মূল লেখায় যান

পোষ্ট দিতে এসে দেখি,সব হেভী ওয়েট ব্লগারগনের পোষ্ট……ব্যাক টু দ্যা……

আনন্দধারা বহিছে ভুবনেরম্য৫৩টি মন্তব্য

কত কষ্ট করে,ঘন্টার পর ঘন্টা সময় নষ্ট করে একটি লেখা লিখলাম।অতিবাহিত হয়েছে দুই বিনিদ্র রজনী।চোখ কয়েছে কাকের মত।গালে উঠেছে খোঁচা খোঁচা দাড়ি। লেখা শেষ হলো আজ দুপুরে।এখন পোষ্ট করবো,সমস্ত প্রস্তুতি সম্পন্ন।ফাকি মাঠে গোল দেয়ার গূপন ইচ্ছে আছে আমার।পোষ্ট দিয়ে ফাটিয়ে দেব,আমার পোষ্টে মন্তব্য দিতে দিতে হাত ব্যাথা হয়ে যাবে সবার। কত শান্তি মনে ……

কিন্তু একি?প্রথম পাতায় আজ সমস্ত হেভী ওয়েট ব্লগারগনের পোষ্ট 🙁 এনারা সবাই একসাথে পোষ্ট করলে আমার মত লাইট ওয়েট ব্লগারের কি অবস্থা হপে?আমাদের কথা কি একটুও ভাবেন না তারা?তারা এত নিষ্ঠুর কেন হলেন?
মনে হেভী জোড় এনে কতক্ষন ধাক্কা ধাক্কি করলাম।উহু নট নরন চরন।মনে মনেই তো এদের নড়ানো যায় না,বাস্তবে কিভাবে নড়াবো।হেভি ওয়েটদের চাপে তো নাই হয়ে যাবার অবস্থা হবে।

নীচ থেকে দেখি এই সব হেভি ওয়েট ব্লগারের পোষ্টঃ
শুন্য শুন্যালয়
স্মৃতির নদীগুলো এলোমেলো…
ছাইরাছ হেলাল
প্রহেলিকা
মনির হোসেন মমি
জিসান শা ইকরাম
মারজানা ফেরদৌস রুবা
খসড়া (আমার পোষ্টের পরে দিয়েছেন)


অতঃপর জান বাঁচান ফরজ মনে করে,পোষ্ট না দিয়েই কান্না কাটি করে প্রস্থান করলাম। পোষ্ট আর দিলাম না, বাঁচলাম।আমার মত মানি লোকের মান আল্লাহ রাখেন।ভাবিয়া করিও কাজ করিয়া ভাবিও না।বুদ্ধিমান হোন,ঠিক কাজটি করুন।
আমি মানি লোক,ভাবুক এবং বুদ্ধিমান………তাই ব্যাক টু দ্যা প্যাভেলিয়ন 🙂

 

মোট পড়েছেনঃ ১১৬৬জনআজ পড়েছেনঃ ০জন

৫৩টি মন্তব্য

    1. একটু সাথে থাকবেন আপু,এত হেভী ওয়েটদের চাপে চ্যাপ্টা হয়ে গেলেে টেনে তুলে হাসপাতালে পাঠিয়েন আমাকে 🙁 পোষ্ট তো তৈরী।কিন্তু এনারা যদি আমার ষড়যন্ত্র করে একসাথে পোষ্ট দেন ? 🙁

  1. শরীরের ওজন আসলেই বাড়তেছে নিয়ন্ত্রনহীন ভাবে। তাই বলে এভাবে খোচা দেয়া হইলো??

    বিচার দাবী করবোনা। এইদেশে বিচারের বানী নিভৃতে কান্দে। আরো কান্দুক…

    1. পেট পর্যন্ত ধরতে পারি,এর উপরে খোঁচা দেয়ার ্তো উচ্চতাই নেই।পেটের নিচে খোঁচা দেয়া নিরাপদ নয়,তাই পেট নিয়ে খোঁচাখুঁচি 🙂 আপনারা সবাই আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রকারী বলে প্রতিয়মাণ হচ্ছে।আপনি না চাইলেও আমি এর বিচার চাই।

  2. আপনার সাথে একাত্মতা প্রকাশ করলাম, এই সব খানদানি হেভি ওয়েট ব্লগারদের পোষ্ট দেখলে নিজেরে কেমন জানি মনে হয়। তারা সবাই যুক্তি কইরা একসাথে পোষ্ট দিছে যাতে আমরা আমব্লগাররা মন্তব্য না পাইয়া মারা যাই। কি আর করমু, দেন আপনারাই পোষ্ট দেন যুক্তি কইরা আমি চাইয়া চাইয়া দেখি। পোষ্টে উল্লেখিত ব্লগারদের মইধ্যে চার নাম্বার নামডা দেখতে পারছি না।

