কেমন আছো প্রিয় দেশ আমার …!!!???

৫ জানুয়ারী ২০১৫ থেকে সারা দেশে চলছে বিএনপি-জামায়াত নেতৃত্বাধীন ২০ দলের টানা অবরোধ।এই ‘জঙ্গি’ হরতাল-অবরোধে যে হারে পুড়িয়ে মানুষ হত্যা করা হচ্ছে এবং যে পরিমাণ সম্পদ ধ্বংস করা হয়েছে, তা সাধারণত একটা যুদ্ধগ্রস্ত দেশেই হতে পারে। তাহলে কি আমাদের দেশে একটা অঘোষিত যুদ্ধ চলছে? কে কার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছে? কেন করছে? এর যৌক্তিকতা কী? অনেক প্রশ্নই আজ সাধারণ মানুষের মনে ঘুরেফিরে আসছে। কিন্তু উত্তর দেওয়ার যেন কেউ নেই এ দেশে। আসলে হচ্ছেটা কী?
সোনেলা পরিবারের সদস্যরা কে কি ভাবছেন দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে …. ??
মোট পড়েছেনঃ ৯৪৬জনআজ পড়েছেনঃ ০জন

৩৫টি মন্তব্য
যে কোন গনতান্রিক দেশে আন্দোলন একটি গণতান্ত্রিক অধিকার।গনতান্ত্রিক অধিকারের নামে কেউ যা খুশি ইচ্ছে করতে পারেনা।আমার ইচ্ছে হলো আমি কারো বাড়িতে আন্দোলনের নামে আগুন ধরিয়ে দেবো তা হতে পারেনা।সাধারন মানুষকে পুড়িয়ে মারা কোন গণতান্ত্রিক অধিকারের মধ্যে পরে না। এখন যেটা হচ্ছে তা জঙ্গি ততপরতা।যেমন হয়েছে পাকিস্থানে স্কুল শিশুদের হত্যা।সরকারকে কঠিন হাতে এই জঙ্গি তৎপরতা দমন করতে হবে।
আজকের দিনটি শুরু হয়েছে কুমিল্লায় মাত্র ৭জনকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করে, প্রায় অর্ধশতজনকে দগ্ধ আহত করে।আর কয়েকটা দিন ধৈর্য্য ধরেন, গণতন্ত্র এলো বলে …..!!!
চারদিকে এতো অসহায়, পীড়িত, আহত, দগ্ধ, মৃত মানুষ দেখতে হয় যে, এই দেখার পর নিজেকে সুস্থ, ভালো আর জীবিত দেখে লজ্জাই লাগে———-জানি না এই লজ্জা থেকে মুক্তি পাওয়ার রাস্তা কি?..
কি মর্মান্তিক!! মানুষ এতটা হিংস্র হয় কি করে!!???
কোথাও কোনও আলো দেখতে পাচ্ছি না।
কেন…
পেট্রল বোমার আলোতে কি আলোকিত হবেনা দেশ …. !!!
সকালে খবরটি দেখেছিলাম, এখন সরকার পক্ষের কথা শুনলে রাগ হয় যখন সরকার পক্ষ এই সহিংসতা বন্ধের আহবান জানায়। জানি না এখন যেখানে প্রতিরোধের প্রয়োজন সেখানে আহবান জানিয়ে কি লাভ? প্রতিরোধ এখন এই সময়ের দাবি, আরে আজ মাত্র ৭ জন মারা গেলো গত একটি মাসে কতজন মারা গেছে তার কি হিসাব আছে? এখনো যদি প্রতিরোধ করা না হয় তাহলে প্রস্তুত থাকতে হবে আরো লাশ গুনার জন্য।
এ বর্বরতা এ নৃৃশংসতা বন্ধ করুন। সরকারকে বলছি এর জন্য যদি প্রয়োজন হয় গুলি চালান অালোচনায় বসুন যা করলে বন্ধ হয় দয়া করে তা করুন। এতে অাপনাদের প্রতি জনগনের অাস্থা অারো বাড়বে। অামরা জনগন চাই এ ধরনের বর্বরতা যেন অাজ থেকে অার একটিও সংঘঠিত হতে না পারে, অার কোন মানুষ যেন এই ভাবে দগ্ধ হতে না হয়। যারা আগুন দিয়ে মানুষ হত্যা করছে, তারা মানবতার শত্রু। দয়া করে এদের প্রতিহত করুন…..
ভাল নেই, আমরা কেউ ভাল নেই, এ দেশ ভাল নেই।
🙁
এককথায় হতাশ।
ভাল লাগে না কিছুই।
অস্থির এই সময় থেকে মুক্তি চাই।
বুঝি না এটা কোন রাজনীতি,কার জন্য রাজনীতি।
মানুষের জ্বলন্ত অঙ্গার আর সহ্য হয় না।
আজকাল হরতাল অবরোধ কেউ মানেনা। তাই বলে আন্দোলনকে থামানো যাবেনা। কৌশলে জীবন নেয়ার
খেলা।
এই অবস্থায় যারা ভালো আছে তাঁরাই আসলে খারাপ । আর কত মানুষ গণতন্ত্র নামক পরিবার তন্ত্রের আগুনের জ্বালানি হবে ?
