মূল লেখায় যান

কিশোরী

ভোরের শিশিরকবিতা১৬টি মন্তব্য

গগনে মাতম ওঠে; চোখেতে বর্ষণ
এ’ কিসের মায়ায়,
মেঘেতে বিজলি নাচে; মুখেতে আঁধার
এ’ কাহারো ছোঁয়ায়,

নক্ষত্র আলোতে ডুবে; মনেতে রোদ্দুর আঁকা,
চঞ্চলা কিশোরী লাজে; আঁকাবাঁকা হাসি ঠোঁটে,
অধরা স্বপনের পানে; পলাশ ও বকুলের টানে।

বুকেতে কাঁপন ওঠে; অভিমানে চৌচির
এ’ কিসের ছায়ায়,
ভাবনাতে প্লাবন নামে; করতল আকুল
এ’ কেমন ধারায়,

সাঁজের বাতাসে ভেসে; জোনাকিতে রজনী দেখা,
চপলা কিশোরী থামে; আড়ভাঙ্গা হরিণী মোহে,
অধরা স্বপনের পানে; পলাশ ও বকুলের টানে।

মোট পড়েছেনঃ ৭৪৬জনআজ পড়েছেনঃ ০জন

১৬টি মন্তব্য

  1. কবিতাটি ইন্টারেস্টিং। প্রথম আর তৃতীয়টি একরকম আবার দ্বিতীয় আর চতুর্থ আরেক। যে কবিতা লিখতে জানে, সে সাজসজ্জাও জানে।
    কিশোরী মনের দোদুল্যমান চপলতা ভালো লেগেছে।

    1. 😀 😀 ইয়েসসসসসসসসসসস 😀
      প্রথম আর তৃতীয় প্যারায় একজন অভিমানী আর দুঃখী কিশোরী আর দ্বিতীয় ও শেষ প্যারায় একজন লাজুক কিন্তু উৎসুক সহজ সরল কিশোরীকে রাখলাম… সব মিলিয়েই একজন কিশোরীকে আঁকার চেষ্টা 😀 শূন্য ভাইয়া 😀