    1. আচ্ছা আচ্ছা,৪ নাম্বারের নামডা দেখতে পাচ্ছেন না?নাম দেখা দরকার কি?ওখানে এমন একটি নাম আছে যার অর্থ হচ্ছে, ১. গূঢ় অর্থযুক্ত কূটপ্রশ্ন; ২. ধাঁধা, হেঁয়ালি।অর্থ নিশ্চয়ই দেখতে পাচ্ছেন :p

      অভিধান থেকে 🙂 http://www.ebangladictionary.org/19300

      1. অর্থ দেখে কি আর সব বুঝা যায়?? নেট স্লো লিংকে ঢুকতে পারিনি তবে যেই আছে তার জন্য মায়া হয় সবার মাঝখানে বেচারা / বেচারী কি চাপের মাঝেই না আছে।

        যাইহোক অসম্ভব ভালো লিখেছেন। এক কথায় অনবদ্য। বহুদিন পরে একটা ভালো লেখা পড়লাম। রবীন্দ্র পরবর্তী যুগে এধরনের লেখা আর আগে আসে নি। অনবদ্য…অসাধারণ… শুধু যে প্রাসঙ্গিক ও সময়উপযোগী লেখা তাই নয় একেবারে সমস্যার মূলে কুঠারাঘাত করেছেন। লেখকের বক্তবের সাথে পুরোপুরি একমত। এই পোস্টটিকে স্টিকি করা হৌক।

        এই লেখাটিতে লেখক মনের অন্ধি সন্ধিতে যে মনস্তাত্বিক টানাপোড়েনের আভাস আমরা দেখতে পাই সেটা নিয়ে আসলে বিশদ আলোচনার অবকাশ রয়েছে। লেখাটিতে আমরা পাবলো পিকাসোর কিউবিজমের সাথে সালভাদর দালির স্যুরিয়ালিজমের একটি সম্মিলিত অভিক্ষেপের লিখিত রূপ দেখতে পাই। লেখককে সাধুবাদ তিনি খুবই মুনশিয়ানার সাথে এই দুটি বিপরীতমুখী চিত্রকলার ধারাকে একই লেখনীর মাধ্যমে প্রকাশ করতে পেরেছে। এ প্রসঙ্গেই স্বনামখ্যাত পরিচালক আকিরো কুরোশাওয়া হয়তো কখনো বলেছিলেন “দুটি বিপরীত ধারার মিলনে যেই লেখনী আমাদের সামনে প্রতিভাত হয়ে ওঠে সেটাই আসলে একটি ব্যবসা সফল চলচ্চিত্রের মূলকথা”। যাক, এই লেখা নিয়ে আলোচনা করার দুঃসাহস করলে পাতার পর পাতা আই মিন মেগাবাইটের পর মেগাবাইট শেষ হয়ে যাবে তবু আলোচনার সিদ্ধান্তে আসা কঠিন থেকে কঠিনতর হয়ে যাবে। :p

        1. সমকালীন বঙ্গীয় সাহিত্যাকাশের উদীয়মান নক্ষত্রসম আপনার এই মন্তব্য খানা আমার মনে নিগূড় যে ভাবের সৃষ্টি করিয়াছে তাহা কেবলমাত্র নব্য একবিংশীয় ধারার তত্ত্বীয় দর্শনের সহিতে প্রাচীন চন্ডী মঙ্গলীয় রোমান্টিসজমের সামঞ্জস্যপূর্ণতার ব্যাখ্যাই নয়, বর্তমান পেটি বুর্জোয়াদের জলশুন্য অন্ন ভক্ষণের তীব্র ক্ষুধাও প্রকাশ করিয়াছে…
          আপনার এ ধরনের মন্তব্য আমাদের জাতীয় জীবনে সে অভ্যাস তৈরীর ক্ষেত্রে একটি দিক নিশানা হতে চলেছে বলেই প্রতিভাত হয়। স্বাধীনতার প্যতাল্লিশ বছর পর আপনিই প্রথম ব্লগ জগতে এমন একটি মন্তব্য করেছেন যা একই সাথে ডিসকোর্স এবং তার কাউন্টার ন্যারেটিভে বাইনারী অপোজিটসের উদাহরণ সৃষ্টি করবে। এর মধ্য থেকেই আমরা বের করে নিতে পারবো আমাদের পরিবর্তনের পথ।
          তৃতীয় বিশ্বের একটি উন্নয়নশীল দেশ হিসাবে আমরা যখন সম্রাজ্যবাদীদের চোখ রাঙ্গানো আর আমলাতান্ত্রীক জটিলতার শিকার হয়ে ক্রমশ এগিয়ে যাচ্ছি একটি অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে; ঠিক তখনি, ঠিক সেই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে আপনার এই মন্তব্যের মাঝে আমি খোজে পাচ্ছি অন্ধকার ঠেলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার একটি সম্ভবনা আর বিদেশী বেনিয়াদের কাছে বুদ্ধিবৃত্তিক দাসত্ব গ্রহন করার বিপক্ষে একটি সুক্ষ বার্তা যা আমার মনে মুড়ি খাওয়ার বাসনা জাগিয়ে তুলেছে।
          যাই, মুড়ি খেয়ে আসি।
          বান্ধাইয়া রাখার মত মন্তব্য। একটা ফুলের মালা থাকবে ফ্রেমের গায়ে 😀

