মূল লেখায় যান

জবরদস্তির স্বর-ব্যঞ্জনবর্ণ

ছাইরাছ হেলালএকান্ত অনুভূতি৩২টি মন্তব্য

 

একটি সূচিমুখি-শয়তান (আমার)লেখা-নিবিষ্ট মনে
আছর করে বসেছে, প্রবিষ্ট হচ্ছে, প্রবিষ্ট করাচ্ছে;
যথেষ্ট খোঁড়া-খুঁড়ি নিয়ে/করে,
যেন বৃষ্টি-জলে চৌবাচ্চা উপচে পড়ছে;

চোরা-হাসি-মুখো-শয়তান মুষল ধরে
মেঘ-সহায়তায় নিয়ম করে, এবেলায়-ওবেলায়
স্বর ও ব্যঞ্জনবর্ণ শেখায় জোর-জবরদস্তি করে;

হস্তাক্ষর দেখে চমকে উঠি, চিনে নিতে পারি না,
অচেনা শব্দের মায়াজালে এ কোন আমি!!

সময় বিচারহীন ফষ্টিনষ্টি-পণ্ডিত-শয়তানের দিক থেকে
মুখ ঘুরিয়ে ভাবি, এ কোন ভেসে যাওয়া বৃষ্টি!

হঠাৎ কোন এক দৈব-সাহায্য পেয়ে
মুখোমুখি-শয়তানকে জিজ্ঞেস করি,
কী চাই/চাও, খোলসা করে এবারে বলে ফেল দেখি?
অধিক রসালো আমি-তুমির ছং-বং-হুল্লোড়?

সে আমি কিছুতেই দু’পাত্তরের বেশী নেব না।

ছবি নেটের।

মোট পড়েছেনঃ ৭২৬জনআজ পড়েছেনঃ ০জন
ঘরে বসেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন

৩২টি মন্তব্য

  1. নিজের হাতের লেখা যদি নিজেই না বুঝেন আমরা কেমনে বুঝি! স্বর-ব্যঞ্জনবর্ণের জোর-জবরদস্তি শেখায় আজ তাই সারমর্ম টা কঠিন হয়ে পড়েছে। কবিতা আমরা চা-ই চাই এতো ছং-বং এর হুল্লোড়ে। শুভ কামনা রইলো

  2. হঠাৎ কোন এক দৈব-সাহায্য পেয়ে
    মুখোমুখি-শয়তানকে জিজ্ঞেস করি,
    কী চাই/চাও, খোলসা করে এবারে বলে ফেল দেখি?
    অধিক রসালো আমি-তুমির ছং-বং-হুল্লোড়?

    সে আমি কিছুতেই দু’পাত্তরের বেশী নেব না।

  3. মহারাজ, আপনি দেখি কঠিন সমস্যায় ভুগছেন! 🤔

    দু-চার পাত্তরে দম ফুরাবে না। এক বালতি বৃষ্টির পানি জমান, তারপর দুষ্টু (শয়তান)) লেখাগুলো ভালো মতো গুলে নিন। গোলানো শেষ হলে তাতে ডাটাহীন কদম ডুবিয়ে সকাল-সন্ধ্যা মগ ভরে ঢকঢক করে খেয়ে ফেলবেন। ব্যাস, এতেই কাজ হবে। লেখারা আমি-তুমির ভং ছেড়ে আমি-আমি করতে থাকবে 🤣🤣

    বিঃদ্রঃ- প্রক্রিয়ায় কাজ না হলে কমেন্ট ফেরত দেয়ার দরকার নেই। লিখতে থাকুন যেমন খুশি তেমন। কেই-বা আটকাতে পারে অক্ষর-তান্ডব!

    1. যাক, সোনেলা অবশেষে একজন ওঝা/দাক্তার পেয়েছে জেনে আনন্দ অনুভূত হচ্ছে!
      আপনাদের দেখেদেখে/দেখাদেখি ল্যাহা-লেহি চালু রাখতেই হচ্ছে !!
      ভয় পাইয়ে দিতে চায়!!
      ভাল থেকে লেখালেখি চালু রাখুন।

মন্তব্য করতে লগিন করুন অথবা নিবন্ধন করুন।

অনলাইনে ডাক্তার দেখাতে চান?