মামাকে দেখতে যাওয়া পর্ব (৭)

জেলার মোট আয়োতন ৫,০৬৬ বর্গ কিমি। সীমানা: উত্তরে হরিয়ানার এনইউএল জেলা, পূর্বে উত্তরপ্রদেশের মথুরা ও আগ্রা জেলা, দক্ষিণে ধৌলপুর জেলা, দক্ষিণ-পশ্চিমে কারৌলি, পশ্চিমে দৌসা এবং উত্তর-পশ্চিমে আলওয়ার জেলা।
তিনটি নদী, বন গঙ্গা, রূপারেল ও গম্ভীর জেলার পার্শ্ববর্তী। জয়পুর জেলায় বন গঙ্গা উৎপন্ন হয়ে উত্তরাঞ্চলীয় যমুনা নদীতে মিলিত হয় দাউসা ও ভারতপুর জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে। গাম্ভীরা নদী কারাউলী জেলার পচানা বাঁধ থেকে শুরু হয় এবং বায়ানা তহসিলের বন গঙ্গার সাথে মিলিত হয়। রূপারেল নদী আলয়ার জেলার পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়ে ভরতপুর জেলার কামান তহসিলের প্রবেশ করে।
ভারতপুর জেলার দশটি রাজস্ব উপবিভাগ এবং ১১ টি তেহসিল রয়েছে। ৯ টি রাজস্ব উপবিভাগ ও তেহসিলের নাম ও সীমানা একই রয়েছে, তবে কেবলমাত্র উইর উপবিভাগটি উইর তহসিল ও ভূসওয়ার তহসিলে বিভক্ত। অন্যান্য দশটি তেহসিলগুলি হল: বায়ানা, ভরতপুর, দেগ, কামান, কুমার, নাদবাই, নগর, পাহাড়ী, উচচেন এবং রূপওয়াস (রূপবাস)।
ভারত সরকার গঠনের পূর্বে ভরতপুর এক সময় রাজাদের নিয়ন্ত্রনে ছিলো। পর্যায়ক্রমে রাজাদের নাম ও মেয়াদকাল দেয়া হল।
মহারাজা সূর্য মাল (ফেব্রুয়ারি ১৭০৭ – ২৫ ডিসেম্বর ১৭৬৩) ভারতপুরের জাট শাসক ছিলেন।
আচার্য রাজেন্দ্রাসুরি (১৮২৬-১৯০৫), জৈন সংস্কারক জন্মতপুরে জন্মগ্রহণ করেন।
নাটওয়ার সিং (জন্ম ১৯৩১), প্রাক্তন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
জগন্নাথ পাহাড়ীয়া (জন্ম ১৯৩২), রাজস্থানের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও হরিয়ানার সাবেক গভর্নর।
এই হল ভরতপুরের মোটামোটি ইতিহসা। আমরা ভরতপুরের কিওলাদিও ন্যাশনাল পার্কে যাচ্ছি । এশিয়া মহাদেশে সবচেয়ে বড় পাখির অভয়ারণ্য হল এই কিওলাদিও ন্যাশনাল পার্ক। এখানে নভেম্বর থেকে জানুয়ারী মাস পর্যন্ত প্রায় ৩৫০ প্রজাতির পাখি পরিযায়ী হয়ে আসে। এরা ৪ মাসের অধিক অবস্থান করে। গ্রীষ্মের শুরুতে নিজ নিজ দেশে পাখিগুলি আবার ফিরে যায়। সারাদেশের হাওড়-বিল,নদী-নালা. বন-জঙ্গলে ঘুরে যত পাখি না সংগ্রহ করেছি তার সব পাখিই এক সঙ্গে এখানে পাওয়া যায়। তবে এখানেও ভাগ্য সুপ্রসন্ন থাকতে হবে।
ভরতপুর জেলার কেন্দ্রে কিওলাদিও ন্যাশনাল পার্ক। জয়পুর থেকে ভরতপুর যাবার পথে আমরা বেশ কয়েকটি দর্শনীয় ঐতিহাসিক স্থান পরিদর্শন করি। তারমধ্যে ছিলো-











২৪টি মন্তব্য
অনেক অনেক জার্নি করেছেন একটানা। ভাবতেই অবাক লাগে। বনে জঙ্গলে ছোটাছুটি করতে অনেক শক্তি আর ধৈর্য্য লাগে। আগামী পর্বে তাহলে কি পাখীর রাজ্য দেখবো? শুভ কামনা রইলো আপনার জন্য
দিদি ভাই, ভ্রমনে আমি কখনই ক্লান্তি বোধ করি না। যদি সে ভ্রমন থাকে শুধু আনন্দের। তবে কোন টার্গেট ভ্রমনে যদি টার্গেট পূরন না হয় তখন মনটা বিষাদে ভরে উঠে ক্ষনিকের জন্য। যা পরেই আবার মন ভাল হয়ে উঠে। জ্বী যেহেতু ভরতপুর পাখির অভয়ারণ্য তাই পাখি ছাড়া এখানে আর কিছু নেই। এখানে মামা নেই। ভাল থাকবেন দিদি।
বেশ , ভালোবাসা ও শুভ কামনা।
আপনার জন্যও রইলো ভালবাসা।
আপনি না হয় গরম পানিতে গোসল করে মনটা ফুরফুরে করে ফেললেন, কিন্তু আমি তো মামাকে না দেখতে পাবার শোক ভুলতে পারছি না।
ভাইজান যদি আমি বেঁচে থাকি এবং সুস্থ্য থাকি তবে আপনাকে মামা একদিন দেখাবোই। সেদিন না হয় শোক ভুলে আনন্দে মেতে থাকবেন আমার সাথে।
এমন সুখপ্রাপ্তির প্রতীক্ষায় রইলাম।
আরনার ধৈর্যের প্রশংসা করতেই হয়
আগামী পর্বে তাহলে কি পাখীর রাজ্য দেখবো?
