মূল লেখায় যান

বিনিদ্র রজনী

সুপর্ণা ফাল্গুনীকবিতা২২টি মন্তব্য

রাত গভীর, চোখে নেইতো ঘুমের লহর।
বিষন্নতার অসুখে পুড়ছে অন্তরাত্মা;
জীবননদী চমকে-ঢমকে মায়াজালে আটকে গেছে ।
কোথাও কেউ নেই-
তিমির রাত আর আমি জেগে আছি পাশাপাশি।
নেশার টানে দূরের কোনো মরু-প্রান্তরে;
অভিসার সাজায় ক্যাকটাস প্রসূন শয্যায় ।
দ্রুম শাখে হুতুম-পেঁচা ও দু’চোখ শূণ্যে ভাসিয়ে অপেক্ষারত;
নয়ন সরসী ভরে আছে রোদন জলে,
ব্যর্থতার ধূম্রজালে আষ্টেপৃষ্ঠে বাঁধা সাজানো স্বপ্নদৃশ্য;
তানপুরাতে অশনি সংকেতের ধ্রুপদী সুরের মূর্ছনা।

মোট পড়েছেনঃ ১৮০০জনআজ পড়েছেনঃ ০জন

২২টি মন্তব্য

  1. বিনিদ্র রজনী যখন কাটে
    নানান ভাবনা এসে করে ভর।
    পিছু ঠেলে যায় দিবা নিশি হায়
    ভাবনায় কেঠে যায় মরুপ্রান্তর।
    দিদি কঠিন ভাষায় লিখলেও লাগলো ভাল
    শুভ কামনা।

  2. তিমির রাত আর আমি জেগে আছি পাশাপাশি।
    নেশার টানে দূরের কোনো মরু-প্রান্তরে;
    অভিসার সাজায় ক্যাকটাস প্রসূন শয্যায় ।
    ——–দারুণভাবে গভীরতা বাড়ছে।