মূল লেখায় যান

ঝড় এবং একটি প্রস্ফুটিত গোলাপ

অনন্য অর্ণবকবিতা১৮টি মন্তব্য

 

নিদারুণ অপেক্ষার প্রহর গুণে গুণে বালিকা অমরাবতী
যখন পরিপূর্ণ প্রস্ফুটিত হয়,
কালের সমীপে তার কিছু দাবি নিতান্ত যৌক্তিক
সে কোমল পত্র পল্লবে ভরা যৌবনখানি।

উত্তরী হিমেল হাওয়ায় দোল খেয়ে খেয়ে
বালিকা অপেক্ষা করে কখন আসবে বসন্ত প্রহর
দখিনের মাতাল হাওয়ার ঘূর্ণিতে খুলে নেবে
সর্বাঙ্গে জড়িয়ে থাকা পাপড়ির আঁচল।

অবশেষে সকল প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে আসে
সেই বহু কাঙ্ক্ষিত কালবৈশাখীর রাত
উন্মত্ত মাতাল হাওয়ায় নিজেকে বিলিয়ে দিয়ে
বালিকা উপভোগ করে প্রমত্তা যৌবনে অমরত্বের স্বাদ।

মাত্র একটি রাত; ঠোঁটে ঠোঁট হাতে হাত-
ঝড়ের বুকে লেপ্টে ঝাপটে মিলেমিশে একাকার
একটি প্রস্ফুটিত গোলাপের এক জীবনে
এর চেয়ে বেশি সুখের কিইবা আছে আর ?

মোট পড়েছেনঃ ৬৩৮জনআজ পড়েছেনঃ ০জন

১৮টি মন্তব্য

  1. “অবশেষে সকল প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে আসে
    সেই বহু কাঙ্ক্ষিত কালবৈশাখীর রাত
    উন্মত্ত মাতাল হাওয়ায় নিজেকে বিলিয়ে দিয়ে
    বালিকা উপভোগ করে প্রমত্তা যৌবনে অমরত্বের স্বাদ।” অনেকদিন পর কালবৈশাখী হয়ে আমাদের মাঝে এভাবে ধরা দেয়ার জন্য ধন্যবাদ। প্রতিদিন আসুন বৃষ্টির শীতল পরশ নিয়ে সুন্দর সুন্দর কবিতা উপহার দিয়ে। ধন্যবাদ আপনাকে। ভালো থাকুন শুভ কামনা

  2. “অবশেষে সকল প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে আসে
    সেই বহু কাঙ্ক্ষিত কালবৈশাখীর রাত
    উন্মত্ত মাতাল হাওয়ায় নিজেকে বিলিয়ে দিয়ে
    বালিকা উপভোগ করে প্রমত্তা যৌবনে অমরত্বের স্বাদ।”

    বলেছেন মাইরি।
    যদি ঠিক বুঝতে পারি।
    শুভ কামনা।

    1. অনেক সাধনার বিমূর্ত প্রতীক্ষার অবসান হয়ে
      যখন পূর্ণতা আসে- প্রেমে প্রাপ্তিতে উত্তপ্ত মহাযৌবনে
      গুঞ্জনে গুঞ্জরণে কলকাকলিতে,
      তখন রচিত হয় এক কালজয়ী মহাকাব্য-
      প্রগাঢ় বন্ধনে আবদ্ধ দুটি হৃদয়ে।।

    1. চৈত্রের খরতপ্ত ক্লান্তি শেষে যখন এক পশলা বৃষ্টি বিদৌত হয় চৌচির ধরণীতল,
      সবুজের সমারোহে প্রস্ফুটিত হয় নির্জীব বৃক্ষরাজি।

      শুভেচ্ছা নিরন্তর আপু।

  3. উত্তরী হিমেল হাওয়ায় দোল খেয়ে খেয়ে
    বালিকা অপেক্ষা করে কখন আসবে বসন্ত প্রহর
    দখিনের মাতাল হাওয়ার ঘূর্ণিতে খুলে নেবে
    সর্বাঙ্গে জড়িয়ে থাকা পাপড়ির আঁচল।
    ————-ভাল লাগল।

মন্তব্য করতে লগিন করুন অথবা নিবন্ধন করুন।