  3. শিষ্য তোমার পোষ্টে তো তাও দেখি কমেন্ট টমেন্ট কিছু আছে। আমার পোষ্ট না আবার ফাকাঁ পরে থাকে…..

    প্রস্থান করে ভালো করেছো। আমিও এমন কিছুই ভাবছি।

  4. আমার ওয়েট হেভি এইটা ঠিক আছে, কিন্তু আপনি জানলেন কিভাবে? ;?
    যেইভাবে মালকোচা মেরে শুরু করলেন তাও ধাক্কাধাক্কি করে সরাতে পারলেন না? এই বুদ্ধিতে কাজ হবেনা। বুদ্ধি আরো বাড়ান, প্রয়োজনে ডিমের সংখ্যা বাড়ান। ফাঁকা মাঠে গোল করে কাকে ইম্প্রেস করতে চান কে জানে!!
    পোস্ট হেভভি, পিলাস, ++++++, (y), অসাধারন। অল্প ঘুষে এর বেশি প্রশংসা করতে পারবোনা।

    1. পোষ্ট দেখেই বুঝি কার ওজন কত 🙂 হেভি ওয়েট ওয়ালাদের আসলে এভাবে ধাক্কাধাক্কিতে কাজ হবেনা।কাতুকুতু মহৌষধ এর।তবে চামড়া মোটা হলে তাতেও কাজ হবে বলে মনে হয় না। ফাঁকা মাঠ কোথায়?মাঠ তো আপনাদের দখলে ম্যাডাম।কি ঘুষ চান বলুন আপু,প্রশংসা লাগপে আমার 🙂

  5. দুষ্টের শিরোমণি আমাদের সজীব 🙂 এত আইডিয়া কোথায় পান আপনি?আমি তো কোন আইডিয়া পাই না।কিছু আইডিয়া দিয়েন তো আমাকে -{@

      1. সজীব ভাই, আপনি আরো একতা ক্যাটাগরি করতে পারতেন হেভিওয়েট তালিকায়ঃ
        হেভিয়েট মেম্বারঃ
        ১। লীলাবতী
        ২। লীলাবতী
        ৩। লীলাবতী
        …লীলাবতী…লীলাবতী

        এর এক ডাকে সব হেভিওয়েট ব্লগাররাও হাজিরা দেয়…

        আর সব চাইতে লোওয়েট ব্লগারঃ
        ১। ব্লগ সঞ্চালক…ব্লগ সঞ্চালক -_- (9)

  6. আপনি দেখি হেভী ওয়েট ব্লগারগনের মাঝখানে দাঁড়াইয়া ছক্কা হাঁকায় গেলেন–এটা ঠিক না–যেখানে সেখানে ছক্কা হাঁকানো কিন্তু ভালো পোলাপাইনের লক্ষণ না 🙂 :p

  7. বেশ কিছুদিন সোনেলায় ছিলাম না,এখন এসে খুঁজে খুঁজে লেখা পড়ছি।সুমো কুস্তিগীরের ছবি দেখে তো ভয়ই পেয়েছিলাম।
    এখন লেখার ভিতরে এসে পড়ে তো আমি হাসতে হাসতে খাট উলটে পড়ে যাওয়ার উপক্রম!!
    ভাই আপনি এগুলান ক্যামনে লিখেন!!

মন্তব্য করতে লগিন করুন অথবা নিবন্ধন করুন।