আবু জাকারিয়া

এ বিষয় পরে বলব।

  • নিবন্ধন করেছেনঃ ৮ বছর ১৯ দিন আগে
  • পোস্ট লিখেছেনঃ ৪১টি
  • মন্তব্য করেছেনঃ ৩২৬টি
  • মন্তব্য পেয়েছেনঃ ৩৬২টি

যেতে চাই সেথায়

আবু জাকারিয়া ৪ আগস্ট ২০১৬, বৃহস্পতিবার, ০৮:০৭:৫৪অপরাহ্ন একান্ত অনুভূতি, বিবিধ ১৩ মন্তব্য
যেতে হলে সেথায় অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে; কিন্তু বৃষ্টিতো থামেনা, ছাতাও নেই হাতে। আর কতক্ষন একলা নিরালায় দাঁড়িয়ে থাকা যায়, আর কতক্ষনই বা সূর্যের অপেক্ষায় করা যায়? একেতো পথে কাঁদা, সেই সাথে নেই পথ চিনবার আলো! সকাল না সন্ধ্যা, দুপুর না রাত- কিছুই বোঝা যায় না। না দেখা যায় সূর্য না দেখা যায় চন্দ্র। [ বিস্তারিত ]

বৃদ্ধ খেয়ামাঝি…

আবু জাকারিয়া ২০ মার্চ ২০১৫, শুক্রবার, ১০:৫৯:৫৮অপরাহ্ন গল্প, মুক্তিযুদ্ধ ৫ মন্তব্য
সন্ধ্যার পর যুবক ছেলেটি বাড়ির দিকে রওয়ানা দিল। ওর নাম জহিরুল। নদীর পাড়ে এসে দাড়িয়ে দেখল একটা মাত্র খেয়া নৌকা আছে ঘাটে। অন্য নৌকাগুলো ভয়ে চলে গেছে এখান থেকে। জহিরুল খেয়ায় উঠল। খেয়ার মালিক একজন বৃদ্ধ, বয়স ৭০ এর মত হবে। চুল আর দাড়ি পুরোটাই সাদা হয়ে গেছে। জহিরুল বলল, তারাতারি নৌকা চালাও। মাঝি নৌকা [ বিস্তারিত ]

বাবা

আবু জাকারিয়া ১৬ মার্চ ২০১৫, সোমবার, ০৯:৪১:৪২পূর্বাহ্ন গল্প, সাহিত্য ৬ মন্তব্য
দিনের শুরুটা ছিল রোদ্রজ্বল। এখন বেলা হয়েছে, কিন্তু সূর্যের আলোর উজ্জলতা কমে গেছে। আকাশে খন্ড খন্ড মেঘ জমেছে। মেঘগুলো বাতাশে ভেসে বেড়াচ্ছে। একখন্ড মেঘ সূর্যটাকে অনেকক্ষন আড়াল করে রেখেছে। সূর্যটাও মেঘের আড়াল থেকে বের হয়ে আসতে চাইছে বার বার। এটা হচ্ছে বৃহস্পতিবার। বৃহস্পতিবার আধা বেলা ক্লাস হয়। সপ্তাহের অন্যদিনেত ক্লাসগুলো হয় ফুল টাইম। সকাল ৮ [ বিস্তারিত ]

দুই জেলে…

আবু জাকারিয়া ১২ মার্চ ২০১৫, বৃহস্পতিবার, ১১:১৬:২৭অপরাহ্ন গল্প, সাহিত্য ১০ মন্তব্য
দুই জেলে। নৌকার পাটাতনে বসে তামুক টেনে কিছুক্ষন বিশ্রাম নিতে ভাল লাগে। মনে প্রশান্তি পাওয়া যায়। দুরে নদীর পাড়ের ঘরবাড়ি আর ঘন গাছপালা দেখা যায়। পাড় ধরে লোকজনকে আসতে যেতে দেখা যায় আপন মনে। ওরা সবাই আমাদের পরিচিত। কিন্তু ওদের সাথে ঘনিষ্ঠতা ততটা বেশি নয়। হারুন বলল, মাছগুলো আজ খুচড়া বিক্রি করব। আমি ওর কথায় [ বিস্তারিত ]

শহীদেরা ভাল থেক….

