ফাতেমা জোহরা

  • নিবন্ধন করেছেনঃ ৮ বছর ১ মাস আগে
  • পোস্ট লিখেছেনঃ ৩৭টি
  • মন্তব্য করেছেনঃ ৪২১টি
  • মন্তব্য পেয়েছেনঃ ৭৭১টি
“ঝাঁকে ঝাঁকে শকুন নেমে এসেছে। তীক্ষ্ণ ঠোঁট দিয়ে ছিড়ে খুড়ে খাচ্ছে মরা মানুষের দেহ। তাদের চোখ চক চক করছে। কিন্তু মৃত মানুষের সংখ্যা এত বেশী যে শকুনের খেয়ে শেষ করতে পারছে না। শকুনদেরও খাওয়ায় অরুচি এসে গেছে। মরা মানুষের গা থেকে ছিঁড়ে খুঁড়ে ফেলেছে জামা কাপড়। তাদের অনেকের তখনো গা গরম। সবেমাত্র মরেছে। পথে ঘাটে [ বিস্তারিত ]
১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে পাকিস্তানীরা বাঙালির মনোবল ভেঙে দেয়া, বাঙালিদের অস্তিত্ব পুরোপুরি ভাবে ধ্বংস করে দেয়া, সেইসাথে বাঙালি জাতির নাম একেবারে মুছে দেবার একটি নিকৃষ্ট প্রয়াস চালায়। সেই আমাদের মা বোনদের উপর অকথ্য নির্যাতন , ধর্ষণ ও যৌন সহিংসতা পুরো বাঙালি জাতির বিরুদ্ধে একটি যুদ্ধাস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়। উদ্দেশ্য, দানবীয় ত্রাস সৃষ্টি করা, মনোবল [ বিস্তারিত ]
  ‘বীরাঙ্গনা’ শব্দটি বাংলা ভাষায় বীর নারী বা বীর্যবতী নারীর বিশেষণেই সীমাবদ্ধ ছিল। ১৯৭১ সালের স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ আত্মপ্রকাশের পর ‘বীরাঙ্গনা’ শব্দটি ভিন্ন তাৎপর্য ধারণ করে। স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রথম আঘাত আসে নিষ্পাপ অসহায় নারীদের ওপর। স্বৈরশাসক ইয়াহিয়ার প্রথম আক্রোশের আগুনে দগ্ধ হয় বাঙালি নারীরা। ইয়াহিয়া খান ১৯৭১ সালে সরাসরি বাঙালিদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য পাকিস্তান [ বিস্তারিত ]

আমাদের বাড়িটা…

ফাতেমা জোহরা ১৫ অক্টোবর ২০১৫, বৃহস্পতিবার, ০৯:৪২:৫০অপরাহ্ন একান্ত অনুভূতি, বিবিধ ১৫ মন্তব্য
আমাদের  বাড়িটা  দো'তলা। আজকাল এরকম  বাড়ি খুব একটা দেখা যায় না। লোকেরা সামর্থ্য থাকলে পাঁচ তলার বিশাল অট্টালিকা গড়ে, মাসশেষে হাজার টাকা ভাড়া গুণেই শান্তি নেয়! কিন্তু আমাদের  বাড়িটা একেবারে আলাদা। আমাদের ঘরের সামনে ছাদটুকুকে আমরা উঠোন হিসেবেই ব্যবহার করি।সেই উঠোনে দিনের শুরুতে সূর্যের আলো আছড়ে পরে। এরকম আবহাওয়াতে হু হু করে বাতাস বয়, দক্ষিণে [ বিস্তারিত ]

মুক্তির নারীঃ নূরজাহান…

ফাতেমা জোহরা ১২ অক্টোবর ২০১৫, সোমবার, ০৫:৩৭:৩৫অপরাহ্ন মুক্তিযুদ্ধ ১৫ মন্তব্য
নূরজাহান বেগম, বাবার আদরের মেয়ে নূরজাহান।আদর করে বাবা যাকে নূরী বলে ডাকতেন।একাত্তরে নূরীর বয়স ছিল মাত্র পনেরো।কিন্তু মেয়ের বয়স যতোই কম বুকের ভেতরের আগুন ততোই বেশি।সেই আগুন ছিল পাকিদের জ্বালিয়ে পুড়িয়ে দেশ থেকে বিদায় করার আগুন, সেই আগুন ছিল লাল সবুজ পতাকার মাঝখানের হলুদ মানচিত্রের আগুন।চারিদিকে বাঙালিদের ওপর অসহনীয় অত্যাচার চালাচ্ছে পাকিরা।অত্যাচারের মাত্রা যতোই বাড়ে [ বিস্তারিত ]

