মূল লেখায় যান

বলতে পারো

নীলাঞ্জনা নীলাকবিতা৬২টি মন্তব্য
বিষণ্ণ ধূসর মেঘ
বিষণ্ণ ধূসর মেঘ

কেন আমি বদলে গেছি
বলতে পারো ?
কেন আমার এমন হলো
বলতে পারো ?

কেউ দেখেনা
কেউ জানেনা
বইছে কেমন সময় আমার
কেমন আছি আমি
বলতে পারো ?

সবাই ভাবে,
চেহারাতে- চলা বলা্‌য়
কিম্বা বোধের নাট্যকলায়
একই রকম সেই তো আমি
যেমন ছিলাম আগের মতো
বলতে পারো নদীর মতো
সেই কি আছি — জানি না তা।

বলতে পারো,
কেন আমার উচ্ছ্বলতা
ভালোবাসার বিহ্ববলতা
কোকিল ডাকা ভর দুপুরে
অলস ঘুমে স্বপ্ন গ্রহণ,
আর টানেনা জলের মতো;
বলতে পারো,কেন আমি এমন হোলাম?
ধূপের মতো জ্বলে জ্বলে সোনার ধানে
সোনার তরী ভরিয়ে দিলাম, ভরিয়ে দিলাম
কেন আমি এমন হোলাম ?

সেদিনের সেই মেয়ে  পুটিয়া রাজবাড়ী, রাজশাহী
সেদিনের সেই মেয়ে
পুটিয়া রাজবাড়ী, রাজশাহী

শমশেরনগর চা’বাগান , মৌলভীবাজার
১৯ অক্টোবর, ১৯৯৬ ইং।

**লেখাটির জন্যে কৃতজ্ঞ আমার শ্রদ্ধেয় শিক্ষক অধ্যাপক আবু রায়হান সেলিম স্যারের কাছে। ইনি আজও আমায় প্রতিনিয়ত প্রেরণা যুগিয়ে যাচ্ছেন।

মোট পড়েছেনঃ ৮৩৫জনআজ পড়েছেনঃ ০জন
ঘরে বসেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন

৬২টি মন্তব্য

      1. হারাইনি তো!
        ব্যস্ত ছিলাম গতকাল। আজ ল্যাপু খুলেই তো ব্লগে বসে গেলাম। সেলফোন থেকে পারিনা ব্লগে লিখতে।
        আর এই তাল-ছন্দ যেদিন থামিয়ে দেবো,
        আমি তো আর কোথাও থাকবোনা। \|/
        আছি, থাকবো এমনই।

          1. হাহাহাহাহাহা। ফেসবুক ভালো লাগে না আমার। ব্লগে আসি, পড়তে খুব ভালো লাগে।
            গতকাল বেড়াতে গিয়েছিলাম পিকনিকে। \|/
            পাঁতিল ভাঙ্গা খেলা আছে না? এখানে পাঁতিল নেই তরমুজ ভাঙ্গা খেলায় জীবনে প্রথম জয়ী হয়েছি। 😀

          2. আমি সাতবছরের ফেসবুক ছেড়ে দিয়েছি প্রায় বিশদিন 😀

            এহ পাতিল ভানগা খেলা কিভাবে খেলছেন?? চোখে পট্টি দিয়ে লাঠি দিয়ে ভেঙ্গে নাকি কোমরের কাছে লুকিয়ে রেখে যে যারটা ভাঙ্গটে পারে সেভাবে!!

            তরমুজ দেন, খাবো 😀 \|/

          3. ফেসবুক ছাড়িনি। ছাড়বোও না। থাকুক। ছেড়ে দেয়া সহজ, ধরে রাখাটাই কঠিন।

            আরে যা মিষ্টি ছিলো!!!
            পথের পাঁচালী উপন্যাসের দূর্গার কথার মতো “মিষ্টি যেনো গুড়!”
            লাঠি উপরে তুলে নিয়ে “হাঁটি হাঁটি পা পা, ওরে বুড়ী হেঁটে যা।” অবশ্যই চোখ বেঁধে। আরে কেউ বিশ্বাস যে কেন করেনা, আমার চশমা খুলে নিলে আয়নার সামনে দাঁড়ালে নিজেকেই দেখিনা। তাকে কেন বাপু এতো টাইট করে চোখ বেঁধে দেয়া? ;(

          4. বলা তো যায় না চোখে লেন্স পড়ে থাকে যদি! তাই তো আচ্ছাসে কষে বেঁধেছে ঐ চোখ দু’টো :D)

            কিন্তু প্রথম যে হয়েছেন প্রমাণ কোথায় শুনি/দেখি??