আবু জাকারিয়া ১১ মার্চ ২০১৫, বুধবার, ১১:১২:৩২অপরাহ্ন কবিতা, সাহিত্য ৯ মন্তব্য
আমরা স্বাধীনতায় বিশ্বাসী, আমরা রক্তে পেয়েছি আমাদের দেশ, আমাদের জন্মভূমি। এদেশের প্রতিটি মাটি কনা স্বাধীনতার কথা বলে বলে স্বাধীনের ইতিহাস। এদেশের মাটি পবিত্র, ঠিক সদ্য ফোঁটা নিষ্পাপ ফুলের মত। হাজার লাখো শহীদের রক্ত মিশে আছে এদেশের মাটিতে। সেই রক্তে ফোটে লাল গোলাপ অথবা হাস্নাহেনা ফুল। ফুলগুলো ফোঁটে, আর আমরা পাই স্বাধীনতার গন্ধ পাই স্বাধীনতার স্বাধ। [ বিস্তারিত ]

সোনার বাংলাদেশ

আবু জাকারিয়া ৮ মার্চ ২০১৫, রবিবার, ১২:২৩:৩৯অপরাহ্ন কবিতা, সাহিত্য ১০ মন্তব্য
ও ভাই চিত্র শিল্পী, তোমার রং তুলিতে বাংলার ছবি আঁক। তোমার রং ফুরাবে, আঁকা কখনও তোমার, শেষ হবে নাকো। কোথাও নেই তাইতো জানি শ্যামল সুন্দর জগৎ রানী একটি যে ভাই আছে শ্যাম সুন্দরী সাজে। বাঁচতে চাইযে আমি, এইতো আমার দেশে দিয়ে ভালবাসা মরতে চাইযে শেষে! বাংলা আমার নদীর দেশ কত নদী নাইরে শেষ! পদ্মা মেঘনা [ বিস্তারিত ]

ঘুড়ি…

আবু জাকারিয়া ৭ মার্চ ২০১৫, শনিবার, ১০:০৩:০৯পূর্বাহ্ন কবিতা, সাহিত্য ৮ মন্তব্য
ফোঁৎ ফোঁৎ বাতাশে উড়ে ঘুড়ি আকাশে কে ধরে? সারা পথ ঘুরে ঘুরে দৌড়াই মাঠ জুড়ে সকালে দুপুরে। সুতো আর নাটাই থাকে হাতে রঙিন ঘুড়িটা পাক মারে তাতে চিলগুলো উড়ে উড়ে ভাসে আর ভাসে আকাশে সাদা মেঘ হাসে আর হাসে হঠাৎ ঘুড়ির সুতা যায় ছিড়ে রঙিন ঘুড়িটাও যায়যে উড়ে! জানিনা উড়ে গেছে কোন দেশে কুড়িয়ে পাবে [ বিস্তারিত ]
১.গোলাকার পৃথিবী। এ এক অদ্ভুত গোলক ধাঁধা, চারিদিকে তাকালে এসব কি দেখা যায়? শুধু দিগন্ত জোড়া সবুজ বৃক্ষ আর উচু পাহাড় সূর্যের দিকে তাকালে চোঁখ জ্বলসে যেতে চায়। পৃথিবীটা নাকি গোলাকার তাও আবার নাকি লাঠিমের মত ঘোড়ে আর সূর্যকে পাক মারে। বিজ্ঞানীরা অনেক কিছু দেখে, তাদের তৃতীয় চক্ষুটা অনেক শক্তিমান। পাহারের উচ্চতায় ভ্রমনের মজাই আলাদা, [ বিস্তারিত ]

জীবন চিতা-পর্ব৭খ

আবু জাকারিয়া ৩ মার্চ ২০১৫, মঙ্গলবার, ১০:২৬:৫২পূর্বাহ্ন সাহিত্য ৪ মন্তব্য
ঘরের সামনে, বারান্দায়, এখানে সেখানে অনেক মানুষ এসে জড় হয়েছে। সবাই অবাক হয়ে দেখতে লাগল কালাচান কবিরাজের কেরামতি, আর জামিলার অদ্ভুত আচরন। মুহাম্মদ ঘর থেকে একটা পুরানো ঝাটা আনল। কালাচান কবিরাজ ঝাটাটি জামিলার মুখের সামনে ধরে বলল, এই ধর তোর ঝাটা, নিয়ে এখান থেকে তারাতারি কেটে পর। এই মুহুর্তটি ছিল সবার জন্য সবচেয়ে বেশি উত্তেজনাপূর্ণ। [ বিস্তারিত ]

জীবন চিতা-পর্ব৭ক

আবু জাকারিয়া ২ মার্চ ২০১৫, সোমবার, ০৭:০৪:৩৭পূর্বাহ্ন সাহিত্য ৬ মন্তব্য
পর্ব৭ক জামিলা হঠাৎ খিল খিল করে হেসে উঠল। কালাচান কবিরাজ গান বন্ধ করল আর বলল, বল কোথা থেকে এসেছিস? জানিলা আরো জোরে হেসে উঠল। কালাচান বলল, বল কোথা থেকে এসেছিস, কেন এসেছিস? জামিলা আবার উচ্চ শব্দে হেসে উঠল। কালাচান কবিরাজ একটা বড় লোহা দিয়ে মাটিতে দাগ কেটে বলল, খুব আনন্দ লাগে তোমার, মানুষকে জ্বালাতে খুব [ বিস্তারিত ]