বই পর্যালোচনাঃ যুদ্ধ ও নারী

ফাতেমা জোহরা ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৫, বুধবার, ০৯:৪০:০৩অপরাহ্ন মুক্তিযুদ্ধ ১৮ মন্তব্য
“নির্যাতিত হবার পর সমাজ ও দেশ অনেকক্ষেত্রে এইসব নারীদের পরিত্যাগ করেছিল। যখন তাঁদের জন্য প্রয়োজন ছিল শারীরিক ও মানসিক চিকিৎসা,সহযোগিতা,সহমর্মিতা ও স্নেহ ভালোবাসাপূর্ণ আশ্বাস তখন কেউ তাঁদের পাশে এসে দাঁড়ায় নি। ফলে ব্যক্তিত্ব ও মর্যাদার সংকটে পিষ্ট এসব ধর্ষিত নারীরা নিজেদেরকে যৌন শৃঙ্খলে আবদ্ধ এক ঘৃণিত বিচ্ছিন্ন জীব হিসেবে আবিষ্কার করেন।” .......দেশ স্বাধীন হবার পরে [ বিস্তারিত ]
“বিহারীরা আমার বোন আমেনাকে ড্রামের পেছন থেকে বের করে পালাক্রমে ধর্ষণ করে।আমার বোন চিৎকার করে বাঁধা দেবার চেষ্টা করে,পরে তাঁর দেহটি হঠাৎ নিথর হয়ে যায়। সেই নিথর দেহের উপর পালাক্রমে চলে ধর্ষণ। ধর্ষণ শেষ হলে নিথর দেহটিতে তিনটি গুলি করে” ... বর্ণনা দিতে গিয়ে বাকরুদ্ধ হয়ে যান মোমেনা বেগম। প্রায় ২ ঘন্টা পর স্বাভাবিক হলে [ বিস্তারিত ]
“মামা আমায় কিছু অস্ত্র যোগাড় করে দিতে পারো? আমি পাকিস্তানি হায়েনাদের দেখিয়ে দিতে চাই সারাদেশের মতো ঢাকা শহরেও মুক্তিযুদ্ধ চলছে। আমি আমার বন্ধুদের নিয়ে ঢাকা শহরে অপারেশন চালাবো। এদেশকে আমরা সত্যি সত্যিই একদিন স্বাধীন করে ছাড়বো। নতুন আলোতে উদ্ভাসিত হবো আমরা...” ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম এ ফাইনাল পরীক্ষা দেয়ার কথা ছিল বদির। কিন্তু এরই মধ্যে [ বিস্তারিত ]
(সোনেলায় আসা হয় না বহুদিন। আসবো , লিখবো, লিখবো করেও হয়ে উঠে নি। হয়ে উঠে না অনেকসময় অনেক কিছু। যাহোক, নিজের কথা অন্য একদিন বলবো। আজকে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় নিয়ে সামান্য একটা লেখা দিচ্ছি। হতেপারে লেখাটিতে অনেক তথ্যের কমতি কিংবা ভুল। সেক্ষেত্রে আপনাদের সহযোগিতা তো আমি চাইতেই পারি...    :)   !  )   পৃথিবীতে বিভিন্ন [ বিস্তারিত ]
পশ্চিমা সাম্রাজ্যের একজন নেতৃস্থানীয় ইতিহাসবিদ হলেন প্রফেসর বার্নার্ড লুইস। শুধু তাই নয় গোটা আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও একজন বিখ্যাত মানুষ হিসেবে গণ্য করা হয় তাঁকে। যুদ্ধাপরাধ, গণহত্যার মতো স্পর্শকাতর বিষয় নিয়ে তিনি বিস্তর লেখালেখি করেছেন। ১৯৯৩ সালের নভেম্বরে ফরাসী পত্রিকা Le Monde তে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে আর্মেনিয়ার গণহত্যা নিয়ে কিছু মন্তব্য করে বসেন। তিনি বলেন, আর্মেনিয়ায় যে [ বিস্তারিত ]
