মূল লেখায় যান

শূণ্যতায় বাস

সুপর্ণা ফাল্গুনীকবিতা১৫টি মন্তব্য

এক একটি ধূম্রকুন্ডলীর বাঁকে বাঁকে হতাশার কালিমা; চারপাশটা ঘিরে রেখেছে নিরাপত্তার বলয়ে।

এখানে সবাই নিষিদ্ধ শুধু ফেলে আসা তত্ত্ব সাম্যবাদ চোখ রাঙিয়ে যায়।

বেহুলা আজো লক্ষিন্দরের প্রত্যাশায় ঢেঁকুর তোলে, চন্ডীদাস ও ছিপ ফেলে অপেক্ষায় রজকিনীর;

অবহেলার শহরে নিত্য বেজে ওঠে ডামাডোলের আত্মচিৎকার।

পরিযায়ী পাখি হয়ে উড়ে যায় মৌসুমী প্রেমিক,

শূণ্যতায় বাস করে লাল-নীল-বেগুনী মেঘের দল;

তবুও বামন হয়ে চাঁদ ধরবার নেশায় জলফড়িংয়ের আনাগোনা বেড়েই চলেছে-

এই শহরের বিদঘুটে ল্যাম্পপোস্টের কিরীট জুড়ে।

মাতাল অঙ্গুলীয় ইশারায় নাচে পিয়ানো রাত;

প্রতিক্ষণে মৃত্যু উৎপাদন হার বেড়েই চলেছে-

খলনায়ক রাবণরা আজো বসে থাকে পথের ধারে কুড়াতে পারুল-শিমুল।

মেঘের ওপাড়ে পরদেশী আকাশ ওড়ে অদৃশ্যের জালে, মৃত শহরে বুদবুদ করে ছলনার পানকৌড়ি,

রাক্ষুসী মেঘের দল জ্যোৎস্না গিলে খাচ্ছে মহোৎসবে।

 

রচনা-২৯/১১/২১

ছবি- নিজের

মোট পড়েছেনঃ ৯২৬জনআজ পড়েছেনঃ ০জন

১৫টি মন্তব্য

  1. একজন সৃজনশীল মানুষ সবসময় সংবেদনশীল শূন্যতায় ভোগে, তাঁর উপলব্ধিগুলো ও সুক্ষ তাই এইসব অসংগতি সে কখনো মেনে নিতে পারেনা। পারেনা বলেই এতো চমৎকার কবিতার জন্ম হয়। কবিতা এবং কবিকে শুভেচ্ছা অবিরাম।

  2. তবুও বামন হয়ে চাঁদ ধরবার নেশায় জলফড়িংয়ের আনাগোনা বেড়েই চলেছে- আসলে বামনেরা কি চাঁদের দেখা পায় না
    কেউ বলে বামন হয়ে চাদ দিকে হাত বারান তাহলে কি হয় আজ সেই উত্তর খুজে পাইনি প্লীজ বলবেন কবি দিদি—ভাল থাকবেন

  3. অসংগতিগুলো সারাজীবন একই রকম থাকে কেন? আমার এটাই ভালো লাগে না। তবুও আমরা যোগ্যতার বাইরেও কিছু প্রত্যাশা করেই বসি যদিও তা সফল হয় না। শুভ কামনা ও শুভ নববর্ষ দিদিভাই।

মন্তব্য করতে লগিন করুন অথবা নিবন্ধন করুন।