            ছবি দিন না হলে :@

            আর সেই মিষ্টতা ছড়াতে আরেকখানা কথোপকথন হয়ে যাক নতুন পোস্টে 😀 (y)

          5. ভানু বন্দোপাধ্যায়কে স্বর্গে পাঠিয়েছিলাম কিন্তু সবাই মিলে? তবুও কি না ফিরে পেরেছে মর্তে? 😀

            পোস্ট আপনাকে দিতেই হবে আর স্বর্গ প্রাপ্তি হিসেবে ধারাবাহিকের চাল চলতেই থাকবে :D)

            সব চাই সাথে পিকনিকের মিষ্টতা (3 -{@ \|/

          6. আমি কমেডি নাটকের ভক্ত… সিনেমায় কমেডি বুঝি না এখন আর। তবে সেই আদ্যিকালের ‘চার্লি চ্যাপলিনের সিনেমা’ ‘থ্রি স্টুজেস’ থেকে শুরু করে ‘অর্গি ও ককরোচ’ ‘মোটু পাতলু’ দেখে হাসি এখনো 😀

            আপনার এই আগত পিকিনিকীয় পোস্টের জন্যে এক বাগান -{@ দেওয়া হলো তবে 😀

          7. সেই খোপের সাপেদের বিষদাঁত নেই। শুধু এঁকেবেঁকে আপনার কোলে এসে ফুলে একটু ফোঁস ফোঁস করেই নেমে চলে যাবে…
            প্লীইইইইইইইইইইইইইইইইজ না করবেন না এই এক বাগান ফুলকে :p :D) :p

          8. সাপ সাপ-ই।
            মনে আছে পুকুরে নেমেছি, ঢোরা সাপই তো নাম। চোখের সামনে কিন্তু অন্তত দশ হাত দূরে। গ্রামের বাড়ীর আশে-পাশের সবাই জেনে গিয়েছিলো নীলা এসেছে। যতো বোঝানো হয় বিষ নেই, তবুও চিৎকার। :D)

          9. উফ কতো কথা মনে পড়ে গেলো!
            আমার শঙ্কর দাদা(জেঠতুতো ভাই) একটা রাবারের সাপ প্যাকেট করে এনে দিলো। তখন ক্লাশ এইটে পড়তাম। ওরে চিৎকার!! 😀
            দাদা এলেই কি যে খুশী কিছু না কিছু আনতো যেমন তেমনি জ্বালাতামও। সাপ দেয়ার পর দাদার গোঁফ ছিলো জোরে দিয়েছিলাম টান। কোনোদিন বকা-মার কিচ্ছু পাইনি। কতো বড়ো হবার পরেও দাদা এলেই ঝাঁপ দিয়ে পিঠে ওঠার চেষ্টা করতাম। দাদাকে দেখিনা ১৫ বছর হয়ে গেলো। ওহ সেই সাপ দিয়ে তারপর দাদাকেই অনেক ভয় দেখিয়েছি :D)

          10. আমার বাবার বাড়ী চট্টগ্রামের মহামুনি পাহাড়তলীতে। সেখানে প্রতি বাঙ্গা নববর্ষ উপলক্ষে ছোট্টবেলায় এক মাস ব্যাপী মেলা হতো আর মেলায় যেয়ে প্রতিবার কাগজ আর রাবারের তৈরি সাপ তো খেলনা পিস্তল তো ডুগডুগি নিয়ে আসতাম… সারা ঘর বাড়ি এক করে ফেলতাম আর সেই খেলনা সাপ দিয়ে বড়দের ভয় দেখাতাম… ভাবতেই অবাক লাগে আমাদের শিশুতোষ আনন্দের জন্যেও উনারাও ভয় পাওয়ার অভিনয় করে যেতেন…

            বড় বেলায় উঠেই রাবারের তেলাপোকা, সাপ, আর মাকড়সড়া ছুঁড়ে গ্রামের কাকাতো জ্যাঠতুতো বৌদিদের সে কি…যে ভয় দেখিয়েছি!!!!!!!! :D)

          11. হাহাহাহাহাহাহাহা।
            আসলেই আগেকার আনন্দ। আমি আবার ওসব মারামারির জিনিস পছন্দ করতাম না। কিনিনি কোনোদিন। অ্যাকশন এখনও দেখতে পারিনা।
            পাহাড়তলী যাওয়া হয়নি কোনোদিন। খুব সুন্দর, তাই না?

