মূল লেখায় যান

বইয়ের জরা-ব্যাধি

সুপর্ণা ফাল্গুনীকবিতা২১টি মন্তব্য

বইয়ের পাতাগুলো আর বাঁধে না মোহের মাধুরীতে,
মলাটের-রঙের আল্পনায় সাজে না হৃদয়ের ক্যানভাস।
বইয়ের অক্ষরে হাসে না অন্তর মোহিনী,
শব্দগুলো আজ বড্ড বেরসিকভাবে তাকাচ্ছে অনবরত।
জরা-শীর্ণ, ক্ষীণকায় বাক্যগুলো গন্তব্য খুঁজে না পায়,
ছন্দ বিলাতে যামিনী জেগে রয় চন্দ্র হাতে।

কাব্যরা করেছে অনশন- উদ্ভিন্ন যৌবনা বিহনে,
কলমের কুঠুরিতে অবরুদ্ধ কালির ঝর্ণা ধারা।
কাগজ-কলমের অভিমানে বিরহ-ব্যথায়,শূণ্যতায়
এককোণে পড়ে রয় সবার অলক্ষ্যে।
পুষ্পার্ঘ্য লয়ে ভক্ত অপেক্ষার অভিলাষে,
দেবদূত আসবে প্রসাদ লয়ে মিটাতে মনের পিয়াস ।

মোট পড়েছেনঃ ১৫৯২জনআজ পড়েছেনঃ ০জন

২১টি মন্তব্য

  1. কাব্যরা করেছে অনশন- উদ্ভিন্ন যৌবনা বিহনে,
    কলমের কুঠুরিতে অবরুদ্ধ কালির ঝর্ণা ধারা।
    কাগজ-কলমের অভিমানে বিরহ-ব্যথায়,শূণ্যতায়
    এককোণে পড়ে রয় সবার অলক্ষ্যে।

    অনবদ্য।

  2. আমি আমার মত ব্যাখ্যা করলাম।
    একজন লেখক/কবি কিছু লিখতে চাচ্ছেন কিন্ত লিখতে পারছেন না যেটা “কাগজ-কলমের অভিমান”। কিছু লেখার জন্য অনুপ্রেরণা লাগে, লেখক সেই অনুপ্রেরণার অভাবে ভুগছেন যেটা প্রকাশ হয়েছে “কাব্যরা করেছে অনশন- উদ্ভিন্ন যৌবনা বিহনে” লাইনের মাধ্যমে। তবু তিনি আশায় আছেন এই ভেবে যে এক সময় তার মনের দরজা খুলে যাবে, তিনি আবারো অজস্র শব্দের মালা নিয়ে বসবেন মনের পিয়াস মেটাতে।

    1. এরচেয়ে ভালো ব্যখ্যা , বিশ্লেষণ আর হতে পারে না। অসাধারণ, অভিভূত হয়ে গেছি আপনার মন্তব্যে। এমন পাঠক কোথায় ডুমুরের ফুল হয়ে ফুটেন? ভালো থাকবেন সবসময় শুভ কামনা রইলো

মন্তব্য করতে লগিন করুন অথবা নিবন্ধন করুন।