরণীয় ঘটনার আংশিক বা পূর্ণ বিবরণ লিখে গেছি। এখন [ বিস্তারিত ]

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য