মূল লেখায় যান

বনভোজন এর ইতিকথা

সুপর্ণা ফাল্গুনীঅন্যান্য২২টি মন্তব্য

পিকনিক বা বনভোজন নাম শুনলেই সবার মনেই আনন্দের ফোয়ারা ছুটে। খাবার দাবার, মজা মাস্তি , খেলাধূলা , গান-বাজনা সবই থাকে বনভোজনে। মনের প্রফুল্লতা, প্রশান্তি খুঁজে পাওয়া যায় এই পিকনিকে। বিনোদনের মাধ্যমের মধ্যে অন্যতম হলো এই বনভোজন।

প্রতি বছর ১৮ জুন পালিত হয় আন্তর্জাতিক পিকনিক ডে। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে পালিত হয়ে আসছে এ দিবসটি। আন্তর্জাতিক বনভোজন দিবসটি কবে থেকে শুরু হলো বা কারা শুরু করলো- সেটা জানা যায়নি।

তবে কেউ কেউ মনে করেন, ফরাসিরাই এর উদ্যোক্তা। ফরাসি বিপ্লবের আগে বড় পার্কগুলোয় সাধারণ মানুষ ঢুকতে পারত না। ফরাসি বিপ্লবের পর সাধারণ মানুষের জন্য প্রথমবারের মতো পার্কগুলো খুলে দেওয়া হয়। আর মানুষজন তখন পার্কে গিয়ে খাওয়া দাওয়া করতো, মজা করত। ‘পিকনিক’ শব্দের উৎপত্তিও কিন্তু ফরাসি ভাষা থেকেই।

‘বনভোজন’ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে করা হয়, আবার স্কুল-কলেজ, ভার্সিটি পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক-শিক্ষিকাদের নিয়ে ও করা হয়। প্রতিষ্ঠান ভিত্তিক ও বনভোজন অনুষ্ঠিত হয়। বনভোজন সাধারণত শীতকাল থেকে বসন্ত পর্যন্ত এক দিনেই তথা সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত হয়ে থাকে। দেশে এখন অনেক পিকনিক স্পট গড়ে উঠেছে। যার যার সুবিধা অনুযায়ী জায়গা ঠিক করে নেয়।

সবাইকে বনভোজন দিবসের শুভেচ্ছা।

বি.দ্র. ‘সোনেলার বনভোজন’ এর অপেক্ষায় রইলাম 🥰🥰🥰🥰।

 

ছবি-গুগল

মোট পড়েছেনঃ ১৪৪৪জনআজ পড়েছেনঃ ০জন

২২টি মন্তব্য

  1. লেখাটি পড়ে বনভোজন এর অনেক স্মৃতি মনে ভিড় করেছে। সবই কিশোরী বেলার, পরিনত সময়ে আর এসবে অংশ নেয়া হয়নি। বনভোজনের জন্য একটা অনুষ্ঠিত দিবস আছে এটা তো আমার জানা ছিলো না! আজ জানলাম 🙂
    পিকনিক ডের শুভেচ্ছা আপনাকেও। ভালো থাকুন।
    শুভ কামনা 🌹🌹

    1. অভিনন্দন আপু প্রথম হবার জন্য ☕☕ এই বৃষ্টিতে চা পান করুন, খিচুড়ির সাপ্লাই আপাতত বন্ধ। আমারও জানা ছিল না 🤪🤪🤪। অফুরন্ত শুভেচ্ছা ও শুভকামনা রইলো। আষাঢ়ীয় বৃষ্টি সকালের শুভেচ্ছা

  2. ওরে বাপরে! এই ডে ও আছে নাকি?
    জানা হলো, অনেক কিছু মনেও পড়ে গেলো। ছোটবেলায় সবার থেকে একটু একটু চাল আর ডিম দিয়ে পিকনিক করতে গিয়ে অনেক পচা ডিম বেরিয়েছিলো। সেকি কান্না!
    পরিনত বয়সে অনেক পিকনিক করেছি কলেজ, ভার্সিটি, জবে এসে অনেক মজাও হয়েছে। আর একবার অপেক্ষায় রইলাম সোনেলায় আপনার মতোই। ভালো থাকবেন দিদিভাই।

    1. ছোট্ট বেলায় কত্ত কত্ত পিকনিক করেছি জবে ঢোকার পর আর কপালে পিকনিক জুটেনি। আমার ও এই দিবস জানা ছিলো না। অসংখ্য ধন্যবাদ আপু পাশে থাকার জন্য। আষাঢ়ের বৃষ্টি মাখা সকালের শুভেচ্ছা

  3. এখন কতো যো ডে!!
    ছোট বেলায় আমরা প্রতিদিন পিকনিক করতাম। একটা ডিম আর এক মুঠো চাল। সেটা চেটেপুটে খেতেই আনন্দের কমতি ছিলো না। এখন ডে এর চাপে আনন্দ গেছে।

  4. পিকনিক ডে আছে জানাই ছিল না। আমাদের সময়ের সেই বনভোজন এখন আর কোথায়।চাল, ডাল, তেল, নুন সংগ্রহ করে রান্না করে খাওয়া দাওয়ার মজাই ছিল আলাদা। শুভ কামনা।

মন্তব্য করতে লগিন করুন অথবা নিবন্ধন করুন।