ভালো থাকবেন। শুভ কামনা।
দাদাভাই এবার আপনাদের নিয়ে যাবে হরেক রকমের পাখির সাথে।
লোহাগড় কেল্লাটা মনে হয় অযত্নে রয়েছে, এমন ঐতিহ্যবাহী স্থাপনাগুলো সরক্ষণে না রাখলে দ্রুত ধ্বংস হয়ে যায়। এ মামার দেখা আজকে পাননি বলে কি হয়েছে অন্য দিন হয়তো পেয়ে যাবেন, আমিও মামার দেখা পাওয়ার আশায় আছি।
আসলে কোনটাই অযত্নে নেই। কারন এ থেকে ভারত সরকাল পর্যটকদের আকর্ষন করে প্রচুর রাজস্ব আদায় করে। প্রতিটি দর্শনের টিকিটের হার ভারতীয়দের থেকে বিদেশীদে পাচশতগুন বেশী
পাচশতগুন বেশী
আপনিতো আমার মত স্বভাবের দেখছি ভাইজান। মন খারাপ থাকলে খানাপিনার বিকল্প নাই ☺
পোস্টে ভরতপুর সম্পর্কে অনেক তথ্য জানলাম যার কিছুই জানতামননা। ছবিগুলি কি আর একটু বড় করা যেতো?
ভালো থাকুন ভাইজান।
ভাইজান ভ্রমনে আমি দুইটি জিনিষ সবচেয়ে বেশী জোর দেই। একটা হলো ভাল ভাল খাবার অন্তত দিনের যে কোন এক বেলায়। আর অন্যটি হলো ভাল ঘুমের জায়গা। এই দুটির যে কোন একটির অভাব হলে ভ্রমনে আনন্দের চেয়ে ক্লান্তি বেশী আসবে।
ব্লগের জন্য ছবি সাইজ করতে পারি না বলেই তোমার শরণাপন্ন হওয়া ও তোমাকে বিরক্ত করা।
তুমিও ভাল থেকো পরিবারের সাথে।
ভাগ্যে থাকলে বাঘ এর ছবি তুলতে পারবেন একদিন।
ভরতপুর সম্পর্কে জানলাম অনেক কিছু।
পরবর্তী পোস্টে পাখির ছবি ও বর্ননা আশা করছি।
চমৎকার উপস্থাপনা।
শুভ কামনা ভাই।
জ্বি ভাইজান। ভাগ্যে ও আপনাদের দোয়া থাকলে একদিন মামাকে তুলে আনবো এবং আপনাদের সামনে হাজির করবো।
সে পর্যন্ত আপনার জন্য রইলো শুভ কামনা।
অনেককিছু জানলাম দাদা।
ভালো লাগলো পড়ে।
নিশ্চয় বাঘের দেখা পাবেন ছবিও তুলবেন সে অপেক্ষায় আছি আমারও।
শুভকামনা দাদা।
দাদাভাই মামাকে ধরার সাথে সাথে তার অন্য ভাইগ্নাদের সামনে হাজির করাবো। দোয়া চাই।
তাদের হাভেলি গুলো চমৎকার,
তবে মামার দেখা পাইনি বলে আমি অন্তত আশাহত হইনি।
এবারে পাখিরদের অপেক্ষায়।
জ্বী ভাইজান। আমিও হতাশ নই। যদিও মন খারাপ হয়েছে।
পাখি দেখবেন মন ভরে স
দাদা বন জঙ্গল ছোটাছুটি করতে অনেক শক্তি আর ধৈর্য্য লাগে।
আপনার প্রশংসা করতেই হবে।
ভালো লাগো দাদা, পরের পর্বের অপেক্ষায় আছি।
ভালো থাকবেন সবসময় শুভ কামনা।
আপনিও ভালো থাকুন দাদাভাই।
অনেক কিছু জানলাম। না দেখেও অনেক কিছু দেখলাম
কৃতার্থ আপা।