জীবন চিতা-পর্ব৬

আবু জাকারিয়া ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৫, শনিবার, ১১:৩৮:২০পূর্বাহ্ন সাহিত্য ২ মন্তব্য
পর্ব৬ হঠাৎ একদিন মুহাম্মদ এসে উপস্থিত হল। এসেই দেখল জামিলা অবিস্বাশ্য ভাবে পাগলামি করছে। চেচিয়ে চেচিয়ে খারাপ ভাষায় গালাগালি করছে, অদ্ভুত সুরে গান গাইছে। জামিলার মা বলল, আসতে এত দেরি হল কেন, চিঠিতো দিয়েছি অনেক দিন হল? মুহাম্মদ বলল, চিঠি হাতে এসে পৌছাতে দেরি হয়েছিল। জামিলার মা বলল, এখন কি করবা, বুঝাইয়া দেখ পাগলামী ছাড়ে [ বিস্তারিত ]

জীবন চিতা-(পর্ব৫)

আবু জাকারিয়া ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৫, শুক্রবার, ১০:৫৮:১১পূর্বাহ্ন সাহিত্য মন্তব্য নাই
বড় ছেলেকে মাদ্রাসায় ফোরে আর ছোট ছেলেকে স্কুলে ওয়ানে ভর্তি করে দিল জামিলা। অবশ্য জামিলার ইচ্ছা ছিল বড় ছেলেকে ক্লাস ফাইবে ভর্তি করার, কিন্তু স্যাররা বলেছে তা ঠিক হবেনা। বড় ছেলে সানি যথেষ্ট মেধাবী, ফাইভে ভর্তি করলে সমস্যা হত না। কিন্তু দেখে বয়স অনেক কম বলে মনে হয়। তাই ফাইভে ভর্তি করতে রাজি হলনা শিক্ষকরা। [ বিস্তারিত ]

জীবন চিতা-(পর্ব৪)

আবু জাকারিয়া ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৫, বৃহস্পতিবার, ১০:৫৬:০২পূর্বাহ্ন সাহিত্য ৪ মন্তব্য
পর্ব-৪ সন্ধ্যা হয়ে আসছে। পশ্চিম আকাশের সূর্যটা রক্তের মত লাল দেখাচ্ছে। গাছের আড়াল থেকে উকি মারছে সূর্যটা । বাতাশের তালে তালে একবার মুখ দেখাচ্ছে, একবার মুখ গাছের আড়ালে লুকাচ্ছে। জামিলা ছোট বেলায় সূর্যের আলো ছায়া নিয়ে খেলা করত। বিকেল বেলা যখন সূর্যিটা তলিয়ে যাবে, জামিলা উঠোনে এসে সূর্যের হালকা আলোয় দাড়াতো। ফলে অনেক বড় একটি [ বিস্তারিত ]

জীবন চিতা-(পর্ব৩)

আবু জাকারিয়া ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৫, বুধবার, ১০:৫৩:৫২পূর্বাহ্ন সাহিত্য ৬ মন্তব্য
পর্ব-৩ এক সপ্তাহ পর সন্ধ্যার আগে শহর থেকে বাড়ি আসল মুহাম্মদ। এই সপ্তাহে ভাগ্যটা তার পক্ষে ছিল। পুরো এক সপ্তাহ কাজ করতে পেরেছে সে। যারা কাজ করিয়েছে তারা উপযুক্ত বেতনও দিয়েছে। কোন মালিক একটা টাকাও বাকি রাখেনি। পারিশ্রমিক সবাই নগদে পরিশোধ করে দিয়েছে। সে কারনে মনটাও কিছুটা ভাল মুহাম্মদের। জামিলা হেসে বলল, সুমাইয়া এসেছিল বর [ বিস্তারিত ]

জীবন চিতা-পর্ব(২খ)

আবু জাকারিয়া ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০১৫, মঙ্গলবার, ১০:৩৪:৪৮পূর্বাহ্ন সাহিত্য ৮ মন্তব্য
(২খ) জামিলার চারপাশে মাটিতে দাগ কেটে একটা কুন্ডুলি আকল মুহিব। কুন্ডলীর ভীতর জামিলা বসে আছে। মুহিব পানি পড়ছে স্বচ্ছ কাচের গ্লাসে করে। পানি পড়া শেষ হলে পানি গায়ে ছিটিয়ে দিল জামিলার। তারপর বলল, আম্মা এখন চোখ বন্দ করে রাখেন। জামিলা চোখ বন্দ করে কুন্ডলীর ভিতরে বসে থাকল। মুহিব দোয়া কালাম পড়তে লাগল। দোয়া কালাম পড়া [ বিস্তারিত ]

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