মূল লেখায় যান

হ্যামিলনের বাঁশি

সুপর্ণা ফাল্গুনীকবিতা৩৫টি মন্তব্য

একটি হ্যামিলনের বাঁশি চাই,
যে বাঁশির সুরে বিমূর্ত হবে যামিনী;
বিমূর্ত হবে অষ্টপ্রহরের ভবলীলা-
জাগ্রত হবে মানবতা, বিবেক, প্রেম।
মুছে যাবে কালিমা, জঞ্জাল;
হারিয়ে যাবে জরা-ব্যাধি, মহামারী-
সময়ের অতলান্তে।

একটি হ্যামিলনের বাঁশি চাই,
যে বাঁশিতে আনন্দের লহরী উছলে পড়বে-
ধরণীতে সমর্পিত হবে প্রণত জলাধার।
অন্তরীক্ষ সাজবে বর্ণালী ধারায় সকাল-সন্ধ্যা;
প্রকৃতির ক্যানভাসে বিচ্ছুরিত হবে রঙের প্রলেপ।
মর্ত্যলোক চির-নবীন হয়ে ফুটবে যে শুভারম্ভের জয়যাত্রায়।

হে হ্যামিলনের বাঁশি!
তোমার মদিরাক্ষীতে অধরের মদির ঢালো,
আবেশে পুলক ছড়াও ;
লোভ-লালসা, হিংসা-অহংকার ,ক্রোধ-জিঘাংসা;
বিসর্জন দাও নেশার সরোবরে;
প্রিয় বসুধাকে- পূণ্যময় করো, বাসযোগ্য করো।

মোট পড়েছেনঃ ৭৭০জনআজ পড়েছেনঃ ০জন
ঘরে বসেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন

৩৫টি মন্তব্য

  1. “একটি হ্যামিলনের বাঁশি চাই,
    যে বাঁশির সুরে বিমূর্ত হবে যামিনী;
    বিমূর্ত হবে অষ্টপ্রহরের ভবলীলা-
    জাগ্রত হবে মানবতা, বিবেক, প্রেম।
    মুছে যাবে কালিমা, জঞ্জাল;”

    যে বাঁশিতে মুছে যাক করোনাকাল
    ঘরনী রাঙিয়ে উঠুক সুন্দর সকাল।
    খুব ভাল হলো আপু। শুভ কামনা।

  2. হ্যামীলনের বাঁশি চাই।শুধু বাঁশিতে হবে না দিদি।বাঁশিবাদকও তো লাগবে! দক্ষ বংশীবাদক না হলে শহর ইঁদুর মুক্ত কেমনে হবে?
    ভালো লাগলো প্রতিকী কবিতা দিদি।
    ভালো থাকবেন
    সাবধানে থাকবেন।
    শুভ কামনা।

    1. সর্বনাশ না করলে ভালো কিছু পাবেন কিভাবে? ভালো কিছু পেতে গেলে তো খারাপের বিনাশ করতে হবে তাহলে সর্বনাশ হবেই কারো না কারো। ধন্যবাদ ভাইয়া ভালো থাকবেন সবসময়

  3. আসলেই কি আমরা সেই হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালাকে পাবো, যে পৃথিবীকে তার বাঁশির সুরে সব পঙ্কিলতাকে ঝেড়ে মুছে নিয়ে গিয়ে সমুদ্রে বিলীন করে দেবে?
    খুব ভালো লাগলো আপু।

  4. আমারো একটা হ্যামিলনের বাঁশি চাই। বাজানোর চেষ্টা করতাম। তবুও যদি এই মহামারি দূর্যোগ বিষণ্ণ সময় কেটে গিয়ে সবার মুখে হাসি ফোটাতে পারতাম!

    অনবদ্য লেখনির জন্য ধন্যবাদ দিদিভাই। মুগ্ধ হলাম।

    1. ওয়াও। চেষ্টা করুন। আমরা আপনার বাঁশি শুনবো লকডাউনের পর। অসংখ্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই। চেষ্টা করি যতটুকু আমার সাধ্যের মধ্যে ভালো করার জন্য। বাকীটা আপনাদের সবার অনুপ্রেরণা আর ভালোবাসা। শুভ কামনা রইলো

  5. হে হ্যামিলনের বাঁশি!
    তোমার মদিরাক্ষীতে অধরের মদির ঢালো,
    আবেশে পুলক ছড়াও ;
    লোভ-লালসা, হিংসা-অহংকার ,ক্রোধ-জিঘাংসা;
    বিসর্জন দাও নেশার সরোবরে;
    প্রিয় বসুধাকে- পূণ্যময় করো, বাসযোগ্য করো।

    ইশ! যদি এরকম একটা বাঁশি হাতের নাগালে পেতাম! তাহলে এই যাদুকরী বাঁশি বাজিয়ে এই বসুধারা থেকে ঘাতক করোনাভাইরাস শেষ করে দিতাম। কিন্তু হায়! এই আফসোস শুধু মনের মনিকোঠায় থেকে গেল। আর ঘাতক করোনাভাইরাস প্রাণ কেড়ে নিতে লাগলো হাজারে হাজার।

    সময়োপযোগী কবিতা পড়ে বর্তমান অবস্থার সাথে তুলনা করেছি, দিদি।
    শুভকামনা থাকলো শ্রদ্ধেয় কবি দিদি।

মন্তব্য করতে লগিন করুন অথবা নিবন্ধন করুন।

অনলাইনে ডাক্তার দেখাতে চান?