মূল লেখায় যান

মা কে

ছাইরাছ হেলালএকান্ত অনুভূতি৩৪টি মন্তব্য

উদাসী সন্ধ্যা নামছে গড়াইয়ের বুকে কুয়াশার ডানায় ভর করে ধীরে ধীরে।
দাড়িয়ে আছি মাকে নিয়ে,এই সন্ধ্যায়,মাকে নৌকায় চড়াব বলে।
মাঝি, ও…… ও…… ও…… ও মাঝি ভাই,নৌকা ভেরাও,
আমি একাত্ম,ডাকছি তোমাকে।
জলদি এসো,মাকে নিয়ে অপেক্ষা করছি যে;
আমার মা নৌকার গলুইয়ে বসবে নদীজলে পা ভিজিয়ে,কোমল জলের ঘ্রাণ নিয়ে
হাত দিয়ে খেলবে কাটাকুটি খেলা এই ঘোলা জলে,আমিও বৈঠা নেব শক্ত হাতে।
এসো এসো,এসো বলছি।
মাঝিটা দেখছি অন্ধ,কালা-বোবা। দেখে না বোঝে না,শোনেও না।
মা,মা আমার,কেঁদো না।
দেখে নিও,স্যাঁতস্যাঁতে পাতাল খুঁড়ে হলেও একদিন আমি বড় হবো,অনেক বড়।
তোমাকে নিয়ে ভাসব নৌকায়,রঙিন পাল তুলে।
নৌকা হয়ে ভেসে বেড়াব তোমাকে নিয়ে,এই গড়াইয়ের বুকে,অনেক ভালোবেসে,
ছুঁয়ে ঐ সবুজের দিগন্ত রাজহাঁসের বেশে।

মোট পড়েছেনঃ ৯০৪জনআজ পড়েছেনঃ ০জন
ঘরে বসেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন

৩৪টি মন্তব্য

  1. “দেখে নিও,স্যাঁতস্যাঁতে পাতাল খুঁড়ে হলেও একদিন আমি বড় হবো,অনেক বড়।
    তোমাকে নিয়ে ভাসব নৌকায়,রঙিন পাল তুলে”।
    সেদিন যেন একদিন আসে-এই শুভকামনা রইলো।

  2. একাত্মর মা দেখছি অনেক ভাগ্যবতী। নদীর ঘোলা জলে কাটাকুটি খেলতে দেখছি এলোকেশী মা কে, আর ছোট্ট একাত্ম নৌকা হয়ে ভেসে বেড়াচ্ছে।
    লেখায় আপনাকেও ঠিক অই ছোট্ট একাত্মর মতো মনে হচ্ছে।

          1. ইস্‌ জানুর কথা মনে করালেন, সে তো ভেগেছে। দড়ি নিয়ে খুঁজছি।
            ইট্টু চা চাইলাম তা আবার ফাইনালের কথা বলে ঝুলিয়ে দিলেন!
            দুয়া চালু থাকপে।তবে শুকনো মুখের দুয়া কিন্তু সেরাম হপে না।

          2. দড়ি নিয়ে ভালো করেছেন, এরপর খুঁজে পেলে সোজা খোঁয়াড়ে।
            আপনি এতো চা চা করছেন কেনো? ঘুটা মেশিনের চা খেয়ে পুরাই কাত হয়ে আছেন বুঝতে পারছি।
            দুয়া সেরাম না হলে কিন্তু সব দোষ কিন্তু আপনার উপরও যাবে। চা চড়িয়েছি চুলায়, তবে কবে রান্না শেষ হবে জানিনা। অপেক্ষা করুন।

  3. যখন লেখাটি পড়ছিলাম তখন আমি সম্পূর্ণরূপে লেখার ভিতর ডুবে গিয়েছিলাম –অসাধারণ সাজানো গোছানো,,, সুন্দর সাবলীল –মায়ায় ভরে আছে সারাটি লেখার গায়ে —মাকে নিয়ে এত সুন্দর করে লিখেছেন যে মনের ভেতর শ্রদ্ধা আর ভালবাসা জেগে উঠছে মার জন্য ———

মন্তব্য করতে লগিন করুন অথবা নিবন্ধন করুন।

অনলাইনে ডাক্তার দেখাতে চান?