মূল লেখায় যান

সীমান্তে বৈশাখ (ম্যাগাজিন)

শুন্য শুন্যালয়কবিতা২৩টি মন্তব্য

আবারো বয়স বাড়লো তিনশো পঁয়ষট্টি দিন।
জন্ম হলো নতুন ভাঁজের,
মৃত্যুঞ্জয়, তোমাকে রোওওওজ স্বপ্ন দেখি।

একটি শীত কমলো বাঁধা না মেনেই
যে চারাগুলো রোপণ করেছিলাম
সেখান থেকে একটি আর বেঁচে ওঠেনি,
জাতিস্মর, আর কতো অপেক্ষা?

যেভাবে বেঁচে থাকি, যেভাবে বেঁচে থাকে সবাই
তার ভেতরেই মরে গেলো একটি চৈতী
সয়ে যাওয়া মৃত্যুচোখেই ভাবি
কবে আসবে তুমি?
কবরের উপর নতুন কৃষ্ণচূড়া হয়ে….

মোট পড়েছেনঃ ৯৪৬জনআজ পড়েছেনঃ ০জন

২৩টি মন্তব্য

  1. না, কোনো কৃষ্ণচূড়াকে এ কবরে মোর উঠতেই দিব না। একেকটি অপেক্ষার প্রহরে যে মৃত্যু আমার তাতে কোনো অহংকারের জন্ম হতে দিব না। আজ এ কবরে আমারই অহংকারে ফুটে উঠবে এক নতুন ঘাসবুক। সে ঘাসবুকে নতুন যে শিশিরবিন্দু তাতে যদি না পড়ে কোনো আলো ক্ষতি নেই। কবরের এ অন্ধকারেও তাকে স্পর্শ করে যাব আমি অনন্তকাল।
    অনেক ভাল হয়েছেরে সোনা। চমৎকার লিখেছো। সকালটা হাজার মেঘের ভিড়েও এক চিলতে রদ্দুর মনে হচ্ছে।
    (3 -{@

    1. তুমি কথা বললেই নাইটিংগেল নেঁচে ওঠে, প্যাঁচার চোখ হয়ে ওঠে আদুরে, সাঁপের চোখে জমে মায়া, জোনাক তার আলো নেভাতে ভুলে যায়।
      মিষ্টি ঘাসবুকের প্রেমিকার জন্য এত্তো ভালোবাসা রইলো। -{@

  2. এইসব মরা মরি নিয়ে না লেখলে কি চলে না? মন খারাপ হয়ে যায় যে। কি সুন্দর করে কঠিন সত্যটি লিখে দিলে
    “আবারো বয়স বাড়লো তিনশো পঁয়ষট্টি দিন।
    জন্ম হলো নতুন ভাঁজের” … এমন করে ক’জনই বা লিখতে পারে?

    খুব ভালো হয়েছে কবিতা।
    তয় এত ভালা ল্যাহা কি না দিলেই নয়? সব পুরস্কার তো একলাই বগলদাবা করবা দেখতে পারছি।

  3. যেদিন জন্মেছি সেদিন থেকেই একটু একটু করে মৃত্যু দিকে এগোচ্ছি। ও নিয়ে ভাবা ভাবির কিছু নাই।
    কবিতা তো ভাল হয়েছে। কিন্তু মন খারাপ করে দিয়েছে।

    1. মৃত্যু নয়, মৃত্যুকে জয় করতে চাওয়ার লেখাগো আপু। মরতে চাইনা যে। তাই জাতিস্মর রূপে বেঁচে থাকতে চাই। আদোতে যেই চৈত্র মাস চলে যায় তাই ই কী বৈশাখ হয়ে ফিরে আসেনা? সবই পালাবদলে ঘুরে আসে আমি নই কেন?
      ভালো থেকো মিষ্টি আপু।

  4. শুন্য আপু এমন একটি মন খারাপ করা কবিতা লিখলে, মন্তব্য করতে পারছিনা। তুমি-ই বলে দাও কি বলবো আমি!

    অসম্পূর্ণ আমেজ ভরা জীবনে পাল তুলে যাওয়া এক চিমটি নিঃশ্বাস
    আগামীর স্বপ্ন দেখে; কখনো মেঘে, কখনোবা রোদ্দুরে।
    চৈত্রের কাঠফাটা রোদ্দুরে মিহিদানা ঘামের বিন্দু সমস্ত মুখে, যেনো ঘাসের বুকে শিশির দ্যুতি
    কখনো কৃষ্ণচূড়া ফুলের রঙে প্রাণখোলা উচ্ছ্বলতায় উড়িয়ে দেয়া উত্তরীয়
    রাঙ্গিয়ে দেয় যাবার ঠিক আগেই।
    “কে যায়!” হাঁক দেয় ঈশান কোণের মেঘ,
    একটুকরো মেঘলা স্বস্তি গায়ে জড়িয়ে নিয়ে হেঁটে যেতে থাকে
    কালের অতল গন্তব্যের দিকে
    আরেকটি নূতন ঋতুর ভোরকে স্বাগত জানিয়ে বসন্ত বিদায় নেয় আবার আসবে বলে।

    মৃত্যুর কাছে জন্মের জয়, কেমন হলো বলো তো তিলোত্তমা?
    অনেক ভালো রেখো। -{@

      1. তুমি আর আমি যে একই আত্মা। দেখো না কতো খামচা-খামচি, ঝগড়াঝাটি করি! আবার সুঁই-সুতো হয়ে জোড়া লাগাই ছেঁড়া জায়গা। “নাহ তুমি তুমিই” নয়, আসলে আমরা আমরাই দুজন 🙂 যেমন, চুলের সাথে রাবার ব্যান্ড। 😀

        ভালো থেকো তিলোত্তমা। -{@

  5. Bah didi,
    বছর বছর শান্তি চাই নতুন বছর/অরুণিমা
    ধর্ষন রাজনীতি চাই না
    নতুন জামাতে ন্যাপথ্যালিন সেন্ট চাই
    মুখে কোলতার মাখানো দাসত্ব চাই না
    #
    সাহিত্যে অভিনয় পলিটিক্সে শিল্প চাই ,তরুন স্ফুলিঙ্গ চাই
    ন্যাতানো পরাধীন বুড়ো দুর্বল ভিজে বারুদ কাঠি চাই না
    নতুন মুখ নতুন টালেন্ট নতুন পৃথিবী চাই
    ভাঙাচোরা রং মাখানো প্রক্সি চাই না
    #
    প্রকৃত নায়িকা মাধুরী সুচিত্রা সেন চাই
    স্টেজ কঁাপানো শরীর চাই না
    কবিত্ব চাই , ফেক পাবলিশিটি চাই না
    হালখাতায় টাটকা সন্দেশ চাই বাসি চিকেন
    প্লাস্টিকের ডিম কালোজাম চাই না–
    #

মন্তব্য করতে লগিন করুন অথবা নিবন্ধন করুন।