মূল লেখায় যান

চরিত্র …

শুন্য শুন্যালয়কবিতা২৮টি মন্তব্য

ভাগ্যিস মনের কোন চরিত্র নেই তোদের কাছে,
যদি থাকতো, দেখতে পেতিস তোরা
লন্ঠন হাতে টিপটিপ পায়ে হেঁটে গেছি অই বাঁশ পাহারার বাগানে,
ফিরে আসিনি কতো রাত আর,
এভাবেই কতো রাত আর ফিরিনা আমি।

মনের চরিত্র খুইয়ে আসি কোন অন্ধকারের বোতাম খোলা বুকে,
জোনাকির আলোর বিছানায় শয্যা পেতে ।
তোদের দেয়া বাঁধ ডিঙিয়ে মনে মনে কতোবার
ডুব সাঁতারে আলগা করি সীমানা।
একবার ইচ্ছে করে তোদের মুখে ড্রাগন আগুন হই,
শরীরী চরিত্রহীনা হই।।

মোট পড়েছেনঃ ৯০৮জনআজ পড়েছেনঃ ০জন

২৮টি মন্তব্য

  1. এমন লেখা নিয়ে এতদিন এতদিন কোথায় ছিলেন আপনি ।
    বুঝতে পারছি উৎসর্গ এমনই এমনই হয়নি ।
    অনেক ভালো লাগল বছর শুরুতে স্নিগ্ধ সুন্দর লেখা পড়ে ।
    বৈশাখী শুভেচ্ছা আপনাকে ।

    1. আপনাকেও যে আমি হিংসে করি তাতো ফাঁস করিনি.. 🙂
      এটা একটা রূপক কথা..আমাদের মনে অনেক কিছুই চলে তাতে কারো কিছু বলবার নেই, শুধু বাহিরে একটু আত্মপ্রকাশেই তার প্রতিফলন ভয়াবহ হয় অনেক সময়. ফুলের আবার মন আছে নাকি? :p

  2. শব্দের বাক্য বন্ধনে কাব্যকে সুনিপুনভাবে গ্রন্থিত করেছেন। শব্দ চয়ন এবং আবহ ও দৃশ্যকল্প সৃষ্টিতে চমৎকারিত্ব স্পষ্ট।আপনার লিখনীর হাত অনেক পক্ক গত কয়েকটি লিখে তারই আভা পেলাম।এমন লিখে কি মন্তব্য করতে হয় আমি তা জানিও না। না জানলেও সমস্যা নেই শ্রদ্ধেয় হেলাল ভাই থেকে শিখে তারপর মন্তব্য করব। শুভেচ্ছা রইল আপাতত।

      1. না শুধু একা আমি না উনার কাছে সবাই শিখতে পারবে জানেনতো উনি আকাশের মত। তবে সত্যি বলছি আপনার মত আমি লিখতে চাই। এই কাব্যটি অসাধরণ হয়েছে এবার আপনি যাই বলুন না কেন তারপরও আপনাকে মানতে হবে আমার কথাটা।

  3. এক কথায় অসাধারন।খুব সুন্দর করে চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়েছেন সত্যটাকে।সাহসী উচ্চারনের জন্যে সাধুবাদ। 🙂

মন্তব্য করতে লগিন করুন অথবা নিবন্ধন করুন।