আমরা মরছি অথবা মারছি সেই নেতাদের বাঁচিয়ে। যারা শুধুই ক্ষমতায় যেতে। জানিনা আমরা আরো কত
বলি হয়ে তাদের ক্ষমতার মসনদে পৌঁছে দিতে পারবো?
ভালো নেই আমাদের প্রিয় দেশ।
বড় হচ্ছে পুড়ে যাওয়া মৃত মানুসের মিছিল
এসব আমাদের প্রিয় দেশ চায়নি কখনো।
একটি অকার্যকর রাষ্ট্রের দিকে ধাবিত হচ্ছে দেশ
এটি কোন ভাবেই রাজনীতি হতে পারেনা
যারা এসবকে স্বাভাবিক ভাবে গ্রহণ করছে,তারা আসলে সবাই উম্মাদ,সাইকো।
কঠিন হাতে এই জঙ্গিদের দমন করা উচিৎ।
সরকারের কাছে অনুরোধ, জনগণকে নিরাপত্তা দিবার দায়িত্ব যেহেতু আপনাদের, আপনারা তা কিভাবে নিশ্চিত করবেন তা আমাদের দেখার বিষয় নয়, আমরা নিরাপদে চলাফেরা করতে চাই। ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।
একমত
জনতার জান মালের হেফাজতের দায়িত্ব অবশ্যই সরকারের।
(y)
ভালো লাগছে না কিছু আপু,এত পোড়া মানুষের দৃশ্য আর সহ্য করতে পারছিনা।বন্ধ হোক এসব।
দুর্বল জনগণ কি দোষ করলো যে তাদেরকে এইভাবে আগুনে পুড়ে মারতে হবে? সত্যিই আর সহ্য করা যাচ্ছে না….
পশুরাও মনে হয় লজ্জা পাবে এমন নির্মম হত্যাকান্ডে
এমন অবস্থায় কি করে ভাল থাকা যায় !!!!
আমাদের ভাল থাকা নিয়ে কেউ ভাবছেনা। ওদের শুধুই ক্ষমতা চাই ….
দেশটার এই অবস্থায় কি বলবো কিছুই বুঝতেছি না 🙁 শুধু জানি আমার মা ভালো নেই…
হ্যাঁ আপু আমাদের মা ভালো নেই…
পশ্চিমা পৃষ্টপোষকতায় পালিত দেশী-বিদেশী চক্র এই অঘোষিত যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা খেলে যাচ্ছে।
এখন প্রশ্ন তারা আসলে কি চায? তারা চায় দেশকে অকার্যকর রাষ্ট্র হিসাবে বিশ্বের বুকে পরিচিত করতে।
আমার সন্দেহ বেগম জিয়া আসলে তাইই চান কিনা? আমার ধারনা বেগম জিয়ার প্রয়োজন যেকোন মূল্যে ক্ষমতায় আরোহন করা আর তার সে ইচ্ছাকে তুরুপের তাস হিসাবে ব্যবহার করেই দেশী-বিদেশী চক্র এই খেলা খেলে যাচ্ছে।
ওরা এই দেশকে পাকিস্থানের মত অকার্যকর রাষ্ট্র বানাতে চায়…..
আন্দোলনের ভাষা পুড়িয়ে মানুষ মারা নয় এটা সন্ত্রাসী।অপরাধীদের ডায়রেক্ট সুট করতে হবে। -{@
কেন যে এখনো Direct shoot করছেনা …. !!!???
লাভ নাই কমে না । অনেক করা হইছে। আর ভাল লাগেনা ।
আমরা বঙ্গবাসী,
কারনে আর অকারনে হাসি…
আমাদের বিপ্লবী চেতনা সব বাসের পোঙ্গায়,
ইটের ভাটার চোঙ্গায়
ঝালমুড়ির ঠোঙ্গায় (খবরের কাগজ দিয়ে বানানো),
আর পলিটিশিয়ানের জাইঙ্গায়…
🙂
এটি অবশ্যই একটি যুদ্ধ।সন্ত্রাসীদের দমন করতেই হবে।
আমি বিশ্বাস করি যে কোনো ধরনের অবাস্তব ও মিথ্যা তত্ত্বের উপর গড়ে ওঠা আন্দোলন বেশিদূর এগোতে পারে না। প্রাকৃতিক একটা বিচার আছে এবং সেই বিচারেই তা একসময় ধ্বংস হয়ে যায়। কিন্তু তার জন্য কতটা মূল্য দিতে হবে, সেটাই এখন দেখার বিষয় ….
ভালো নেই আমাদের প্রিয় সোনার বাংলা।সন্ত্রাস বন্ধ হোক।
বোমাবাজি, জ্বালাও-পোড়াও আর হত্যা করে যদি সবাই অন্যায় দাবি পূরণের আবদার করে, আর সেই আবদার পূরণের জন্য যদি অন্যায়ের সঙ্গে আপোস করা হয়, তাহলে সন্ত্রাস বন্ধ সুদূরপরাহত হবে ….