মূল লেখায় যান

বন্দিত্বের দিন-যাপনে

ছাইরাছ হেলালএকান্ত অনুভূতি১৮টি মন্তব্য

 

নাগরিক বন্দিত্বে একাকার আমার এ বন্দিত্ব,
ঝলমলে আলোয় নিঃশ্বাস নিচ্ছে বুক ভরে,
দারুণ কৌতূহল-আনন্দে;

যদিও এখানে রাহুগ্রস্ত সূর্যোদয়-সূর্যাস্ত
প্রীতিতির মিলন হাওয়া সচল-সবল
দারুণ কর্মক্ষমতায় উপরে উপরে
উপর চালাকিতে;

দখিনা উল্লাস একফোঁটা-ও গলে পড়ে না
গরিমার দেয়াল-ছিদ্র বেয়ে,
শার্সি আঁটা হিম ঘরে মুখে-বুকে কুলুপ এঁটে
শোক-জ্বালা-জড়া বুকে বেঁধে সং সাজি সং খেলি;

লীলাময় ঐ ঝলমলে চৌরাস্তায় ইচ্ছে হয় না
পা-ফেলি, পা-দেই।
দু’চারটে কেনাকাটা বেসামাল ভেজালের ভিড়ে
চালু থাকে চালু রাখি আত্মবিস্মৃত হতে হতে;

ম্লান হেসে গ্রাফিতি দেয়াল একাকী নিঃসঙ্গ
ঘাড় গুঁজে পালিয়ে বাঁচে,
নির্লজ্জ শহুরেপনা ধিক তোমাকে, এ-বেলা।

এ শহর আমাকে নেবে-না,
আমিও-না।

স্বপ্ন ইচ্ছে নিয়ে দু’চোখ শুধুই নিঝুম-বসতির ছবি আঁকে,
সারা-বেলা সারাদিন, এই প্রাণের মন্বন্তরে।

ছবি নেটের।

মোট পড়েছেনঃ ৮৪৭জনআজ পড়েছেনঃ ০জন
ঘরে বসেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন

১৮টি মন্তব্য

  1. “স্বপ্ন ইচ্ছে নিয়ে দু’চোখ শুধুই নিঝুম-বসতির ছবি আঁকে,
    সারা-বেলা সারাদিন, এই প্রাণের মন্বন্তরে।“
    যেমন করে মহারাজের কবিতায় বন্দীত্বের অবষরে।
    ভাল থাকবেন। শুভ কামনা।

  2. মহারাজের কবিতা যতই পড়ি ভাল লাগে তবে কিছুই বুঝি না। কারন কবির ভিতর থেকে হৃদয় নিঙরানো কথাগুলি কি পাঠক বুঝতে পারে? খুব ভাল লাগলো ভাই কবিতা পঠনে। শুভ কামনা রইলো।

  3. নাগরিক বন্দী জীবনের পুরো চিত্র দেখা হলো। এ যেন আমাদের সবার জীবনের ঘটে যাওয়া ঘটনার ছবি। এ বন্দীত্ব আর ভালো লাগছেনা। চমৎকার কবিতা। তবে ‘গ্রাফিতি’ হবে মনে হয়! শুভ কামনা রইলো

      1. এই অসময়ে ঘরবন্দি জীবনে নিয়ন বাতির উজ্জ্বল ঝলমলে আলোতেই দু’চোখ ভরে স্বপ্ন সাজাতেই হবে।
        বিভৎস সময়ে ঐ স্বপ্নটুকুই হোক দুঃসময়ের সঙ্গী, নিষ্প্রাণ নিস্তব্ধ দেহের প্রাণের স্পন্দন

মন্তব্য করতে লগিন করুন অথবা নিবন্ধন করুন।

অনলাইনে ডাক্তার দেখাতে চান?