১৯৭১ সাল থেকে আজ পর্যন্ত হাতে গোনা কয়েকটি বধ্যভূমি কিংবা সেই জায়গাগুলোতে সংঘটিত গণহত্যার কথা তুলে ধরা হলেও, বাদ পরে গেছে অধিকাংশ বধ্যভূমিতে সংঘটিত গণহত্যার ইতিহাস। এমনও হয়তো অনেক বধ্যভূমি রয়েছে যেগুলোর কোন চিহ্নই এখন আর পাওয়া যায় না। শুধু লোকমুখে শোনা যায় সেসব জায়গার ইতিহাস। অনুসন্ধান করতে গেলে তেমন কোন স্মৃতিচিহ্নই পাওয়া যায় না [ বিস্তারিত ]
তাঁর কথা মনে হলেই এক অন্য রকম অনুভূতি জাগে মনে, শ্রদ্ধায় অবনত হয়ে আসে মাথা।খুব  কাছে থেকে "আম্মা"  ডাকার আকুলতা জাগে মনে। জানেন তিনি কে ?? জানেন আমি কার কথা বলছি ??? আমি শহীদ জননী, আমাদের পরম শ্রদ্ধেয়, আমাদের আম্মা  জাহানারা ইমামের কথা বলছি। যুদ্ধাপরাধী গোলাম আযমসহ স্বাধীনতাবিরোধী সকল অপশক্তির বিরুদ্ধে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত একনিষ্ঠ ভাবে লড়াই [ বিস্তারিত ]
মানব ইতিহাস বিকাশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হল পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে সভ্যতার উদ্ভব। সভ্যতার বিবর্তনে মানুষের জীবনধারা পাল্টেছে। হিংস্রতা থেকে মানুষের জীবন পেয়েছে সুসভ্য রূপ। বিবর্তনের ধারাবাহিকতায় মানুষ পারিবারিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে নানা পরিবর্তন নিয়ে আসে। এলাকাভেদে ও সংঘবদ্ধ দলভেদে এই পরিবর্তন একেক জায়গায় একক রকম। আর এই পরিবর্তনের শুরুর দিকে পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে [ বিস্তারিত ]
"ওদের ৩০ লক্ষ হত্যা করো। বাকিরা আমাদের থাবার মধ্যেই নিঃশেষ হবে..." প্রচন্ড চিৎকার, হাহাকার, কান্নার ধ্বনি চারিদিকে। ঘামছে, সমস্ত শরীর ঘামছে কিম্ভূতকিমাকার লোকটার। অদ্ভুত! ঘামগুলো ক্যামন রক্তের মতো দেখাচ্ছে যে!! লোকটা ঘুমিয়ে পরেছে আবার। অনেক বছর যাবৎ একইভাবে ঘুমুচ্ছে সে।কিন্ত ইদানীং বহু বছরের পুরনো কিছু ঘটনা দু্ঃস্বপ্ন হয়ে আনাগোনা করে তাঁর ঘুমের মাঝে। হঠাৎ হঠাৎ [ বিস্তারিত ]
  মসলিন তৈরির কাজটি ছিল ভীষন জটিল, কঠিন, সময়সাধ্য- তারচেয়েও বড় কথা হলো সেটা তৈরির জন্য দরকার হতো অসামান্য নৈপুণ্য আর আসুরিক ধৈর্য। মোটামুটি যে ক’ধাপ পেরিয়ে তৈরি হতো মসলিন সেগুলো হলো; সুতা নাটানো, টানা হোতান, সান বাঁধা, নারদ বাঁধা, বু-বাধাঁ, আর সবশেষে কাপড় বোনা । এসব শেষে একজন তাঁতি আর তার দু’জন সহকারীর লাগতো [ বিস্তারিত ]

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