          12. পাহাড়তলী গ্রামটি আমার কাছে এখনো রহস্যে ঘেরা… নিজে তো বাড়ীতে কম যাই তার উপরে একবার কি এক ঘরোয়া অনুশ্তহানে নেমন্তন্ন করতে গিয়ে পাহাড়ের কোলে ঘুরতে ঘুরতে হাজির হই বুক সমান ঘাসের রাজ্যে… ভাবুন তো নীলাপু আপনি বাংলাদেশের এক গ্রামে পাহাড়ের উপরে নীচে চড়তে চড়তে মালভূমির মতো এক জায়গায় এমন ঘাসের রাজ্যে এসে পড়লেন তো কেমন অনুভব হয়!!!

    1. এর আগের কবিতাও আছে। এখন তো যা সব আউলা-ঝাউলা লেখা।

      আর ওঁঝা আমায় ঠিক করবে! 😮 উল্টো ওঁঝা ওই বেচারা কই যাবে খুঁজতে ওঁঝা?
      আগে ওঁঝার জন্যে ওঁঝা খুঁজুন গো শিশির কনা আপু। 😀 -{@

  1. আপনি যখন এতো সুন্দর কবিতা লেখার শুরু করেছেন তখন আমি কথা বলা শিখেছি মাত্র। এবার নিজেকে আসোলেই পিচ্চি পিচ্চি লাগছে।

    আবার আমার মাথায় জেকে বসেছে আপনার কাছে কয়েক দিন লেখা বিষয়ক তালিম নিতেই হবে।

      1. হ্যা সেতো দেখি। সবায় জন সম্মুখে পিচ্চি পিচ্চি বলে ভালোবাসার/ স্নেহের প্রমান দেয়।

        কেনো আপু আপনি তালিম দিলে কি সমস্যা? যা পারেন তাই দেবেন।

        1. ছ্যাঁকা কাহিনী? কিভাবে দিলাম নাকি খেলাম?
          দেয়ার কাহিনীটা হলো বললাম তোমার সাথে কিছু কথা ছিলো। জানতে চাইলো, বললাম তোমার অনেক কাহিনী শুনেছি। বিশ্বাস করিনি। কিন্তু আমি দেখেছি, জেনেছি অনেক কিছু প্রমাণসহ। তারপরেও চেষ্টা করেছি হয়তো তুমি নিজেকে বদলে নেবে। তুমি ভালো করেই জানো সম্পর্কে আমি কতোটা সৎ। জীবনের কিছুই লুকোইনি। কে, কয়টা চিঠি দিলো, আর কে আমার পিঁছু নিয়ে আছে সব জানো। আমি তোমার জীবনের সাথে আর নেই। সে বললো সব মিথ্যে। অনেক ভালোবাসে আমায়। এমনও বললো সে নাকি আমাকে ছাড়া পারবে না। সবশেষ অস্ত্র ছাড়লো আমি ওকে ছাড়া কিছুতেই পারবো না। বললাম ঠিক মানুষ তো কষ্ট হবে, কিন্তু মানুষ যখন ছাড়তে পারে যাকে সে চরমভাবে ভালোবেসেছে তখন কষ্টও কমে যায়। কারণ ভালোবাসা সততার উপর ভিত্তি করে দাঁড়ায়। সেটা ভাঙ্গার কষ্ট পেয়ে গেলে ছেড়ে থাকাও সহজ হয়ে যায়। আমি তাকে আমার বাসা থেকে বের করে দিয়েছিলাম। এই হলো কাহিনী।

          1. মানুষ যখন ছাড়তে পারে যাকে সে চরমভাবে ভালোবেসেছে তখন কষ্টও কমে যায়, এটা তো বেশ বলেছেন আপু। খাওয়া হোক কিংবা দেয়া, ভালোবাসায় মোহ থাকতে নেই, এটা একটু দেরি করে বুঝেছি।
            এইযে আপুটাকে যা বলি অকপটে মেনে নেয়, এতেই আপুটার মনের স্বচ্ছতা প্রকাশ পায়। কষ্ট আবার কি? কষ্ট বলে কিছু নেই। (3

          2. হায়রে। আমি এখন আর গান করিনা সত্যি। গুনগুন করি। মামনিকে ফোন দিলেই বলবে একটা হারমোনিয়ম কিনে নিতে। কই পাবো? আর কিনেই বা কি হবে, গানই তো ভুলে গেছি।

            শুন্য আপু এই নিন

            https://www.youtube.com/watch?v=gRzIjKqFyPY

মন্তব্য করতে লগিন করুন অথবা নিবন্ধন করুন।

অনলাইনে ডাক্তার দেখাতে চান?